ইভেন্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইভেন্ট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ২০ অক্টোবর, ২০১২

উবুন্টু ১২.১০ রিলিজ পার্টি যাত্রার হররভিজ্ঞতা

১।
উবুন্টুর নতুন ভার্সন রিলিজ উপলক্ষে রিলিজ পার্টি হবে - কখন হবে, কোথায় হবে, কিভাবে হবে এগুলো নিয়ে যথেষ্ট মেইলে ইনবক্স সবসময়ই সরগরম। আশিকুর নূর নামে একজন ছোট পাগল (মানুষের উপকার করে বেড়ানোর পাগলামী) এটা আয়োজন করার জন্য সমস্ত ছোটাছুটি করছে, আর তাকে গাইড করছে বড় পাগল রিং। কিন্তু নিজে অন্যরকম দৌড়ানির উপরে থাকার কারণে এমনকি মেইলগুলোও নিয়মিত পড়া হয়ে উঠছিলো না। দেখা গেল যখন মেইল পড়ছি তখন অনেকগুলো কাজ ইতিমধ্যেই করা হয়ে গেছে, যার জন্য আমাকে জিজ্ঞেসও করা হয়েছিলো। মেইলে আমার এরকম পশ্চাৎপদতা দেখে নিয়মিত শরম পাচ্ছি। তবে, ১৯ তারিখ শুক্রবার ডেফোডিল ইউনিভার্সিটিতে ৪-৭টা প্রোগ্রাম - সেটা ভুলিনি। এই প্রোগ্রাম আয়োজন নিয়ে যতটা চড়াই-উৎড়াই পেরোতে হয়েছে -- তার কিছু অংশ মেইল থ্রেডটাতে এসেছিলো - ওটা নিয়েই একটা বড় প্রবন্ধ রচনা করা যায়।

১৯ তারিখ দুপুর ২টা থেকে মানসিক প্রস্তুতি চলছে, এখন রেডি হতে হবে। এর মধ্যে মেয়ে এসে আমাকে সাথে নিয়ে টিভিতে কার্টুন দেখতে বসলো - উঠতে দেয় না। ৩টা সময় মনে হল, নাহ্ - এভাবে চলতে পারে না, রেডি হই।  ল্যাপটপটা গুটিয়ে ব্যাগে ঢুকালাম - অনুষ্ঠানে দরকার হতে পারে। কিন্তু রেডি হওয়ার সবচেয়ে জরুরী অংশ হল ঠিকানা নিশ্চিত হয়ে রওনা দেয়া যেন স্পটে গিয়ে হয়রানী না হতে হয়। নুর বা মেহেদী ভাইকে ফোন করলেই সহজে ল্যাটা চুকে যায়, কিন্তু অভ্যাসবশত ডেস্কটপ খুলে গুগল ম্যাপ দেখতে চাইলাম। ইদানিং কিউবির জঘন্য নেটস্পিডের (বাইরের কোনো কারণে সমস্যা হতে পারে এমন হলে এরা মেসেজ দিয়ে সমস্যা জানায় - এইটার ব্যাপারে সেরকম কিছু জানায়নি) কারণে ৫ মিনিটেও ম্যাপের কিচ্ছু লোড হয় না, তাই ডেফোডিল ইউনিভার্সিটি সার্চ দিয়ে সেটার লিংক পেলাম। লিংকে গিয়ে অনেকগুলো ঠিকানা থেকে দুইটা ক্যাম্পাসের ঠিকানা ১০২ শুক্রাবাদ দেখে মনে হল এটাই ঠিকানা - শুক্রাবাদ গেলেই খুঁজে নেয়া যাবে। স্বাভাবিক অবস্থায় ১ মিনিটের কাজ করতে ২০ মিনিট খরচ করেও লাভ হল না -- শালার ইন্টারনেট সার্ভিস! ফোন দিয়ে ঠিকানা জানলেই মনে হয় এ্যাত সময় নষ্ট করতে হত না। যাক এবার বের হই ... ...

কিসের কী - মেয়ের দাবী দাওয়া শেষ হয় নাই। এর আগে বের হতে পারলে তো! মেয়ে বলছে মাথা চুলকাচ্ছে - এ্যাত যত্নের পরও মাথা চুলকায় কেন -- সুক্ষ্ণ চিরুনী অভিযান চালিয়ে মাথা থেকে অনেকগুলো বদমাশকে বের করে পটাপট মারা হল। এমতাবস্থায় ওর মাকে সমস্ত দায়িত্ব হস্তান্তর করে রওনা দিলাম। ততক্ষণে ৪টা পার হয়ে গিয়েছে ... ...

