<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364</id><updated>2012-01-21T11:05:26.551+06:00</updated><category term='ইভেন্ট'/><category term='প্রযুক্তি'/><category term='ভাবের কথা'/><category term='সমাজ ও দেশ'/><category term='সুইজারল্যান্ডের ডায়েরী'/><category term='জাপানের দিনগুলি'/><category term='ভ্রমন'/><category term='অনুবাদ'/><category term='টিউটোরিয়াল'/><category term='আত্মকথন'/><category term='আগডুম বাগডুম'/><category term='খবর'/><category term='লিনাক্স'/><title type='text'>খিচুড়ী ব্লগ</title><subtitle type='html'>শুধুমাত্র বাংলায় লিখব ..</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default?start-index=101&amp;max-results=100'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>107</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-7111917007146716725</id><published>2011-09-09T14:13:00.000+06:00</published><updated>2011-09-09T22:33:27.536+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টিউটোরিয়াল'/><title type='text'>নিজের ল্যান/IP ঠিকানাগুলো কোথায় পাব (উইন্ডোজ)</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;br /&gt;লিনাক্সে অনেক নতুন ব্যবহারকারী নেটওয়র্ক সেটআপ করতে পারেন না। বিভিন্ন টিউটোরিয়ালে নেটওয়র্ক ম্যানেজারে নিজের আইপি, ডিএনএস সার্ভার ইত্যাদি বসিয়ে করার কথা দেখানো থাকলেও সেই আইপিগুলো উইন্ডোজের নেটওয়র্ক থেকে কিভাবে বের করতে হবে সেটা দেয়া থাকে না। এই ছবিতে শুধু সেই অংশটুকু দেখানোর প্রয়াস নিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুরাতন ব্যবহারকারীগণ এই লেখা দেখে হয়তো হেসে কুটিকুটি হবেন। কিন্তু আমি এমন অনেক মানুষকে চিনি যাঁরা দীর্ঘদিন থেকে কম্পিউটার ব্যবহার করা সত্ত্বেও এই বিষয়টা জানেন না। যিনি এই ব্যাপারটার জন্য আটকে যান, তার জন্য এটাও একটা জরুরী তথ্য, তাই সহজ বলেই টিউটোরিয়াল হিসেবে এসব খুটিনাটি বিষয়গুলো অবহেলা করা ঠিক নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h2&gt;আমি উইন্ডোজ এক্সপি সিস্টেম থেকে কিভাবে নেটওয়র্কের জরুরী বৈশিষ্টগুলো বের করতে হয় সেটা দেখাচ্ছি:&lt;/h2&gt;&lt;br /&gt;১। চিত্রের মত স্টার্ট মেনু থেকে নেটওয়র্ক কানেকশনে ক্লিক করুন। এতে ২ নং এর মত উইন্ডো খুলবে।&lt;br /&gt;২। লোকাল এরিয়া কানেকশনের উপরে মাউসের ডান বোতাম (রাইট বাটন) ক্লিক করুন। এতে একটা মেনু খুলবে, সেখানের সবশেষে Properties এ ক্লিক করুন। এতে ৩ নংএর মত উইন্ডো খুলবে।&lt;br /&gt;৩। এ থেকে TCP/IP ওয়ালা অপশনটা সিলেক্ট করা অবস্থায় নিচের ডানদিকে প্রোপার্টিজ বাটনে ক্লিক করুন। এতে ৪ নং এর মত উইন্ডো খুলবে।&lt;br /&gt;৪। এখান থেকে নম্বরগুলো টুকে রাখুন। এগুলোই যে কোনো অপারেটিং সিস্টেমে নেটওয়র্ক সেট করতে কাজে লাগবে। এমনকি লাইভ সিডি বা ইউএসবি চালানোর সময়েও এই তথ্যগুলো দিয়ে নেট কনেক্ট করতে পারবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-0exrjKjBOxA/TmnFJxTW21I/AAAAAAAABF0/qAQyvIun9ZE/s1600/Network.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="360" src="http://2.bp.blogspot.com/-0exrjKjBOxA/TmnFJxTW21I/AAAAAAAABF0/qAQyvIun9ZE/s640/Network.gif" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;-- অতিরিক্ত তথ্য --&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h2&gt;উইন্ডোজ ভিস্তাতে (আমার কাছে নাই, তাই স্ক্রিনশট দিতে অপারগ)&lt;/h2&gt;&lt;br /&gt;১। স্টার্ট মেনু থেকে Control Panel এ ক্লিক করুন।&lt;br /&gt;২। যেই উইন্ডো খুলবে সেখান থেকে Network and Sharing Center আইকনে ডবল ক্লিক করুন। &lt;br /&gt;৩। এতে যেই উইন্ডো খুলবে সেটার বামের মেনু থেকে Manage Network Connections ক্লিক করুন।&lt;br /&gt;৪। এতে নেটওয়র্ক কানেকশন উইন্ডো আসবে, সেখানে লোকাল এরিয়া কানেকশন আইকনের উপরে মাউসের ডান বোতাম (রাইট বাটন) ক্লিক করুন; এতে খোলা মেনুর Properties এ ক্লিক করুন। এতে আরেকটি উইন্ডো খুলবে।&lt;br /&gt;৫। এ থেকে Internet Protocol Version 4 (TCP/IPv4) অপশনটা সিলেক্ট করা অবস্থায় নিচের ডানদিকে প্রোপার্টিজ বাটনে ক্লিক করুন। এতে উপরের ছবির ৪ নং এর মত উইন্ডো খুলবে। সেখানে নম্বরগুলো পাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h2&gt;উইন্ডোজ সেভেন-এ (আমার কাছে নাই, তাই স্ক্রিনশট দিতে অপারগ)&lt;/h2&gt;&lt;br /&gt;১। Control Panel &amp;gt; Network and Internet &amp;gt; Network and Sharing Center&lt;br /&gt;২। বাম প্যানেলে Change Adapter Settings এ ক্লিক করুন।&lt;br /&gt;৩। View your active networks এর অধীনে Local Area Connection এ রাইট মাউস ক্লিক করে প্রোপার্টিজে ক্লিক করুন।&lt;br /&gt;৪। এতে নেটওয়র্ক কানেকশন উইন্ডো আসবে, সেখানে লোকাল এরিয়া কানেকশন আইকনের উপরে মাউসের ডান বোতাম (রাইট বাটন) ক্লিক করুন; এতে খোলা মেনুর Properties এ ক্লিক করুন। এতে আরেকটি উইন্ডো খুলবে।&lt;br /&gt;৫। এ থেকে Internet Protocol Version 4 (TCP/IPv4) অপশনটা সিলেক্ট করা অবস্থায় নিচের ডানদিকে প্রোপার্টিজ বাটনে ক্লিক করুন। এতে উপরের ছবির ৪ নং এর মত উইন্ডো খুলবে। সেখানে নম্বরগুলো পাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-7111917007146716725?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/7111917007146716725/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=7111917007146716725' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7111917007146716725'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7111917007146716725'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/09/xp.html' title='নিজের ল্যান/IP ঠিকানাগুলো কোথায় পাব (উইন্ডোজ)'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-0exrjKjBOxA/TmnFJxTW21I/AAAAAAAABF0/qAQyvIun9ZE/s72-c/Network.gif' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-7840193287067601528</id><published>2011-09-07T04:30:00.001+06:00</published><updated>2011-09-08T17:55:24.357+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>Simplicity Linux: পাপ্পি লিনাক্সে পূর্ণ শক্তির ডেস্কটপ</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;"&gt;পাপ্পি লিনাক্স অত্যন্ত হালকা একটা লিনাক্স হলেও এর ডিফল্ট ভার্সনে হালকা থাকার স্বার্থে অফিস এবং গ্রাফিক্স সফটওয়্যারে ছাড় দিতে হয়েছে। তাই পাপ্পি অনেকের পছন্দ হলেও সম্পুর্ন সময়ের জন্য এটা ব্যবহার করে নিজের কম্পিউটিং চাহিদা মিটাতে পারবেন না। পাপ্পি লিনাক্স আমার পছন্দ হলেও সবসময়ই এতে লিব্রে অফিসের অভাব অনুভব করতাম। তাই লিব্রে অফিস সহ একটা পাপ্পি ডেরিভেটিভ (পাপলেট) দেখে সেটা একটু নামিয়ে চালিয়ে দেখলাম। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটাকে অবশ্য আমার পছন্দের মাল্টিবুট ইউএসবি তৈরীর সফটওয়্যার থেকে লাইভ করতে পারিনি। তাই সিডি বার্ন করে নিয়েছিলাম। লাইভ সিডি থেকে চালানোর সময়ে এর একটা স্ক্রিনশট দেখুন: &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-V2uv9PMo_X0/TmThVGFhpCI/AAAAAAAABDw/a741IkBBiNc/s1600/Puppy_Simplicity-Linux_Desktop117.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="400" src="http://2.bp.blogspot.com/-V2uv9PMo_X0/TmThVGFhpCI/AAAAAAAABDw/a741IkBBiNc/s640/Puppy_Simplicity-Linux_Desktop117.jpg" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;স্ক্রিনশট নেয়ার আগে আমার বাংলা ফন্টের ফোল্ডারটাকে .fonts নামে এটার রুট ডিরেক্টরিতে কপি করে নিয়েছিলাম।&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এটাতে নিচের বামকোনায় একটা মেনু আছে। সেই মেনুর আইটেম অনেক সুবিন্যস্ত মনে হলেও সেখানে খুঁজে লিব্রে অফিসের টিকিটিও পেলাম না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;স্ক্রিনের বামদিকে আর উপরে অটোহাইড হয়ে যাওয়া আরও দুটি প্যানেল আছে। আমি স্ক্রিনশট নেয়ার সময়ে দেখানোর সুবিধার্থে ওগুলোর প্রোপার্টি পরিবর্তন করে অটোহাইড বন্ধ করে দিয়েছিলাম। ডিফল্ট এই মেনুগুলোতে ইচ্ছা করলে আরো আইটেম যোগ করা যায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;বামদিকের প্যানেলটায় আমার সমস্ত কাজের জিনিষগুলো পেলাম। লিব্রে অফিস, গিম্প, ট্রান্সমিশন বিট টরেন্ট ক্লায়েন্ট, ব্রাউজার, ভিএলসি প্লেয়ার ইত্যাদি এদিকে রাখা আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;উপরের মেনুটাতেও বেশ কাজের কিছু জিনিষ রাখা আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;স্ক্রিনশটের বামদিকে লিব্রে অফিসে আমার হার্ডডিস্কে থাকা একটা বাংলা ফাইল ঠিকমতই দেখাচ্ছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;বামদিকে pcmanfm ফাইল ব্রাউজারটাও বেশ সুদৃশ্য।&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মজিলা ব্রাউজারে বাংলা ফোরাম দেখাচ্ছে ঠিকভাবেই। কিউবির নেট পেয়েছে অটোমেটিক।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;দ্রুত অ্যাপ খোঁজার জন্য একটা প্রোগ্রাম দেখলাম এখানে - যা উইন্ডোজ মেনু সিস্টেমের কথা মনে করিয়ে দেয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ডেস্কটপে খোলা সবগুলো আইটেমের জন্য দৃষ্টিনন্দন ট্রান্সপারেন্সি দেয়া আছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এই স্ক্রিনশটটা গিম্প দিয়ে নেয়া হয়েছে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪৫৫ মেগাবাইটের সিম্প্লিসিটি ডেস্কটপে xfce এনভায়রনমেন্ট ব্যবহার করেছে বলে লিখেছে। কিন্তু এর আগে যুবুন্টু ব্যবহারের অভিজ্ঞতায় ঐ ডেস্কটপে যে এ্যাত কিছু করা যেতে পারে তা কল্পনাতে ছিল না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরা বিভিন্ন উদ্দেশ্যে পাপ্পিতে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন যোগ করে কয়েকরকম ফ্লেভারের ডিস্ট্রো বানিয়েছে। যেগুলোর ডাউনলোড লিংকগুলো এখানে দিয়ে দিলাম।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.mediafire.com/?4j5j847whaj58f8"&gt;Obsidian 11.07 (123mb)&lt;/a&gt;: এটা শুধু নেট ব্রাউজের জন্য হালকা পাতলা এডিশন। এটাতে ব্রাউজার, ফ্লাশ আর নেটওয়র্ক ম্যানেজার দেয়া আছে। এটা ছাড়া আর বাকী সবগুলোই xfce এনভায়রনমেন্ট ব্যবহার করেছে।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.mediafire.com/?664n6d9agtvpacb"&gt;Desktop 11.07 (455mb)&lt;/a&gt;: এটার কথাই উপরে বর্ণনা করলাম। খুব বেশি বড় আকার না করেও পরিপূর্ণ ডেস্কটপ হওয়ার জন্য কোনরূপ ছাড় দেয়া হয়নি এতে। অনলাইন এবং অফলাইন দুই অবস্থাতেই এটা দারুন কাজের। &lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.mediafire.com/?zm1x36vaa4rtui6"&gt;Netbook 11.07 (209mb)&lt;/a&gt;: এটা নেটবুকের জন্য। এখানে xfce এনভায়রনমেন্ট ছাড়াও ফায়ারফক্স অরোরা, ফ্লাশ এবং ওয়েব নির্ভর অ্যাপ্লিকেশন দেয়া হয়েছে। &lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.mediafire.com/?uhy65i22nuuygrc"&gt;Media 11.07 (202mb)&lt;/a&gt;: এই রিলিজটা বেশ মজার। মূল প্রোগামাররা গুগল টিভি আর গুগল IO দেখে উৎসাহিত হয়ে পাপ্পি লিনাক্স ব্যবহার করে সিম্প্লিসিটি বানানোর চেষ্টা করেন। এটা ছোট হলেও এটা বেশ কাজের এবং এটা দিয়ে ওনারা পুরাতন ল্যাপটপকে ২২ ইঞ্চি মনিটরে কানেকশন দিয়ে সেটাতে মুভি দেখেন। অফিসের লাউঞ্জে একটা মিডিয়া সেন্টার হিসেবে পুরাতন ল্যাপটপের সাথে ওয়্যারলেস মাউস আর কীবোর্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মূল ওয়েবসাইট: &lt;a href="http://simplicitylinux.org/"&gt;http://simplicitylinux.org/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাপ্পি লিনাক্স সম্পর্কে আরেকটু জানতে আমার এই পোস্ট দুটি পড়তে পারেন:&lt;br /&gt;&lt;a href="http://hussainuzzaman.blogspot.com/2009/01/puppy-linux.html"&gt;Puppy Linux দেখে আমি অবাক ও মুগ্ধ (২৪-জানুয়ারী-২০০৯ এ লেখা)&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/09/macpup.html"&gt;Macpup: সুন্দর পাপ্পি লিনাক্স ডেরিভেটিভ&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-7840193287067601528?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/7840193287067601528/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=7840193287067601528' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7840193287067601528'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7840193287067601528'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/09/simplicity-linux.html' title='Simplicity Linux: পাপ্পি লিনাক্সে পূর্ণ শক্তির ডেস্কটপ'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-V2uv9PMo_X0/TmThVGFhpCI/AAAAAAAABDw/a741IkBBiNc/s72-c/Puppy_Simplicity-Linux_Desktop117.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-7943680112558407888</id><published>2011-09-06T20:08:00.001+06:00</published><updated>2011-09-07T14:07:09.474+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>Macpup: সুন্দর পাপ্পি লিনাক্স ডেরিভেটিভ</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;পাপ্পি লিনাক্স খুবই হালকা একটা লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন। অস্ট্রেলিয়ার এই ডিস্ট্রিবিউশনের মধ্যে ভারী কোনো প্রোগ্রাম না থাকলেও সাধারণত ডিফল্ট ভাবে বিভিন্ন অফিস ডকুমেন্ট সাপোর্ট করে। আর পুরাপুরি র‍্যাম থেকে চলে বলে অসম্ভব দ্রুতগতির। আমি সহ অনেকেই এটাকে দেখা দ্রুততম ডিস্ট্রিবিউশন বলি। যা হোক, কিছুদিন পর পর পাপ্পি'র আপডেট হয়। এছাড়া উবুন্টুর উপর ভিত্তি করে যেমন মিন্ট, জোরিন, বোধি সহ অনেক ডিস্ট্রিবিউশন তৈরী হয়েছে তেমনি পাপ্পির উপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরণের বা বৈশিষ্টের ডিস্ট্রিবিউশন বা পাপ্পি ডেরিভেটিভ তৈরী হয়েছে; এগুলোকে পাপলেট বলা হয়। আজ তেমনি একটি পাপলেটের সাথে পরিচয় করিয়ে দিব। পাপ্পি সম্পর্কে জানতে লেখার শেষে দেয়া বাংলা পোস্টের লিংকগুলো একটু ঘুরে আসতে পারেন; ওগুলো পুরাতন লেখা হলেও মোটামুটিভাবে এখনও প্রযোজ্য। তবে কিছু লেখার আগে ডিস্ট্রোওয়াচ থেকে এর একটা স্ক্রিনশট দেখি:&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-wkjGdZsSo_0/Tmck3SB-AgI/AAAAAAAABEk/IQxzOPs9NS0/s1600/macpup-small.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="256" src="http://3.bp.blogspot.com/-wkjGdZsSo_0/Tmck3SB-AgI/AAAAAAAABEk/IQxzOPs9NS0/s320/macpup-small.png" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এর সাথে পাপ্পি লিনাক্সের মূল ভার্সনের তুলনা করলেই এটা নিয়ে মুগ্ধতার বিষয়টা পরিষ্কার হবে। দেখুন একই ভার্সনের পাপ্পির ডিফল্ট রূপ:&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-enSAQGA1euI/Tmck3sQBPVI/AAAAAAAABEo/Y5eYQHK_YTg/s1600/puppy-small.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="256" src="http://1.bp.blogspot.com/-enSAQGA1euI/Tmck3sQBPVI/AAAAAAAABEo/Y5eYQHK_YTg/s320/puppy-small.png" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;Macpup 525&lt;/b&gt; পাপ্পি লিনাক্সের সর্বশেষ ৫.২.৫ লুসিড পাপ্পির উপর ভিত্তি করে একটি অফিসিয়াল ডেরিভেটিভ বা পাপলেট (puplet)। এই ভার্সনগুলোর উবুন্টুর লুসিড লিংক্সের বাইনারী প্যাকেজের সাথে কম্পাটিবল। এটাতে লুসিড পাপ্পির সমস্ত অ্যাপ্লিকেশনগুলো তো আছেই, এছাড়া এতে ফায়ারফক্স ৪.০.১ দেয়া হয়েছে। এছাড়া এতে অপেরা বা গিম্প সহজেই ইনস্টল করার অপশন দেয়া আছে। এই ভার্সনে আরও আছে এনলাইটেনমেন্ট E17 উইন্ডো ম্যানেজার (পাশাপাশি মূল JWMও আছে)। এটা দেখতে ম্যাক ওএস এর মত করা হয়েছে বলে এটাকে ম্যাকপাপ নাম দেয়া&amp;nbsp; হয়েছে। এটার মূলত i386 আর্কিটেকচারে চলে। এটাতে GOffice নামক অফিস প্রোগ্রাম দেয়া আছে (অ্যাবিওয়র্ড, জিনিউমেরিক ইত্যাদি), যা মাইক্রোসফট এবং ওপেন ডকুমেন্ট পড়তে ও লিখতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর মূল ওয়েবসাইট: &lt;a href="http://macpup.org/"&gt;http://macpup.org/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;মূল সাইটে গেলে লিংক করা ইউটিউব ভিডিও হিসেবে রিভিউ দেখতে পাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার আমার ডেস্কটপে লাইভ ম্যাকপাপের দুইটা স্ক্রিনশট দেখাই:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-SDEsJhp66qY/TmWQRa0hzZI/AAAAAAAABEY/txFsqrNe3Is/s1600/MacPup-1.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="480" src="http://4.bp.blogspot.com/-SDEsJhp66qY/TmWQRa0hzZI/AAAAAAAABEY/txFsqrNe3Is/s640/MacPup-1.jpg" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;এই স্ক্রিনশটের বর্ণনা: &lt;br /&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;উপরের ছবিতে দেখুন এটা মাত্র ৬৭ মেগা র‍্যাম খরচ করছে।&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এতে আমার পিসির হার্ডডিস্ক ব্রাউজ করছি।&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আর ডেস্কটপে রাইট মাউস ক্লিকে খোলা মেনুতে কিভাবে স্ক্রিনশট নিলাম সেটার রহস্য ফাঁস করে দিলাম।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-pdPION_D8DY/TmWQQXYtiYI/AAAAAAAABEU/GdMg5gZMYgU/s1600/macpup-2.