২।
বাসার বাইরে বের হয়েই খালি রিকশা দেখে বললাম - শুক্রাবাদ চলো। আমার বাসা গ্রীনরোডে বসুন্ধরা সিটির পেছনের এলাকায় - তাই রিকশা দিয়ে যাওয়া যায়। রাজাবাজারের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় দেখি শুক্রাবাদের কাছে রাস্তার (গলির) মাঝে কেটে সম্ভবত সুয়ারেজ লাইন বসিয়েছে - এর জন্য উঁচু উঁচু ম্যানহোলের মাথা রাস্তা থেকে ৪ থেকে ৬ ইঞ্চি বের হয়ে আছে, তার উপর পাইপ বসানোর জন্য কাটা জায়গায় শুধুমাত্র খোয়া ফেলা হয়েছে - রিক্সা চলতে খুবই অসুবিধা! সম্ভবত ২০ মিনিটে অক্ষত অবস্থায় শুক্রাবাদ পৌঁছালাম। ঠিকানাতো জানিনা -- এদিক ওদিক তাকিয়ে ভাবলাম ফোন করেই ফেলি! এমন সময় পাশেই হোটেল নিদমহলের ভবনে দেখি ডেফোডিল ইউনিভার্সিটি -- আহ্ পাইছি।

ধুর! এটা তো দেখি তালাবদ্ধ, রাস্তা থেকেই দেখা যাচ্ছে। ফোনটা তাহলে করতেই হয়। ফোনে মেহেদী ভাইকে পেলাম -- প্রথমেই গতকাল উনার মিসড কলে রিং ব্যাক না করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করলাম; উনি অনুষ্ঠানস্থলেই আছেন। এটা প্রিন্স প্লাজায়, আন্ডারগ্রাউন্ডে ... ... । আচ্ছা --- --- --- এই সময়ে পাশ দিয়ে যাওয়া পথচারী আমার ফোনালাপের অংশবিশেষ শুনে কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই বলে বসলো -- প্রিন্স প্লাজা ঐদিকে। অর্থাৎ সরকারী কলোনী, ডেন্টালের ছাত্রাবাস ও সোবহানবাগের মেইন রাস্তার উপর অসভ্যভাবে বের হয়ে থাকা মসজিদটা পার হয়ে, পেট্রলপাম্পের পর। আমি ধন্যবাদ, থ্যাঙ্কইউ বললাম। একবারে দুইজনকেই - উপকারী পথচারী এবং ফোনের লাইনে থাকা মেহেদী ভাই দুজনকেই। ফোন কেটে হাটা দিলাম। ল্যাপটপের ওজন কম না -- এর আগে এটা নিয়ে হাঁটাহাটি করার সময় একদিন সুন্দর ভদ্রলোকের মত ঘাড় থেকে ব্যাগের বেল্ট ছিড়ে মাটিতে ডাইভ দিয়েছিলো, তাই এখন কাঁধে ঝুলানোর কোনো অপশন নাই। ব্রিফকেসের মত হাতে নিয়ে ঘুরতে হয়।

প্রিন্স প্লাজায় আন্ডারগ্রাউন্ডে --- এই রকম কী জানি বলেছিলো। উপরের দিকে তাকিয়ে দেখি ডেফোডিল আছে। নিচে মার্কেট। আন্ডারগ্রাউন্ড পার্কিং থেকে ড়্যাম্প দিয়ে গাড়ি বের হয়ে আসছে। ওহ্ ... ... এই ড়্যাম্প দিয়ে নিচে গিয়ে লিফট ধরতে হবে। ব্যাপারটা অপরিচিত না, কারণ ধানমন্ডির ১৫র আনাম ড়্যাংগস প্লাজার বুমারসে যাওয়ার সময়ও এই তরিকা; সিলেটে আলহামরাতে মেট্রোপলিটন ইউনিতে যাওয়ারও একই তরিকা। তা এই পাথরের মত ভারী ল্যাপটপ হাতে (কাঁধে না) এতদুর হেঁটে এসে ড়্যাম্প দিয়ে নিচে নামতে ইচ্ছা করছে না। পাশেই চকচকে মার্কেটের প্রবেশপথ দেখে ওটা দিয়ে ভেতরে ঢুকলাম -- নিশ্চয়ই এখান থেকেও সিড়ি বা লিফট পাওয়া যাবে ... ...