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="480" src="http://4.bp.blogspot.com/-pdPION_D8DY/TmWQQXYtiYI/AAAAAAAABEU/GdMg5gZMYgU/s640/macpup-2.jpg" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এই স্ক্রিনশটের বর্ণনা:&lt;br /&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;এই ছবিতে আরেকটু ডিটেইলিং করার চেষ্টা করলাম। এতে ডিফল্টভাবে বাংলাকে জটিল বাক্স আকারে দেখায়। তাই আমার হার্ডডিস্ক থেকে বাংলা ফন্টের ফোল্ডারটা এখানকার রুটে .fonts নামে কপি করে নিয়ে আসলাম। তারপর ফায়ারফক্সের সেটিংস থেকে বাংলা ফন্ট সিলেক্ট করে দিলাম। এবার দেখুন বাংলা ফোরাম কেমন সুন্দর দেখা যাচ্ছে।&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এছাড়া আরেকটা খোলা উইন্ডোতে আমার পুরাতন .odt ফরম্যাটের বাংলা ফাইল চমৎকার দেখা যাচ্ছে।&amp;nbsp;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;উপরের দিকে খোলা উইন্ডোতে আমার পিসির হার্ডডিস্ক ব্রাউজ করছি, ওতে বাংলায় লেখা নামগুলো ঠিকভাবে দেখাচ্ছে না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;খেয়াল করে দেখুন ডেস্কটপের ডান প্রান্তে একটা ইউএসবি এবং আরেকটা আইকন দেখা যাচ্ছে। এগুলো হল মিনিমাইজ করা একটা ফাইল ব্রাউজার এবং একটা Htop প্রোগ্রামের (আগের স্ক্রিনশটে যেটাতে মেমরি দেখাচ্ছে) উইন্ডো - যা মিনিমাইজ করলে এভাবে পাশে জমা হয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এবার নিচের ডক বারটা লক্ষ্য করুন। বামদিকে ইংরেজি M অক্ষরের মত আইকনের ডানদিকে দুইটা স্পেসে দুইটা ডেস্কটপের মিনিয়েচার দেখাচ্ছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;স্ক্রিনশট নেয়ার সময় মাউসটাকে ডানদিকে শাটডাউন বাটনের উপরে রেখেছিলাম। এতে অন্য বাটনগুলোর মত এটার নামও ভেসে উঠেছে এবং চারিদিকে ছড়িয়ে পড়া ঢেউয়ের মত একটা এনিমেশনও হচ্ছিলো।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;h3&gt;ম্যাকপাপের সারসংক্ষেপ:&lt;/h3&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;ভিত্তি: পাপ্পি লিনাক্স&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মূল: ম্যাকপাপ&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আর্কিটেকচার: i386&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ডেস্কটপ: Enlightenment, JWM&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ক্যাটগরি: ডেস্কটপ &lt;/li&gt;&lt;li&gt;অফিস সফটওয়্যার: GOffice&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;h3&gt;পাপ্পি লিনাক্স সম্পর্কে আমার পুরাতন পোস্ট:&lt;/h3&gt;&lt;br /&gt;পাপ্পি লিনাক্স দেখে আমি অবাক ও মুগ্ধ: (১৬ই জানুয়ারী ২০০৯)&lt;br /&gt;&lt;a href="http://hussainuzzaman.blogspot.com/2009/01/puppy-linux.html"&gt;http://hussainuzzaman.blogspot.com/2009/01/puppy-linux.html&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাপ্পি লিনাক্সে বাংলা লেখা:&lt;br /&gt;&lt;a href="http://hussainuzzaman.blogspot.com/2009/01/puppy-linux_31.html"&gt;http://hussainuzzaman.blogspot.com/2009/01/puppy-linux_31.html&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বায়োপাপ্পি: (তপু ভাইয়ের লেখা)&lt;br /&gt;&lt;a href="http://forum.projanmo.com/topic14583.html"&gt;http://forum.projanmo.com/topic14583.html&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাপ্পি লিনাক্স নিয়ে বাংলায় আরো তথ্য ও আলোচনা পাবেন বিভিন্ন জায়গায়।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://forum.projanmo.com/topic28977.html"&gt;http://forum.projanmo.com/topic28977.html&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://forum.projanmo.com/topic9886.html"&gt;http://forum.projanmo.com/topic9886.html&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://forum.amaderprojukti.com/viewtopic.php?f=42&amp;amp;t=2803&amp;amp;p=23301#p23301"&gt;http://forum.amaderprojukti.com/viewtopic.php?f=42&amp;amp;t=2803&amp;amp;p=23301#p23301&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;প্রথম দুইটা ছবির জন্য কৃতজ্ঞতা:&lt;/h3&gt;&lt;a href="http://distrowatch.com/table.php?distribution=macpup"&gt;http://distrowatch.com/table.php?distribution=macpup&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://distrowatch.com/table.php?distribution=puppy"&gt;http://distrowatch.com/table.php?distribution=puppy&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;সরাসরি ডাউনলোড (১৫৫ মেগাবাইট)&lt;/h3&gt;&lt;a href="http://macpup.org/redirect.php?myurl=52501"&gt;http://macpup.org/redirect.php?myurl=52501&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-7943680112558407888?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/7943680112558407888/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=7943680112558407888' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7943680112558407888'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7943680112558407888'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/09/macpup.html' title='Macpup: সুন্দর পাপ্পি লিনাক্স ডেরিভেটিভ'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-wkjGdZsSo_0/Tmck3SB-AgI/AAAAAAAABEk/IQxzOPs9NS0/s72-c/macpup-small.png' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-1117447541559609507</id><published>2011-09-05T18:08:00.000+06:00</published><updated>2011-09-06T06:18:12.719+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টিউটোরিয়াল'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>গিম্প টিউটোরিয়াল: স্ক্রিনশট নেয়া</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;GIMP এর পুরা হল GNU Image Manipulation Program যা অনেকটা ফটোশপের মত। এই দারুন ক্ষমতাবান সফটওয়্যারটি ওপেনসোর্স এবং ফ্রী; তাছাড়া, উইন্ডোজ, লিনাক্স, ম্যাক সব প্লাটফর্ম সাপোর্ট করে। এর আগে গিম্প দিয়ে &lt;a href="http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/04/gimp_21.html"&gt;সাধারণ এনিমেটেড ছবি তৈরী করা&lt;/a&gt; দেখিয়েছিলাম। এবার দেখুন গিম্প ব্যবহার করে স্ক্রিনশট নেয়া যায় কিভাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিচের ছবির মত গিম্পের মেনু থেকে File --&amp;gt;&amp;nbsp; Create --&amp;gt; Screenshot নির্বাচন করুন। এতে ভেতরে থাকা Screenshot নামক উইন্ডো খুলবে। সেখান থেকে আপনার পছন্দমত স্ক্রিনশট নেয়ার অপশন নির্বাচন করুন। ছবির Area হিসেবে: সিলেক্ট করা উইন্ডো, পুরা স্ক্রিন অথবা স্ক্রিনের নির্দিষ্ট অংশ সিলেক্ট করে স্ক্রিনশট নেয়া যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-GqoMfGH_MGQ/TmS1SNzL8_I/AAAAAAAABDo/c9eKqMLMw8I/s1600/GIMP_ScreenShot.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="400" src="http://1.bp.blogspot.com/-GqoMfGH_MGQ/TmS1SNzL8_I/AAAAAAAABDo/c9eKqMLMw8I/s640/GIMP_ScreenShot.jpg" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;ব্যক্তিগতভাবে আমি একটু সময় নিয়ে স্ক্রিনশট নিতে পছন্দ করি, তাই Delay হিসেবে কিছু সময় সিলেক্ট করে দেই। এতে ছবি নেয়ার কমান্ড হিসেবে Snap বাটন ক্লিক করার পর এটা মিনিমাইজ করে যা দেখাতে চাই সেগুলো স্ক্রিনে আনার সময় পাওয়া যায়। উপরের ছবিটা চিত্রের মত করে ২য় অপশন সিলেক্ট করে নেয়া হয়েছে, তাই আমার স্ক্রিনের সবকিছুই এতে চলে এসেছে। পরের ছবিগুলো ১ম অপশন দিয়ে নেয়া। এই অপশন নির্বাচন করলে, পরবর্তীতে পছন্দের উইন্ডো (যেটার ছবি নিতে চান) সিলেক্ট করার জন্য + চিহ্নের মত একটা পয়েন্টার আসবে সেটা দিয়ে যেই উইন্ডো ক্লিক করবেন সেটার ছবি নেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্ক্রিনশট নেয়ার পর ছবিটা গিম্পেই খুলবে। আপনার দরকার হলে এতে কিছু এডিট করতে পারেন। কিছু জিনিষ মার্ক করতে পারেন কিছু জিনিষ ঝাপসা করতে পারেন। যা হোক এরপর ছবিটাকে প্রচলিত ফরম্যাটে সংরক্ষণ করতে চাইলে উপরের File মেনু থেকে Save As নির্বাচন করতে হবে। শুধু Save দিলে গিম্পের ডিফল্ট ফরম্যাট .xcf এ সংরক্ষিত হবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-0fDRa2k-dOs/TmVjfvr-34I/AAAAAAAABEE/x6Ei5QBUmMo/s1600/gimp-SaveAs.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="320" src="http://2.bp.blogspot.com/-0fDRa2k-dOs/TmVjfvr-34I/AAAAAAAABEE/x6Ei5QBUmMo/s320/gimp-SaveAs.jpg" width="216" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;Save As দিলে, এতে নিচের মত উইন্ডো খুলবে। সেখানে পছন্দের নাম এবং এক্সটেনশন দিন। কোথায় সংরক্ষণ করবে সেটা দেখিয়ে দিন। খেয়াল করে দেখুন নিচের দিকে Browse for other folders আছে যেটা দিয়ে Save in folder এর সীমিত অপশনের বাইরে যে কোন জায়গা দেখিয়ে দেয়া যাবে। আর এক্সটেনশন হাতে লিখে দেয়ার ব্যাপারে দ্বিধা থাকলে পরের Select File Type এ ক্লিক করে সেখান থেকে পছন্দের ধরণটা বেছে নিতে পারেন। তারপর Save বাটনে ক্লিক করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-8qzcH7lVsvA/TmVjiRzQdmI/AAAAAAAABEQ/UU_MszluJm0/s1600/Gimp-SaveAs2.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="184" src="http://3.bp.blogspot.com/-8qzcH7lVsvA/TmVjiRzQdmI/AAAAAAAABEQ/UU_MszluJm0/s320/Gimp-SaveAs2.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এই পর্যায়ে নিচের মত মেসেজ আসতে পারে। সেটা জেনে Export এ ক্লিক করুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-OF9SutQjE2g/TmVjguIzCII/AAAAAAAABEI/QTIEyXs4cgM/s1600/gimp-SaveAs3.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="170" src="http://3.bp.blogspot.com/-OF9SutQjE2g/TmVjguIzCII/AAAAAAAABEI/QTIEyXs4cgM/s320/gimp-SaveAs3.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এই পর্যায়ে আপনার ছবির কোয়ালিটি নির্বাচনের জন্য আরেকটি অপশন আসবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-7SbZkaNvLZo/TmVjhnSjFVI/AAAAAAAABEM/uRBY91pSlMA/s1600/gimp-SaveAs4.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/-7SbZkaNvLZo/TmVjhnSjFVI/AAAAAAAABEM/uRBY91pSlMA/s1600/gimp-SaveAs4.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;কোয়ালিটি ১০০% করলে আকার একটু বড় হবে। কোয়ালিটি কমালে ছবির আকার কম হবে। উপরের সবগুলো ছবিই এই চিত্রের মত ৮৫% কোয়ালিটিতে সংরক্ষণ করা। ব্যাস এটাই শেষ ধাপ, Save এ ক্লিক করুন। ছবি সংরক্ষিত হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুধুমাত্র স্ক্রিনশট নেয়ার জন্য অনেক সফটওয়্যার পাওয়া যায়। যেমন আমার উইন্ডোজ এক্সপিতে এজন্য snagit নামক ফ্রী সফটওয়্যার ব্যবহার করতাম। যদিও কম্পিউটারের Print Screen বাটন এবং পেইন্ট ব্যবহার করেও স্ক্রিনশট নেয়া যায়। উইন্ডোজের পরের ভার্সনগুলোতে সম্ভবত এজন্য নিজস্ব টুল দেয়া আছে (তবে Delay সুবিধা আছে কি না জানিনা)। এছাড়া&amp;nbsp; লিনাক্সের বেশিরভাগ ডিস্ট্রিবিউশনে স্ক্রিনশট নেয়ার জন্য টুল দেয়া থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গিম্প ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে:&lt;br /&gt;উইন্ডোজের জন্য (১৯.৪ মেগাবাইট): &lt;a href="http://www.gimp.org/windows/"&gt;http://www.gimp.org/windows/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://downloads.sourceforge.net/gimp-win/gimp-2.6.11-i686-setup-1.exe?use_mirror="&gt;সরাসরি ডাউনলোড&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ম্যাকের জন্য:&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.gimp.org/macintosh/"&gt;http://www.gimp.org/macintosh/ &lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লিনাক্সের জন্য:&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.gimp.org/downloads/"&gt;http://www.gimp.org/downloads/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমে স্ক্রিনশট নেয়ার আরও উপায় জানতে পারেন উইকিপিডিয়া থেকে:‌&lt;br /&gt;&lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Screenshot"&gt;http://en.wikipedia.org/wiki/Screenshot&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আলাদা সফটওয়্যার ছাড়া উইন্ডোজে স্ক্রিনশট নেয়ার পদ্ধতি বর্ণনা আছে এখানে:&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.wikihow.com/Take-a-Screenshot-in-Microsoft-Windows"&gt;http://www.wikihow.com/Take-a-Screenshot-in-Microsoft-Windows&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-1117447541559609507?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/1117447541559609507/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=1117447541559609507' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/1117447541559609507'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/1117447541559609507'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/09/blog-post.html' title='গিম্প টিউটোরিয়াল: স্ক্রিনশট নেয়া'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-GqoMfGH_MGQ/TmS1SNzL8_I/AAAAAAAABDo/c9eKqMLMw8I/s72-c/GIMP_ScreenShot.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-3010014827469321390</id><published>2011-09-03T17:41:00.000+06:00</published><updated>2011-09-05T09:53:03.963+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>SliTaz: ৩১.৫ মেগাবাইটের অপারেটিং সিস্টেম</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;সাইজ খুব ছোট দেখে এটা একটু চালিয়ে দেখার খায়েশ জাগলো। চেহারাটাও পরিচিত। তবে ৩১.৫ মেগাবাইটের মধ্যে কী কী দেয়া সম্ভব সেটা দেখার কৌতুহলও হচ্ছিলো খুব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ছবি অনেক কিছুই বলে দেয়। ডিস্ট্রোওয়াচ থেকে এটার স্ক্রিনশট দেখুন:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-yg0UYBn5psY/TmRHgkxQjQI/AAAAAAAABDk/Q-oWFvMLbC8/s1600/slitaz.resized.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="512" src="http://4.bp.blogspot.com/-yg0UYBn5psY/TmRHgkxQjQI/AAAAAAAABDk/Q-oWFvMLbC8/s640/slitaz.resized.png" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;মেনুতে অনেকগুলো আইটেম দেখালেও আসলে এটাতে ভারী কোনো প্রোগ্রাম নাই। কিছু আইটেম আছে যেটাতে ক্লিক করলে ইনস্টল করার অপশন আসে। হ্যাঁ স্লিটাজের নিজস্ব রিপো আছে। গতকাল ওতে খুঁজে দেখলাম, ইতিমধ্যেই ওপেন অফিস আছে, আর লিব্রে অফিসও সাবমিট করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্লিটাজ বুট করার সময় অনেকগুলো ভাষার লোকেল পছন্দ করার সুযোগ দেয় (en, de_DE, en_GB, en_US, es_ES, fr_FR, pt_BR, pt_PT, ru_RU); অপশনগুলোতে ইংলিশ, জার্মান, স্প্যানিশ, ফ্রেঞ্চ, পর্তূগীজ, রাশিয়ান ভাষা দেখলাম বলে মনে হল। এরপর কীবোর্ড ম্যাপ বেছে নিতে বলে। আমাদের ব্যবহৃত USA ম্যাপের নাম সবার শেষে। কাজেই না দেখে OK করলে বিপদে পড়তে হতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটাতে আমার হার্ডডিস্ক এবং পেনড্রাইভে থাকা txt, pdf, image টাইপের ফাইল খুলতে পারলেও, doc, odt, ods বা মিডিয়া ফাইল খুলতে পারে নাই। অবশ্য এই আকারের মধ্যে অত ক্ষমতা আশাও করিনি। এছাড়া&amp;nbsp;লাইভ সিস্টেমটা আমার নেটবুকের reiserfs এবং ext4 ফাইলসিস্টেমের পার্টিশন খুলতে পারেনি। তবে অনায়েসেই ntfs এবং পেনড্রাইভ fat খুলেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইন্টারনেট চ্যাটের জন্য ক্লায়েন্ট ছাড়াও মিদোরি (মজিলা ফায়ারফক্সের মত) ব্রাউজার, ট্রান্সমিশন বিট টরেন্ট ক্লায়েন্ট এবং টুইটার মাইক্রোব্লগ ক্লায়েন্ট আছে বলে দেখলাম। এছাড়া এতে ghttpd ওয়েব সার্ভার, SQLite ডেটাবেস, রেসকিউ টুলস, IRC ক্লায়েন্ট, SSH ক্লায়েন্ট ও সার্ভার যা Dropbear পাওয়ারড, X উইন্ডো সিস্টেম, JWM (Joe's Window Manager), gFTP, Geany IDE, AlsaPlayer, GParted, sound file editor রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটা পুরাতন 486 মডেলের কম্পিউটারকে টার্গেট করে বানানো হলেও n470 এটম প্রসেসর যুক্ত আমার নেটবুকেও চললো। তবে নিচের স্ক্রিনশটটা আমার সেলেরন ডেস্কটপ থেকে নেয়া; এটা নিতে স্লিটাজের মেনুতে দেয়া গ্র্যাব স্ক্রিনশট নামক এ্যাপ ব্যবহৃত হয়েছে। দেখুন অনায়েসেই আমার কিউবি ইন্টারনেট চলছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-plDqDVqe3LI/TmHIaVPpMmI/AAAAAAAABC0/Pv2H1LPAOD0/s1600/Slitaz.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="480" src="http://4.bp.blogspot.com/-plDqDVqe3LI/TmHIaVPpMmI/AAAAAAAABC0/Pv2H1LPAOD0/s640/Slitaz.jpg" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;স্লিটাজ খুবই হালকা অপারেটিং সিস্টেম, এটার আকার দেখেই সেটা বুঝে ফেলার কথা। এটা নিজেকে পুরোপুরিভাবে RAMএ কপি করে নেয় এবং এরপর লাইভ মিডিয়া বের করে নিতে দেয়, অর্থাৎ একটি লাইভ সিডি বা ইউএসবি দিয়েই পর পর অনেকগুলো মেশিনে একই সাথে লাইভ সিস্টেম চালানো যাবে -- একটি মেশিন বুট হলেই ওখান থেকে সিডি বা ইউএসবি বের করে আরেকটা বুট করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর প্যাকেজগুলো রাখা আছে রিপোতে। হার্ডডিস্কে ইনস্টল করার পর এখান থেকে প্রয়োজনীয় অ্যাপ্লিকেশন ইনস্টল করে নেয়া যাবে।