৩।
খুব স্মার্ট ভঙ্গিতে শপিং সেন্টারে ঢুকেই ডানে বামে তাকিয়ে কোনো সিড়ি বা লিফট দেখলাম না। আচ্ছা ..... ... তাহলে একটু ভেতরের দিকে যাই, ওদিকে নিশ্চয়ই আছে, যা দিয়ে অন্তত বেসমেন্টে নামা যাবে। নাহ এদিকেও দেখা যাচ্ছে না। ধ্যাত ড়্যাম্প দিয়েই গরম বেসমেন্টে নামতে হবে নাকি!! এই ভেবে বের হওয়ার সময় হঠাৎ দেখি প্রবেশদ্বারের ঠিক পাশেই লিফট। ঢোকার সময় সেটা ডানদিকে ৯০ ডিগ্রীর বেশি কোনে পেছনের দিকে পড়েছিলো তাই দেখিনি। ইউরেকা ... ... লিফটটা B বা বেসমেন্টে আছে। কল দিতেই G বা গ্রাউন্ড ফ্লোরে মানে আমি যেখানে - সেখানে চলে আসলো।

প্রথমেই যেই ধাক্কাটা খেলাম সেটা হল লিফট খালি। লোকজন থাকলে ড্যাফোডিল কোন ফ্লোরে জিজ্ঞেস করে নেমে যাওয়া যেত। তো-ও-ও, শপিং সেন্টারতো মনে হয় ৪ তলা, ৭ এ চাপ দেই, যদি ঐ ফ্লোরে না হয়, তাহলে নেমে আসবো। ওরে বাবা এটাতো ক্যাপসুল লিফট দেখি। উপরে উঠলে বাইরের দিকে তাকিয়ে একটু কেমন যেন লাগে। ৭ এ পৌঁছে লিফট খুলেই দেখি এ-মা লিফটের ঠিক বাইরে একটা শাটার দরজা সেটা বন্ধ। লিফট থেকে বের হওয়ারই জায়গা নাই - দেখেই কেমন দমবন্ধ একটা অনুভুতি হয়। ওকে ... মিস কল হয়ে গেছে, এটা মনে হয় কোনো অফিস তাই শুক্রবার বন্ধ। ঠিক আছে ৫ এ যাই।

ওরে আব্বা রে! এটাও তো একই স্টাইলে বন্ধ। এবার গন্তব্য ৪। এটাও বন্ধ। ধ্যাত্তরি, দেখি ৮ এ গিয়ে - যদিও অত উঁচুতে বাইরের দিকে তাকাতে একটু অস্বস্তি হচ্ছে। মোবাইলের মেসেজে মেহেদী ভাইকে লিখলাম 'which floor?' ৮ এ গিয়ে দেখি সেটা একটা রেস্টুরেন্ট .... .... ওরে ...  এ দেখি মিস না একেবারে রং কল। তাড়াতাড়ি বাকী থাকা ৬ এ চাপ দিলাম। এখানেও শাটার বন্ধ। মনে হচ্ছে একটা হরর মুভির ভেতরে ঢুকে পড়েছি (ইনসেপশন?)।

নাহ্ এ চলতে পারে না।  angry অসহ্য ... ... ... এবার গ্রাউন্ড ফ্লোরে যাই - ঐটা দিয়ে লিফটে চড়েছিলাম তাই ওটা খোলা আছে এটা তো নিশ্চিত। নিশ্চয়ই আমি ভুল লিফটে চড়েছি, ড্যাফোডিলে যাওয়ার অন্য কোন ডেডিকেটেড লিফট আছে মনে হয়।

৪।
এইবার সুবোধ বালকের মত ড়্যাম্প দিয়ে নেমে বেসমেন্টে গেলাম। ভবনের বেসমেন্টের কার পার্কং এর পেছনের দিকে ড্যাফোডিল লেখা একটা কাঁচঘেরা ঘর -- ভেতরে লাইট জ্বলছে কিন্তু কেউ আছে বলে মনে হচ্ছে না। এর আশে পাশেও কোন লিফট নাই। আরে! - বেসমেন্টের অন্যপাশে দেখি আরেকটা ড়্যাম্প। আরে আরে .... ....  ওর পাশে আরেকটা লিফট দেখা যাচ্ছে, যার দরজায় ড্যাফোডিল লেখা। সামনে গার্ড বসে আছে, এছাড়া লিফটে ওঠার জন্য ছাত্রদের মত বয়সি কয়েকজন পোলাপানও দাঁড়িয়ে আছে দেখলাম। আহ্ আমি ইহাকে পাইলাম ... ... হরর মুভি শেষ হল মনে হয় ... ...