&lt;br /&gt;স্টেবল প্যাকেজ লিস্ট:&amp;nbsp;http://mirror.slitaz.org/packages/stable/packages.list&lt;br /&gt;কুকিং প্যাকেজ লিস্ট:&amp;nbsp;http://mirror.slitaz.org/packages/cooking/packages.list&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরও জানতে ঢু মেরে আসুন:&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.slitaz.org/"&gt;http://www.slitaz.org/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/SliTaz"&gt;http://en.wikipedia.org/wiki/SliTaz&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://distrowatch.com/table.php?distribution=slitaz"&gt;http://distrowatch.com/table.php?distribution=slitaz&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্টেবল ভার্সন ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে (৩১.৫ মেগাবাইট):&lt;br /&gt;http://mirror.slitaz.org/iso/3.0/slitaz-3.0.iso&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-3010014827469321390?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/3010014827469321390/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=3010014827469321390' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/3010014827469321390'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/3010014827469321390'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/09/slitaz.html' title='SliTaz: ৩১.৫ মেগাবাইটের অপারেটিং সিস্টেম'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-yg0UYBn5psY/TmRHgkxQjQI/AAAAAAAABDk/Q-oWFvMLbC8/s72-c/slitaz.resized.png' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-8876479599483886485</id><published>2011-09-03T16:13:00.000+06:00</published><updated>2011-09-03T19:00:51.214+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>Austrumi: আরেকটি কাজের হালকা ডিস্ট্রো</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;এই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমটা আগ্রহ নিয়ে দেখানোর কারণ এটার আকার মাত্র ২১০ মেগাবাইট, অথচ এর মধ্যেই লিব্রে অফিস, গিম্প এবং ইঙ্কস্কেপের মত প্রোগ্রাম দেয়া আছে। খুব সম্ভবত আকীক নামে এক লিনাক্স পাগল আমাকে এটি দিয়ে গিয়েছিল। তবে ও আমাকে যেই ভার্সন দিয়েছিলো তার পরে আরও দুইটি ভার্সন রিলিজ হয়েছে। আমি সর্বশেষ 2.4.0 ভার্সনটা ব্যবহার করে সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই লেখাটা লিখছি। কিছু শুরু করার আগে এটার একটা স্ক্রিনশট দেখি ওদের সাইট থেকে:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://cyti.latgola.lv/ruuni/screenshoots/a-240.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="480" src="http://cyti.latgola.lv/ruuni/screenshoots/a-240.jpg" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;লাইভ ইউএসবি বুট করেই যেই সমস্যাটায় পড়তে হয় সেটা হল এটার ভাষা ইংরেজি নয়, লাটভিয়ান। তবে ঘাবড়াবার কিছু নাই কয়েকটা সহজ ক্লিকেই এটাকে ইংরেজি করা যায়। ইংরেজি করতে হলে যা করতে হবে:&lt;br /&gt;১। ডেস্কটপে ক্লিক করুন (সাধারণত যেভাবে করি, বামদিকের মাউস বাটন), এতে উপরের চিত্রের মত একটা মেনু খুলবে।&lt;br /&gt;২। Istatiejumi তে ক্লিক করলে সাবমেনু খুলবে সেটাতে Voludys (সবচেয়ে নিচের অপশন) ক্লিক করুন।&lt;br /&gt;৩। এতে কয়েকটি দেশের পতাকা ও নাম সহ একটা ছোট উইন্ডো খুলবে। সবচেয়ে উপরে ইংলিশ, যা ইংরেজিতেই লেখা - ওতে ক্লিক করুন। এতে পর মুহুর্তেই ডেস্কটপটা ইংলিশে লোড হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার আরেকটা মজার জিনিষের কথা বলি। এটাতে মোট ৫ রকম ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট থীম রয়েছে। উপরের ছবিতে যেই থীমটা দেখা যাচ্ছে সেটাকে ওরা নাম দিয়েছে: R-Panel Theme। এছাড়া U-Gadgets Theme, Windows Theme, Versatile Theme, Cairo dock theme আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটাতে আমার নেটবুক থেকে স্ক্রিনশট নেয়াটা একটু ঝামেলার মনে হল। তারপরও কীভাবে জানি দুইটা স্ক্রিনশট নিয়ে ফেলেছি। ১ম শটটা উইন্ডোজ থীমের, আর পরেরটা কায়রো ডক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-tNwS7mNTkMI/TmHIcaYifWI/AAAAAAAABC0/gpe3iALw-Ms/s1600/Austrumi+2011-09-03-001055_1024x600_scrot.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="372" src="http://1.bp.blogspot.com/-tNwS7mNTkMI/TmHIcaYifWI/AAAAAAAABC0/gpe3iALw-Ms/s640/Austrumi+2011-09-03-001055_1024x600_scrot.png" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;উইন্ডোজ থীমটা আমাদের সেই পরিচিত পুরাতন উইন্ডোজের মত। এতে ফাইল ব্রাউজার হল pcmanfm যা নপিক্সেও ব্যবহৃত হয়। দেখুন এতে লাইভ সিস্টেম থেকেই মিদোরি (মজিলা) ব্রাউজারে ব্রাউজ করছি, আর আমার অন্য পার্টিশন থেকে একটা মিডিয়া ফাইল চালাচ্ছি। বলাই বাহুল্য যে ইন্টারনেট সেট করতে হয়নি, অটোমেটিক পেয়েছে (DHCP ল্যান অটো পাওয়াটাই স্বাভাবিক মনে হয়।)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-5E8UAUC2X-Y/TmHxT5ELnrI/AAAAAAAABDI/wgRk4axjJrk/s1600/Austrumi_2011-09-03-145743_1024x600_scrot.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="372" src="http://2.bp.blogspot.com/-5E8UAUC2X-Y/TmHxT5ELnrI/AAAAAAAABDI/wgRk4axjJrk/s640/Austrumi_2011-09-03-145743_1024x600_scrot.png" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;কায়রো ডক থীম। এটাতে আবার মেনু থেকে কংকি চালু করেছিলাম। আর সার্ভিসেস এন্ড ডিমোন নামে আরেকটা অ্যাপ চালিয়ে দেখছিলাম। এছাড়া ডেস্কটপে দুইটা গেজেট ছিল -- ও দুটাকে কোনায় ক্লিক করাতে ডকের ডানদিকে বসে গেল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;থীম পরিবর্তনও খুব সোজা; এজন্য&lt;br /&gt;১। ডেস্কটপে রাইট ক্লিক করুন (মাউসের ডানদিকের বাটন), এতে আরেকটা মেনু খুলবে।&lt;br /&gt;২। মেনু থেকে Themes --&amp;gt; Windows Theme অথবা অন্য যে কোনোটা সিলেক্ট করলেই থীম পরিবর্তন হয়ে যাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটার মধ্য আরও অনেক জরুরী এপ্লিকেশন দেয়া আছে।&lt;br /&gt;- লিব্রে অফিস, গিম্প আর ইঙ্কস্কেপের কথা শুরুতেই বলেছি।&lt;br /&gt;- ৮টি ছোট গেম দেয়া আছে।&lt;br /&gt;- কায়রো ডকের আইকনগুলো খেয়াল করুন। জিনি এডিটর, ব্রাউজার আর স্কাইপের আইকনগুলো সহজেই চেনা যাচ্ছে।&lt;br /&gt;- Htop সিস্টেম ইনফো, MC (মিডনাইট কমান্ডার) এগুলো ছাড়াও আরও অনেক টুল দেয়া আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটা স্ল্যাকওয়্যারের উপর ভিত্তি করে তৈরী। এটা চালাতে পেন্টিয়াম-২ বা ভাল প্রসেসর এবং ৫১২ মেগা মেমরি লাগবে। এটা সম্পর্কে আরো জানতে নিচের লিংকগুলোতে ঢু মারতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;a href="http://cyti.latgola.lv/ruuni/"&gt;http://cyti.latgola.lv/ruuni/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://distrowatch.com/table.php?distribution=austrumi"&gt;http://distrowatch.com/table.php?distribution=austrumi&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/AUSTRUMI_Linux"&gt;http://en.wikipedia.org/wiki/AUSTRUMI_Linux&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটার লোগোটা সেইরকম: (উইকি থেকে লোগো দিলাম)&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://upload.wikimedia.org/wikipedia/en/b/be/Austrumi-linux-logo.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://upload.wikimedia.org/wikipedia/en/b/be/Austrumi-linux-logo.png" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;আই এস ও ডাউনলোড (২১০ মেগা):&amp;nbsp;ftp://austrumi.ru.lv/austrumi-2.4.0.iso&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-8876479599483886485?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/8876479599483886485/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=8876479599483886485' title='2টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8876479599483886485'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8876479599483886485'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/09/austrumi.html' title='Austrumi: আরেকটি কাজের হালকা ডিস্ট্রো'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-tNwS7mNTkMI/TmHIcaYifWI/AAAAAAAABC0/gpe3iALw-Ms/s72-c/Austrumi+2011-09-03-001055_1024x600_scrot.png' height='72' width='72'/><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-5507998113321945289</id><published>2011-08-30T14:53:00.002+06:00</published><updated>2011-08-31T23:18:39.342+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='টিউটোরিয়াল'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>লাইভ সিডি বা ইউ.এস.বি: ইনস্টল না করেই একটি অপারেটিং সিস্টেম চালিয়ে দেখার উপায়</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;span class="Apple-style-span" style="font-size: x-large;"&gt;লাইভ সিডি বা ইউ.এস.বি &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span class="Apple-style-span" style="font-size: large;"&gt;ইনস্টল না করেই একটি অপারেটিং সিস্টেম চালিয়ে দেখার উপায় &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h1&gt;লাইভ সিডি কী?&lt;/h1&gt;লাইভ সিডি বা লাইভ ডিভিডি কিংবা লাইভ ডিস্ক বলতে বুঝায় যে এটাতে একটা বুট যোগ্য কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে। কম্পিউটারে কোনরকম হার্ডডিস্ক বা স্টোরেজ ডিভাইসের সাহায্য ছাড়াই একটা সম্পুর্ন ও আধুনিক অপারেটিং সিস্টেম চালানোর এটা একটা অনন্য উপায়। লাইভ ইউ.এস.বি ফ্লাশড্রাইভগুলোও লাইভ সিডির মত, তবে এগুলো কখনও কখনও লাইভ সিডির চেয়েও অনেক বেশি কাজ করতে পারে; যেমন এর মধ্যেই সিস্টেমের পরিবর্তনগুলো সংরক্ষণ করে রাখতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অপারেটিং সিস্টেমটি এজন্য তার প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ফাইলগুলো কম্পিউটারের মেমরি বা RAMএ কপি করে নেয়, এবং সেখান থেকেই চলে, হার্ডডিস্কে একটি আঁচড়ও ফেলে না। লিনাক্সের বেশিরভাগ ডিস্ট্রিবিউশন বা অপারেটিং সিস্টেমের সিডি, ডিভিডি এই সিস্টেমে করা হয় যেন ইনস্টলের ঝামেলায় না গিয়েই কৌতুহলী কেউ এটা সম্পর্কে জানতে পারে। একটি পেনড্রাইভে একত্রে অনেকগুলো লাইভ অপারেটিং সিস্টেমও রাখা যায়। মেমরি ড্রাইভে এটা নেয়ার সুবিধা হল, দরকার না হলে এটা মুছে অন্য কাজে ব্যবহার করা যায়।&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;লাইভ সিস্টেমের সুবিধা ও ব্যবহার&lt;/h3&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;ইনস্টল না করেই একটা অপারেটিং সিস্টেমে কী আছে আর কী নাই সেটা বোঝা যায়, ফলে এটা আমার প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম কি না সেটা ইনস্টল না করেই চালিয়ে দেখে নেয়া যায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;হার্ডডিস্ক ছাড়াই কম্পিউটার চালানো যায়। হার্ডডিস্ক কোন কারণে নষ্ট হয়ে গেলেও নতুন হার্ডডিস্ক ক্রয়ের আগ পর্যন্ত এভাবে কাজ চালানো যাবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কিংবা পাসওয়র্ডের কারণে কোন কম্পিউটার খুলতে না পারলে লাইভ বুট করে সেটা দিয়ে আপনার কাজ করতে পারেন (মেইল চেক, ডকুমেন্ট লেখালেখি, কাউকে আপনার করা কাজের ফাইল দেখানো ইত্যাদি)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ভাইরাস বা অন্য কোনো কারণে একটা কম্পিউটার হার্ডডিস্ক থেকে চালু হতে না পারলে, লাইভ সিডি বা ইউএসবি থেকে বুট করে এটার হার্ডডিস্কে থাকা জরুরী ফাইল অন্য মিডিয়াতে কপি করে আনা যায়। দরকার হলে হার্ডডিস্কে থাকা অপ্রয়োজনীয় ফাইল বা ভাইরাসও মুছে ফেলা যায়। (রিকভারি টুল)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কারো পেনড্রাইভে প্রয়োজনীয় ফাইলের সাথে চুপিসারে ভাইরাস আসছে এমন আশংকা করলে আর নিজের এন্টিভাইরাসে ভরসা না থাকলে, লাইভ লিনাক্স বুট করে তারপর সেই পেনড্রাইভ থেকে জরুরী ফাইল কপি করে নেয়া যায়, আবার ভাইরাস ফাইল দেখলেও ওগুলোকে দেখে দেখে মুছে ফেলা যায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কোনো কম্পিউটারের ম্যালওয়্যার আপনার সংবেদনশীল ডেটা, পাসওয়র্ড এসব চুরি করছে এমন আশংকা করলে, লাইভ সিডি থেকে বুট করে কাজ করে সেই আশংকা মুক্ত হওয়া যায়। (অনলাইন ব্যাংকিং‌)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কোনো হার্ডওয়্যার কেনার সময়ে সেটা আপনার সিস্টেমে চলবে কি না সেটা লাইভ সিস্টেম দিয়ে পরীক্ষা করে দেখা যায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ছোট অপারেটিং সিস্টেমগুলো নিজেকে পুরোপুরি মেমরিতে কপি করে নেয় বলে এগুলো অসম্ভব দ্রুত চলতে পারে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পুরোপুরি মেমরিতে কপি করে নিলে, হার্ডডিস্ক বা সিডি ড্রাইভ চালানোর প্রয়োজন হয় না বলে, ছোট অপারেটিং সিস্টেমগুলোর লাইভ চালাতে সাধারণত কম বিদ্যূৎ শক্তির প্রয়োজন হয়।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;span class="Apple-style-span" style="font-size: 19px; font-weight: bold;"&gt;লাইভ সিস্টেমের অসুবিধা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;সিডি / ডিভিডি থেকে প্রোগ্রাম চালু করা বড় আকারের অপারেটিং সিস্টেমগুলো একটু ধীরগতির হয়। কারণ সিডি থেকে ডেটা ট্রান্সফারের গতি হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা ট্রান্সফারের অন্তত ১৫ ভাগের একভাগ। এছাড়া ঐ প্রোগ্রামগুলো কম্প্রেস করা অবস্থায় থাকে, ডেটা ট্রান্সফারের পর সেগুলোকে আবার ডিকম্প্রেস করে তবেই ব্যবহার করে। সিডি থেকে ডেটা ট্রান্সফারের সময়টা ইউ.এস.বি লাইভে কমিয়ে আনা যায়, তবে এতেও ডিকম্প্রেস করার সময়টা এড়ানো সম্ভব হয় না।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সাধারণত লাইভ সিডি সিস্টেমের কাস্টমাইজেশন সংরক্ষিত হয় না। অবশ্য পেনড্রাইভ বুটেবল করলে নিজের সেটিংসগুলো সংরক্ষণ করা যায়।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;h1&gt;লাইভ সিডি তৈরী করবেন যেভাবে&lt;/h1&gt;লাইভ সিডি তৈরী করার জন্য অপারেটিং সিস্টেমটির একটা ইমেজ ফাইল প্রয়োজন হয়। এই ফাইলগুলোর নামের শেষে .iso লেখা থাকে। তাই এই ইমেজ ফাইলগুলোকে আই.এস.ও ফাইলও বলা হয়। বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেমের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই আই.এস.ও ফাইলগুলো ডাউনলোডের জন্য দেয়া থাকে। এই ফাইল ডাউনলোড করার পর সেটাকে ইমেজ ফাইল হিসেবে সিডিতে বার্ন করতে হয়। যে কোন প্রমিত সিডি রাইটার সফটওয়্যারে ইমেজ ফাইল রাইট করার জন্য পদ্ধতি দেয়া থাকে। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে সিডিতে ইমেজ ফাইল রাইট করার জন্য কিছু ফ্রী সফটওয়্যার পাওয়া যায়। নিচে কয়েকটি পদ্ধতি বর্ণনা করা হল।&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;উইন্ডোজ ৯৫ / ৯৮ / ME / ২০০০ / XP / সার্ভার ২০০৩ / ভিস্তাঃ ইনফ্রা রেকর্ডার&lt;/h3&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;প্রথমে &lt;a href="http://infrarecorder.sourceforge.net/"&gt;http://infrarecorder.sourceforge.net&lt;/a&gt; থেকে ইনফ্রা রেকর্ডার ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন।&lt;/li&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;li&gt;সিডি রাইটারে একটা ব্ল্যাংক সিডি প্রবেশ করান। যদি একটা অটোরান ডায়লগ আসে তবে Do nothing বা Cancel সিলেক্ট করুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ইনফ্রা রেকর্ডার চালু করুন এবং মূল স্ক্রিনে 'Write Image' বোতামে ক্লিক করুন।&lt;/li&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/--VpV447bJV4/TlyfSg2cG_I/AAAAAAAABBk/PmXHvFGfQ5M/s1600/cd_windows_01_medium.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="291" src="http://3.bp.blogspot.com/--VpV447bJV4/TlyfSg2cG_I/AAAAAAAABBk/PmXHvFGfQ5M/s320/cd_windows_01_medium.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;li&gt;বিকল্প হিসেবে আপনি Actions' menuতে গিয়ে Burn image সিলেক্ট করতে পারেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এরপর আপনার উদ্দিষ্ট ফাইলটা সিলেক্ট করে দিন এবং 'Open'এ ক্লিক করুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;OK ক্লিক করুন।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;h3&gt;উইন্ডোজ XP / সার্ভার ২০০৩ / ভিস্তাঃ ISO Recorder&lt;/h3&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://isorecorder.alexfeinman.com/isorecorder.htm"&gt;http://isorecorder.alexfeinman.com/isorecorder.htm&lt;/a&gt; থেকে সঠিক ভার্সনের ISO Recorder ডাউনলোড ও ইনস্টল করুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ডিভিডি রাইটারে একটা আনফরম্যাটেড ডিভিডি প্রবেশ করান (ভিস্তাতে এই সফটওয়্যার দিয়ে শুধুমাত্র ডিভিডি রাইট করা যাবে)&lt;/li&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-ZnuGklnt-1M/TlyfyilskWI/AAAAAAAABBo/UPAvNNB4uKg/s1600/cd_windows_02_medium.