লাইনে দাঁড়ানোর পর গার্ড জিজ্ঞেস করে ইউনিভার্সিটি যাবেন। আমি বলি হ্যাঁ -- এতে উনিও হ্যাঁ সূচক ভঙ্গি করলেন। হয় আমার ইতিউতি ঘোরাঘুরি কিংবা বেকুব চেহারা দেখে সন্দেহ হয়েছিলো। লিফট নামতেই ওখান থেকে এক দঙ্গল ছাত্র বের হয়ে আসলো আর আরেক দঙ্গলের সাথি হয়ে আমি উঠে পড়লাম। এবার নিশ্চিন্তে নামা যাবে। কিন্তু কেউ ৪ এ আর কেউ ৬ এ যেতে চায় -- মানে ২-৩ ফ্লোরের থেকে খুঁজে নিতে হবে! মাথা ঠিকমত কাজ করছে না, তাই ৬ এ নামলাম। নেমে পরিচিত ভঙ্গিতে মিস্টার বিনের মত এদিক যাই, সেদিক যাই সবদিকেই ক্লাসরুম, কোন পরিচিত মানুষ নাই। মনে হল এই ফ্লোরে না। লিফটের দরজার বাইরে কাগজে লেখা আছে ৪র্থ ফ্লোরে মসজিদ কিন্তু অডিটোরিয়াম কোথায় লেখা নাই। একদিকে দেখি সিড়ি দেখা যাচ্ছে, পাশে আরেকটা লিফটও আছে। এবার সিড়ি দিয়ে নিচে নামবো ভেবে এগিয়ে গেলাম। এক ফ্লাইট নেমে ৫ম ফ্লোরে দেখি সব তালাবদ্ধ, তবে সিড়ি দিয়ে আরও নামা যাবে। যাব কি যাবোনা ভাবছি। উপর থেকে কেউ একজন কি সন্দেহ দৃষ্টিতে তাকালো? thinking

মেহেদী ভাই মেসেজের উত্তর দেয়নি। ওনাকে ফোনে কল দিতে দিতে ভাবলাম ৪র্থ ফ্লোরে দেখি। কিন্তু উনি কল ধরছেন না। নামতে নামতেই মেহেদী ভাই কল ব্যাক করলেন। বললেন ৪-এ; এর মধ্যে আমিও ঐ ফ্লোরে পৌঁছে গেলাম, একটু এগিয়ে দেখি মেহেদী ভাই অডিটোরিয়ামের বাইরে এসে আমাকে রিং দিচ্ছিলেন। ওনাকে দেখে কিযে শান্তি লাগলো -- অবশেষে হরর যাত্রা পর্ব শেষ করতে পেরেছি। ভেতরে বেশ জমজমাট অনুষ্ঠান চলছে বলে মনে হল বাইরে থেকেই। তখনও জানতাম না যে ভেতরে আরো চমক অপেক্ষা করছে ... ...

(শেষ)
পূর্বপ্রকাশ: প্রজন্ম ফোরাম

রবিবার, ২১ আগস্ট, ২০১১

"লিনাক্স ডে - ২০১১" - বাংলাদেশ, কুড়ি বছর পূর্তির উৎসব আয়োজন

লিনুস টোরভাল্ড নামক একজন দুষ্টু ছাত্র সেই সময়ে জানতো না যে তার এই দুষ্টামীর ফলে বৈপ্লবিক কিছু ঘটে যাবে ২০ বছর পর। সে এটাও জানতো না যে 'ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ' নামে একটি দুষ্টু সংগঠন ২০১১ সালে তার দুষ্টামীর জন্মদিন পালন করার নিয়ত করবে। ঐ দুষ্টু লোকটি আরও জানতো না যে সেই জন্মদিন আবার রোজা রমজানের দিনে পড়বে। জানলে নিশ্চয়ই ঈদের পরের কোন তারিখে সেই দুষ্টামি রিলিজ দিত। অবশ্য তাতেও শেষরক্ষা হত না, কারণ কোনো না কোনো বছর সেটা রোজা রমজানের দিনে পড়তোই, কারণ আরবী চন্দ্রবর্ষ ধরে যেই ক্যালেন্ডার সেটা প্রচলিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের চেয়ে সাধারণত ১১ দিন কম থাকে - তাই প্রতিবছরই রোজা বা ঈদগুলো ১১ দিন করে এগিয়ে আসে।