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="212" src="http://4.bp.blogspot.com/-ZnuGklnt-1M/TlyfyilskWI/AAAAAAAABBo/UPAvNNB4uKg/s320/cd_windows_02_medium.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;li&gt;উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার খুলুন, অপারেটিং সিস্টেমের ISO ফাইলটার উপরে মাউসের ডান ক্লিক করুন এবং 'Next' সিলেক্ট করুন।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;span class="Apple-style-span" style="font-size: 19px; font-weight: bold;"&gt;Windows 7&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;ISO ইমেজ ফাইলটার উপরে মাউসের ডান ক্লিক করুন এবং 'Burn disc image' নির্বাচন করুন।&lt;/li&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-bD9oIeI9ZSY/TlygYLptipI/AAAAAAAABBs/uq0N96eMYyc/s1600/cd_windows_03_medium.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="106" src="http://1.bp.blogspot.com/-bD9oIeI9ZSY/TlygYLptipI/AAAAAAAABBs/uq0N96eMYyc/s320/cd_windows_03_medium.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;li&gt;আপনার সিডি বা ডিভিডি রাইটারটা সিলেক্ট করে দিন এবং 'Burn' বাটনে ক্লিক করুন। ঠিকমত রাইট হয়েছে কি না সেটা পরীক্ষা করাতে চাইলে 'Verify disc after burning' এ টিক দিয়ে দিন।&lt;/li&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-u0DFYZT3QLM/TlygucgPwuI/AAAAAAAABBw/nEkCAt-CSnM/s1600/cd_windows_04_medium.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="212" src="http://3.bp.blogspot.com/-u0DFYZT3QLM/TlygucgPwuI/AAAAAAAABBw/nEkCAt-CSnM/s320/cd_windows_04_medium.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/ul&gt;&lt;h1&gt;লাইভ ইউ.এস.বি তৈরী করবেন যেভাবে&lt;/h1&gt;&lt;h3&gt;উইন্ডোজ&lt;/h3&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;কমপক্ষে ২ গিগাবাইট খালি জায়গাসহ একটা ইউএসবি ডিস্ক কম্পিউটারে লাগান।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;http://www.pendrivelinux.com/downloads/Universal-USB-Installer/Universal-USB-Installer.exe&lt;/li&gt;&lt;li&gt;উপরের ঠিকানা থেকে ইউনিভার্সাল ইউএসবি ইনস্টলার ডাউনলোড করুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Run এ ক্লিক করুন।&lt;/li&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-5aednT5wNYY/TlyhLh9h1HI/AAAAAAAABB0/KyI-gxOPgTw/s1600/usb_windows_01_medium.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="210" src="http://1.bp.blogspot.com/-5aednT5wNYY/TlyhLh9h1HI/AAAAAAAABB0/KyI-gxOPgTw/s320/usb_windows_01_medium.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;li&gt;সিকিউরিটি ডায়লগ আসলে Run এ ক্লিক করে নিশ্চিত করুন।&lt;/li&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-ozTvOs9fwy4/Tlyhcuzw2JI/AAAAAAAABB4/d4XDXZdJakc/s1600/usb_windows_02_medium.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="158" src="http://4.bp.blogspot.com/-ozTvOs9fwy4/Tlyhcuzw2JI/AAAAAAAABB4/d4XDXZdJakc/s320/usb_windows_02_medium.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;li&gt;লাইসেন্স চুক্তি পড়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য 'I Agree' নির্বাচন করুন।&lt;/li&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-HA2Mop-m3uM/Tlyh8h3E88I/AAAAAAAABB8/-9ePNFlfytI/s1600/usb_windows_03_medium.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="245" src="http://2.bp.blogspot.com/-HA2Mop-m3uM/Tlyh8h3E88I/AAAAAAAABB8/-9ePNFlfytI/s320/usb_windows_03_medium.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;li&gt;Step 1এ ড্রপডাউন লিস্ট থেকে আপনার উদ্দিষ্ট অপারেটিং সিস্টেম নির্বাচন করুন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Step 2এ 'Browse' এ ক্লিক করে ডাউনলোড করা ISO ফাইলটা দেখিয়ে দিন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Step 3এUSB ড্রাইভ নির্বাচিত করুন এবং 'Create'এ ক্লিক করুন।&lt;/li&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-TrjQS5KZeTE/TlyiPAY16UI/AAAAAAAABCA/27_Nrt9-o6M/s1600/usb_windows_07_medium.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="245" src="http://1.bp.blogspot.com/-TrjQS5KZeTE/TlyiPAY16UI/AAAAAAAABCA/27_Nrt9-o6M/s320/usb_windows_07_medium.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/ul&gt;&lt;span class="Apple-style-span" style="font-size: 19px; font-weight: bold;"&gt;Unetbootin নামক সফটওয়্যার দিয়েও USB বুটেবল করা যায় (উইন্ডোজ, ম্যাক, লিনাক্স)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;http://unetbootin.sourceforge.net/ থেকে ডাউনলোড করে ইনস্টল করে নিন। নিচের ডিস্ক ইমেজের স্থলে iso ফাইলটা দেখিয়ে দিন; যদি সেটিংস সংরক্ষণ করাতে চান, তাহলে এর নিজস্ব একটা ড্রাইভ বানানের জন্য জায়গার পরিমাণ দিন; আর শেষে USB ড্রাইভটা দেখিয়ে দিন।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-BBVysg0CRg8/Tlyi0tisp1I/AAAAAAAABCE/Xb8tlXIL5Uw/s1600/unetbootin-01.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="234" src="http://1.bp.blogspot.com/-BBVysg0CRg8/Tlyi0tisp1I/AAAAAAAABCE/Xb8tlXIL5Uw/s320/unetbootin-01.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;span class="Apple-style-span" style="font-size: 32px; font-weight: bold;"&gt;লাইভ সিডি বা ইউ.এস.বি থেকে কম্পিউটার চালু করবেন যেভাবে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;হার্ডডিস্কের বদলে লাইভ সিডি বা ইউ.এস.বি থেকে কম্পিউটার স্টার্ট বা বুট করতে হলে এর মাদারবোর্ডে থাকা বায়োসে অপারেটিং সিস্টেম কোথায় খুঁজবে (ফ্লপি, হার্ডডিস্ক, সিডি ইত্যাদি) সেটা সেইমত বলে দিতে হয়। এটাকে বলে Boot order। কম্পিউটার চালু করলেই প্রথমে বায়োস নামের এই লুকানো প্রোগ্রামটা মাদারবোর্ড থেকে চালু হয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;ধাপ ১:&lt;/b&gt; বিভিন্ন কম্পিউটারে বায়োসে প্রবেশ করার পদ্ধতি ভিন্ন হয়। কম্পিউটার চালু করে প্রথমেই স্ক্রিনে যে লেখাগুলো আসে সেখানে কোন এক জায়গায় (সাধারণত একেবারে নিচের দিকে) এমন কিছু লেখা থাকে: Press 'X' to Enter Startup যেখানে X এর জায়গায় F2 বা DEL কী লেখা থাকে। নিচের ১নং চিত্রে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কম্পিউটারের জন্য কোন key চাপতে হয় সেটা দেখানো হল। কম্পিউটার চালু করেই এই key টা বার বার চাপতে থাকুন, যদি ইতিমধ্যেই স্ক্রিনে উইন্ডোজ লোগো চলে এসে থাকে তাহলে ইতিমধ্যেই কী চাপতে দেরী হয়ে গিয়েছে। কম্পিউটার রিস্টার্ট করে আবার চেষ্টা করুন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(যদি USB কীবোর্ড ব্যবহার করে বায়োসে ঢুকতে না পারেন তাহলে একটা স্ট্যান্ডার্ড PS2 কীবোর্ড ব্যবহার করলে সমস্যা মিটতে পারে।) &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-GF2-R6UXSnA/TlyjpGzh2fI/AAAAAAAABCI/t-zKAHIaTfE/s1600/01-boot-order-enter-bios-keys.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="320" src="http://2.bp.blogspot.com/-GF2-R6UXSnA/TlyjpGzh2fI/AAAAAAAABCI/t-zKAHIaTfE/s320/01-boot-order-enter-bios-keys.gif" width="256" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;ধাপ ২:&lt;/b&gt; বায়োস চালু হলে আসা স্ক্রিনে কম্পিউটারের অনেক সেটিংএর অপশন দেখাবে। এই স্ক্রিনে মাউস কাজ করবে না। কাজেই কীবোর্ডের তীর চিহ্নিত বাটনগুলো দিয়ে বিভিন্ন মেনুতে যেতে হবে। সাধারণত স্ক্রিনের নিচের দিকে কোন Key দিয়ে কোন কাজ করা যাবে সেটা লেখা থাকে। আপনার কম্পিউটারের বায়োসের চেহারা এই চিত্র থেকে ভিন্ন হতে পারে। &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-rYaoZtFlz6E/TlyjyAtpe1I/AAAAAAAABCM/gNAALa8YQrQ/s1600/02-boot-order-bios-setup.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="241" src="http://1.bp.blogspot.com/-rYaoZtFlz6E/TlyjyAtpe1I/AAAAAAAABCM/gNAALa8YQrQ/s320/02-boot-order-bios-setup.