দুষ্টু ছাত্রটি তার স্যারের দেয়া অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেল নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল। এ আর এমন কি! .... এরকম অসন্তুষ্ট তো আমরা হর-হামেশাই হই। স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যারদের দেয়া বাঁশগুলো রাখার মত জায়গা থাকে না; তা-ও ভদ্রতা করে হাসিমুখে নিয়ে ফেলি। কিন্তু এই দুষ্টু ছাত্র করলো কি, সেটা নিতে রাজি হল না। শুধু নারাজি হল তা-ই না, ব্যাটা নিজেই একটা কার্নেল লিখে ফেললো। লেখার পার্টটা আমরা সবাই কম বেশি পারি, কিন্তু এটা একটা কার্নেল, যা কিনা অপারেটিং সিস্টেমের প্রাণ ভোমরা। ঐ দুষ্টু ছাত্র অবশ্য এই অপারেটিং সিস্টেম নিয়েই লেখাপড়া করতেছিলো - তাই হয়তো এরকম দুষ্টামি করা ওর জন্য সহজ হয়ে গিয়েছিল। হুহ্ ... ... নাইলে আমিও ঐ রকম কিছু একটা কইরে ফেলতাম। তবে চরম দুত্তু লিনুস সেই সুযোগও দিতে চায় নাই অন্যদের -- তাই তার লেখা সেই কার্নেলটা সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিল।

উন্মুক্ত কার্নেল পেয়ে দুনিয়ার অন্য দুষ্টু আর বোকাগুলো করলো কি, সেটাকেই আরো শক্তিশালী করার জন্য এইটা সেইটা কোডিং যোগ করতে লাগলো। ফলে সেই কার্নেলটা আস্তে আস্তে শয়তানের মত শক্তিশালী হয়ে উঠলো। পরবর্তীতে সেটা নিয়ে লুকজন সার্ভারের ব্যবসা করে রমরমা হইলো -- দুনিয়ায় এখনো বেশিরভাগ ইন্টারনেট সার্ভার লিনুস দুষ্টুর সেই শয়তান সিস্টেম, যেটার নাম লিনাক্স, দিয়ে চলে। পরে আরো কিছু খারাপ লোক এইটা দিয়ে ডেস্কটপও সহজ করে বানিয়ে ফেললো ... ....

উফ্ ....টাইপ করতে করতে হাত ব্যাথা হয়ে গেছে। যাই, চা খেয়ে আসি .... ওহহো কেমনে কি! রোজা রমজান বলে কথা! -- চা খাওয়াও যাবে না এখন। বাকী কাহিনী জানতে চাইলে অনুষ্ঠানে আইসেন। এইবার ঘটনাটা এবার একটু অফিসিয়াল ভাষায় দেই:====
"লিনাক্স ডে - ২০১১" - বাংলাদেশ, কুড়ি বছর পূর্তির উৎসব আয়োজন।

১৯৯১ সালের ২৫শে আগস্ট, হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তির এক ছাত্র লিনুস টরভ্যাল্ডস ঘোষনা দেন উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক কার্নেল “লিনাক্স” রিলিজের। সেই থেকে আজ অবধি লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম সারা বিশ্বের সার্ভারের জগৎটা দাপিয়েই বেড়াচ্ছে। কিন্তু লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমগুলো এখন আর শুধুই সার্ভারের জগতেই সীমাবদ্ধ নয়। এই বিষয়টা প্রযুক্তিপ্রেমী সব বাংলাদেশী কে জানাতে, বোঝাতে এবং ডেক্সটপ দুনিয়ায় লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের বীরত্বপূর্ণ সাফল্য গাঁথার কিছু ইতিহাস সবার সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ (Foundation for Open Source Solutions Bangladesh) বা সংক্ষেপে এফওএসএস বাংলাদেশ (FOSS Bangladesh) এবছরে লিনাক্সের ২০ তম জন্মবার্ষিকীতে “লিনাক্স ডে – ২০১১” উদযাপন করতে যাচ্ছে। আপনি যদি প্রযুক্তিপ্রেমী হোন এবং লিনাক্স সম্পর্কে জানতে আগ্রহী থাকেন তো চলে আসুন আমাদের এ আয়োজনে।

আয়োজনের তারিখ ও সময়: ২৫ শে আগস্ট, ২০১১ইং, বৃস্পতিবার। সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে এ আয়োজন।

আয়োজন স্থল: ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র বা টিএসসি (লবি ও গেমস রুম), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

আয়োজনের বিস্তারিত সূচী:
১। সকাল ১০টায় ব্যানার-ফেস্টুন সহ পদযাত্রা/শোভাযাত্রা শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরীর সামনে থেকে শুরু হয়ে, রাজু ভাস্কর্য, শহীদ মিনার হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি’র পাখি চত্বরে এসে শেষ হবে।

২। সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী টিএসসির করিডোর আর লবিতে বিভিন্ন ধরনের লিনাক্স ডিস্ট্রোর ইতিহাস আর চিত্রসহ ডঙ্গল, ফেস্টুন, ব্যানার নিয়ে প্রদর্শনী চলবে এবং এ আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

৩। আরো থাকছে ওপেন সোর্স এবং লিনাক্স নিয়ে আমাদের এবং দেশী-বিদেশী বিভিন্ন সংগঠনের সেবামূলক কাজকর্মের ভিডিও চিত্র প্রদর্শনী, দিনব্যাপী।

৪। বিকাল ৪টা থেকে শুরু হবে আমন্ত্রিত অতিথি ও দশর্কদের মাঝে মত বিনিময় এবং আলোচনা অনুষ্ঠান।

৫। এছাড়াও আয়োজনস্থলে বিভিন্ন জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রোগুলোর পেনড্রাইভ বা পছন্দের মিডিয়াতে অথবা সিডি/ডিভিডিতে বিতরনের ব্যবস্থা থাকবে।
====

আপনি আসতেছেন এইটা আগে থেকেই জানাতে চাইলে অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন এখানে ক্লিক করে

ঐদিন টিএসসি বন্ধ থাকে। তাই ইফতার করতে চাইলে আশেপাশের ডাস ও অন্যান্য জায়গায় যেতে হতে পারে।

বুধবার, ১৩ জুলাই, ২০১১

এবার সিলেটে পেঙ্গুইন মেলা (১৫-জুলাই-২০১১)

পাইরেসির কালিমামুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে লিনাক্স ও ওপেন সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যারকে ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয়ে ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ (এফওএসএস বাংলাদেশ) এর আয়োজনে ও সিলেটের মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটির সহযোগীতায় লিনাক্স ও উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যার ও সেবাসমূহ নিয়ে জনসচেতনতামূলক আয়োজন ''পেঙ্গুইন মেলা - ২০১১'' অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৫ই জুলাই ২০১১ইং, শুক্রবারে।

'পেঙ্গুইন মেলা - ২০১১'র সিলেট বিভাগীয় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে সিলেটের জিন্দাবাজারে (আলহামরা) অবস্থিত মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটির সম্মেলন কক্ষে। উক্ত অনুষ্ঠানে পাইরেসি, ওপেনসোর্স ও লিনাক্স বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি আরো রয়েছে আগত দর্শকদের সাথে মতামত বিনিময় ও আলোচনার সুযোগ। এছাড়া অনুষ্ঠানস্থল থেকে ওপেনসোর্সড থ্রি-ডি গেমসহ লিনাক্স মিন্ট ১০ জুলিয়া'র সংকলিত ডিভিডি সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া ইউএসবি মেমরি কার্ডেও লিনাক্সের সিডির সফটকপি সংগ্রহ করা যাবে। ২০ টাকা রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়ে অনুষ্ঠানের দিন উক্ত স্থানেই রেজিষ্ট্রেশন করার মাধ্যমে আগ্রহী যে কেউই এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।

====
অনুষ্ঠানের শিরোনামঃ "পেঙ্গুইন মেলা - ২০১১" সিলেট বিভাগ

আয়োজকঃ ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ

সহযোগীতায়ঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, মেট্রোপলিটান বিশ্ববিদ্যালয়, জিন্দাবাজার, সিলেট

তারিখ ও সময়ঃ ১৫ই জুলাই ২০১১, রোজ শুক্রবার। বিকাল ৩:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৬:৩০ মিনিট

আয়োজন স্থলঃ মেট্রোপলিটান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষ, জিন্দাবাজার, সিলেট

অনুষ্ঠানের বিস্তারিত সূচীঃ

লিনাক্স পরিচিতি, ইনস্টলেশন ও ব্যবহার
   (বিকাল ৩:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৫:০০ মিনিট)
    => লিনাক্স পরিচিতি                                            -- ৩০ মিনিট             
    => লিনাক্স মিন্ট পরিচিতি                                      -- ৩০ মিনিট
    => লিনাক্স মিন্ট ইন্সটল ও কনফিগার করা                   -- ৩০ মিনিট
 
চা-বিরতি                                                    -- ৩০ মিনিট

সমস্যা সমাধান
   (বিকাল ৫:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৬:৩০ মিনিট)
    => দর্শকের অংশগ্রহনে আলোচনা                            -- ৩০ মিনিট
    => প্রশ্নোত্তর ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধান                     -- ৩০ মিনিট

===
দেখা হবে সিলেটে।

বৃহস্পতিবার, ২১ এপ্রিল, ২০১১

রংপুরে পেঙ্গুইন মেলা – ২২ শে এপ্রিল ২০১১

দেশকে সফটওয়্যার পাইরেসীর কলংক থেকে মুক্তি দিতে ও গ্লানি মুক্ত করে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে দামী সফটওয়্যার চুরির মনোবাসনা পরিত্যাগ করতে হবে। বাংলাদেশের বর্তমান অর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সকল ছাত্র-জনতার পক্ষে দামী সফটওয়্যার ক্রয় করে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। তাই এর বিকল্প হল ওপেন সোর্স এবং ফ্রী সফটওয়্যারগুলো। উন্মুক্ত বা ওপেনসোর্স সফটওয়্যারের সুবিধা হল এর উৎসের কোডগুলো সকলে দেখতে পারে, ফলে লুকিয়ে কোন ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম এতে দেয়া আছে কি না তা সহজেই বের করা যায়, যা নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া সোর্সকোড উন্মুক্ত বলে আগ্রহী শিক্ষার্থীগণও এ থেকে উপকৃত হতে পারে। উন্মুক্ত সফটওয়্যার বিশ্বের যে কোন প্রান্ত থেকে যে কেউ মানোন্নয়ন করতে পারেন আর এজন্য এগুলো খুব দ্রুত উন্নত আর ব্যবহারবান্ধব হয়ে ওঠে। দেশকে পাইরেসীর গ্লানি ও কলংক মুক্ত করার একটা ক্ষুদ্র প্রয়াস হিসেবে FOSS Bangladesh দেশে মুক্ত সফটওয়্যার প্রসারে স্বেচ্ছাসেবা দেয়ার জন্য একটা প্লাটফরম।
এই সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমের মধ্য নিয়মিত ভাবে সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে। খুলনা, রাজশাহী, ঢাকা, টাঙ্গাইলের পরে এবার এরই ধারাবাহিকতায় রংপুরে আয়োজন করা হয়েছে পেঙ্গুইন মেলা। এর বিস্তারিত:

বিস্তারিত

অনুষ্ঠানের শিরোনামঃ

“পেঙ্গুইন মেলা – ২০১১” রংপুর বিভাগ

তারিখঃ

২২ শে এপ্রিল ২০১১, রোজ শুক্রবার।
বিকাল ৩:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৬:৩০ মিনিট

স্থান:

হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন-২

আয়োজকঃ

ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ

সহযোগীতায়ঃ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর, রংপুর

অনুষ্ঠানসূচীঃ (মোট ৩ ঘন্টা)

  • লিনাক্স পরিচিতি, ইনস্টলেশন ও ব্যবহার
    (বিকাল ৩:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৫:০০ মিনিট)
    • লিনাক্স পরিচিতি                                    — ৩০ মিনিট
    • লিনাক্স মিন্ট পরিচিতি                             – ৩০ মিনিট
    • লিনাক্স মিন্ট ইন্সটল ও কনফিগার করা      — ৩০ মিনিট
  • চা-বিরতি                                                     – ৩০ মিনিট
  • সমস্যা সমাধান
    (বিকাল ৫:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৬:৩০ মিনিট)
    • প্রশ্নোত্তর ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধান          — ৩০ মিনিট
    • দর্শকের অংশগ্রহনে আলোচনা                  — ৩০ মিনিট

ডিভিডি সংগ্রহ

অনুষ্ঠানস্থল থেকে স্বল্পমূল্যে ওপেনসোর্সড থ্রি-ডি গেমসহ লিনাক্স মিন্ট ১০ জুলিয়া’র সংকলিত ডিভিডি সংগ্রহ করা যাবে।

বুধবার, ৩০ মার্চ, ২০১১

এই অনুষ্ঠান কি আপনার জন্য?

পাঠকের কাছে ১০টি ব্যক্তিগত প্রশ্ন:


১. আপনি কি দেশপ্রমিক? দেশে
আমাদের ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে যারা আসতে ইচ্ছুক তারা দয়া করে এখানে একটু নাম এন্ট্রি করুন।র প্রতি আপনার ভালোবাসা কি ‘মা’ কে ভালোবাসার মতো?
২. দূর্নীতিতে দেশের মান সম্মান মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে দেখে আপনি কি চিন্তিত হন? এর প্রতিকারে নিজের করণীয় সম্পর্কে ভাবেন?
৩. আপনি কি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল? সচরাচর আইন অমান্য করেন না কিংবা করতে চান না?
৪. আপনি কি কম্পিউটারে ভাইরাসের জ্বালা-যন্ত্রনায় অতিষ্ট? এ যন্ত্রনা থেকে মুক্তির পথ খুঁজছেন?
৫. আপনি কি কম্পিউটারে আপনার মূল্যবান তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত?
৬. আপনি কি হালকা পাতলা বুদ্ধিবৃত্তিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সামর্থ্য রাখেন এবং তা উপভোগ করেন?
৭. আপনি কি নতুন নতুন কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিয়ে গবেষনা করতে পছন্দ করেন?
৮. আপনি কি ইন্টারনেটে বিচরন করার সময়ে ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারজনিত নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন?
৯. আপনি কি দামী সব সফটওয়্যারের ফ্রী/উন্মুক্ত বিকল্প খুঁজছেন?
১০. আপনি কি জনসাধারনের/সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেবা করতে আগ্রহী?
প্রিয় ভাই/বোন, উপরের এই প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখে কোন ঠিকানায় গোপনে পোস্ট করতে হবে না। শুধুমাত্র যদি কোন প্রশ্নের উত্তর আপনার মন থেকেই ‘হ্যাঁ’ বোধক হয় তাহলে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে আপনি নিশ্চিতভাবেই কিছুটা উপকৃত হবেন। আর তা না হলে এই প্রশ্নপত্র পড়িয়ে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।

এবার তাহলে জেনে নিন অনুষ্ঠানের বিস্তারিতঃ--

তারিখ: ৮ই এপ্রিল ২০১১ইং, রোজ শুক্রবার 
সময়: বিকাল ৩টা থেকে ৭টা
স্থান: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার মিলনায়তন
(শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত; অপরাজেয় বাংলার পেছনে কলা ভবন, তার পেছনে লেকচার থিয়েটার ভবন, ঐ ভবনটির নিচতলাতেই)
প্রবেশ মূল্য: ২০ টাকা।

অনুষ্ঠানসূচী:
  • লিনাক্স ও ওপেন সোর্স বিষয়ে মুক্ত আলোচনা। -- ২৫ মিনিট
  • পাইরেসী প্রতিরোধে লিনাক্স ও ওপেন সোর্স এর ভূমিকা -- ২৫ মিনিট
  • লিনাক্স ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধা -- ২৫ মিনিট
  • অতিথি ও অংশগ্রহনকারীদের আপ্যায়ন পর্ব -- ৪০ মিনিট
  • অতিথি ও অংশগ্রহনকারীদের সমন্বিত আলোচনা ও মতামত বিনিময় -- ১২০ মিনিট
আরও থাকছে:
FOSS Bangladesh কর্তৃক সংকলিত/কাস্টমাইজ করা লিনাক্স মিন্ট ১০ জুলিয়া’র ডিভিডি (৫০ টাকা)। কাস্টমাইজড ডিভিডিটাতে এবারে পাসওয়ার্ড জনিত ঝামেলা দূরীভূত করা হয়েছে। তদুপরি কাস্টম ডিস্ট্রোটিতে এবারে থাকছে বেশ কিছু ওপেনসোর্স ও ফ্রী থ্রিডি গেমস যেমন এলিয়েন এরেনা, নেক্সুইজ, ব্যাটেল ফর ওয়েসনর্থ এবং অ্যাসল্টকিউব ইত্যাদি।
বাংলাদেশের সকল লিনাক্সপ্রেমী/আগ্রহীদের জন্য এটা একটা উন্মুক্ত আয়োজন। তাই সকলের অংশগ্রহন ও সহযোগীতা প্রত্যাশা করছি।

আয়োজনে:
ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ (FOSS Bangladesh) - একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।


আমাদের ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে যারা আসতে ইচ্ছুক তারা দয়া করে এখানে একটু নাম এন্ট্রি করুন।