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;ধাপ ৩:&lt;/b&gt; বুট সংক্রান্ত সেটিংটা খুঁজে বের করে সিলেক্ট করুন। এটার জন্য Boot Order, Boot Sequence, First Boot Device, Boot Management, অথবা এই ধরণের কিছু লেখা থাকতে পারে। পরের চিত্রে Boot লেখা দেখা যাচ্ছে। &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-fDz8YoDFPU0/Tlyj57a8QoI/AAAAAAAABCQ/qFFwUZ65ypA/s1600/03-boot-order-boot-options.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="241" src="http://3.bp.blogspot.com/-fDz8YoDFPU0/Tlyj57a8QoI/AAAAAAAABCQ/qFFwUZ65ypA/s320/03-boot-order-boot-options.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;ধাপ ৪:&lt;/b&gt; বুট অপশনের স্ক্রিনে কম্পিউটারটি কী কী দিয়ে চালু বা বুট করতে পারে তার একটা তালিকা দেখাবে। এই তালিকার ক্রম পরিবর্তন করে সিডি বা ইউ.এস.বি প্রথমে নিয়ে আসতে হবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিচের চিত্রে খেয়াল করে দেখুন; কীভাবে এগুলোর ক্রম পরিবর্তন করতে হবে তা ডানদিকে লেখা আছে। এক্ষেত্রে দেখুন এক জায়গায় + / - চিহ্ন দিয়ে একটি ডিভাইসকে উপরে বা নিচে সরিয়ে ক্রম পরিবর্তন করা যাবে বলে লেখা আছে। &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-TGqwQK3jdWU/TlykCnMRBKI/AAAAAAAABCU/5HUUd0pcuYM/s1600/04-boot-order-first-boot-device.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="http://4.bp.blogspot.com/-TGqwQK3jdWU/TlykCnMRBKI/AAAAAAAABCU/5HUUd0pcuYM/s320/04-boot-order-first-boot-device.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এই পর্যায়ে এসে কোন বুট ডিভাইস নিষ্ক্রিয় করার অপশন থাকে কোনো কোনো বায়োসে। এইরকম কিছু করার সময় সতর্ক বিবেচনার প্রয়োজন। হার্ড ড্রাইভ বা সিডি রম বা ইউ.এস.বি নিষ্ক্রিয় করলে সেটা থেকে কম্পিউটার চালু হতে পারবে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;ধাপ ৫:&lt;/b&gt; বুট ক্রম পরিবর্তনের পর এটাকে সংরক্ষণ করে তারপর বায়োস থেকে বের হয়ে আসতে হবে। বেশিরভাগ বায়োসেই F10 key বা ESC key দিয়ে এই কাজ করা যায়, যার নির্দেশ স্ক্রিনের নিচের অংশেই দেয়া থাকে। যখন পরিবর্তন সংরক্ষণে কথা জিজ্ঞেস করবে তখন চিত্রের মত ‘Yes’ নির্বাচন করবেন। &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-S3fwoJN5J8A/TlykOAyyxJI/AAAAAAAABCY/dspd0uWyByw/s1600/05-boot-order-save-exit.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="http://2.bp.blogspot.com/-S3fwoJN5J8A/TlykOAyyxJI/AAAAAAAABCY/dspd0uWyByw/s320/05-boot-order-save-exit.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;ধাপ ৬:&lt;/b&gt; বায়োসে কম্পিউটার চালু হওয়ার পদ্ধতি পরিবর্তন ও সংরক্ষণ করার পর, আপনার লাইভ সিডি বা ইউ.এস.বি টি কম্পিউটারে ড্রাইভে প্রবেশ করান এবং কম্পিউটার রিবুট করুন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাইরাস আক্রান্ত কম্পিউটার হলে এটাতে উইন্ডোজ চালু অবস্থায় কখনই লাইভ ইউ.এস.বিটা লাগাবেন না, এতে এটার ফাইলগুলো নষ্ট হয়ে যেতে পারে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনার বায়োসের চেহারা আগের ছবিগুলোর মত না হলে ঘাবড়াবেন না। স্ক্রিনেই কিভাবে কী করতে হবে তার নির্দেশনা দেয়া থাকে। বোঝার সুবিধার্থে অন্য ধরণের একটা বায়োসের ছবি দেখুন: &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথমে কম্পিউটার চালুর পরে বায়োসে প্রবেশের নির্দেশনা: &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-jis_mkEPGL8/TlykWdkCnnI/AAAAAAAABCc/_Ug3qKg1I1M/s1600/phoenix-bios-boot-from-cd-settings.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="214" src="http://1.bp.blogspot.com/-jis_mkEPGL8/TlykWdkCnnI/AAAAAAAABCc/_Ug3qKg1I1M/s320/phoenix-bios-boot-from-cd-settings.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এবার অন্যরকম চেহারার বায়োস: এখানে লাল রংয়ে সিলেক্ট করা ২য় অপশনটার ভেতরে ঢুকতে হবে। &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-rG0Dsi6LC7c/TlykbUOKZcI/AAAAAAAABCg/UXvrfw3W_4k/s1600/award-bios-boot-from-cd-settings-2.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="222" src="http://1.bp.blogspot.com/-rG0Dsi6LC7c/TlykbUOKZcI/AAAAAAAABCg/UXvrfw3W_4k/s320/award-bios-boot-from-cd-settings-2.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এবার অপশন পরিবর্তন করার স্ক্রিন &lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-FAcgDIhQ_cQ/TlykhAjD4pI/AAAAAAAABCk/XOLYTbCCMas/s1600/award-bios-boot-from-cd-settings-3.JPG" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="267" src="http://4.bp.blogspot.com/-FAcgDIhQ_cQ/TlykhAjD4pI/AAAAAAAABCk/XOLYTbCCMas/s320/award-bios-boot-from-cd-settings-3.JPG" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;তথ্য ও চিত্রের জন্য কৃতজ্ঞতা:&lt;/h3&gt;লাইভ সিস্টেমের ব্যাপারে: &lt;br /&gt;আরও বিস্তারিত এখানে: &lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Live_CD"&gt;http://en.wikipedia.org/wiki/Live_CD&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লাইভ সিডি তৈরীর ব্যাপারে:&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.ubuntu.com/"&gt;http://www.ubuntu.com/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লাইভ ইউএসবি তৈরীর ব্যাপারে:&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.ubuntu.com/"&gt;www.ubuntu.com&lt;/a&gt; &lt;br /&gt;&lt;a href="http://unetbootin.sourceforge.net/"&gt;http://unetbootin.sourceforge.net/&lt;/a&gt;  &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বায়োস পরিবর্তনের ব্যাপারে:&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.whitecanyon.com/how-to-change-boot-order.php"&gt;http://www.whitecanyon.com/how-to-change-boot-order.php&lt;/a&gt; ; &lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.notebookdatabase.com/2008/03/14/how-to-boot-your-notebook-from-a-cd-or-dvd/"&gt;http://www.notebookdatabase.com/2008/03/14/how-to-boot-your-notebook-from-a-cd-or-dvd/&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-5507998113321945289?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/5507998113321945289/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=5507998113321945289' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/5507998113321945289'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/5507998113321945289'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/08/blog-post_30.html' title='লাইভ সিডি বা ইউ.এস.বি: ইনস্টল না করেই একটি অপারেটিং সিস্টেম চালিয়ে দেখার উপায়'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/--VpV447bJV4/TlyfSg2cG_I/AAAAAAAABBk/PmXHvFGfQ5M/s72-c/cd_windows_01_medium.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-5068350017756380669</id><published>2011-08-28T16:21:00.005+06:00</published><updated>2011-09-05T09:49:01.489+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>বহুদিন যাবৎ নপিক্স চালিয়ে বেশ মজা পাচ্ছি</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;span class="Apple-style-span" style="color: #333333; font-family: Solaimanlipi,AponaLohit,Verdana,Helvetica,Arial,sans-serif; font-size: 17px;"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;নপিক্স (knoppix) লিনাক্স ভিত্তিক আরেকটি অপারেটিং সিস্টেমের নাম। এটা সরাসরি ডেবিয়ানের উপর ভিত্তি করে জার্মানীতে তৈরী। জনপ্রিয় উবুন্টুও কিন্তু ডেবিয়ানের উপর ভিত্তি করে তৈরী, তবে উবুন্টু টিম নিজেরাও একটা সফটওয়্যার রিপোজিটরি মেইনটেইন করে। নপিক্সের বৈশিষ্ট হল এটা একটা লাইটওয়েট বা হালকা অপারেটিং সিস্টেম যেটা মূলত লাইভ মোডে চলার জন্য তৈরী করা হয়েছে। তবে চাইলে এটা হার্ডডিস্কেও ইনস্টল করা যায়, যার ইনস্টলার এর সাথেই দেয়া আছে। নপিক্সের বর্ণনা করার সাথে সাথে বোঝার সুবিধার্থে হালকা আর লাইভ বলে কী বুঝায় সেটাও ব্যাখ্যা করছি।&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;&lt;b style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt;"&gt;হালকা সিস্টেম&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;হালকা বলতে বুঝানো হচ্ছে যে এটা চালাতে রিসোর্স কম লাগে -- কম ক্ষমতার প্রসেসর এবং কম মেমরিতেও এগুলো চলে। তবে বেশ কিছু রিভিউয়ে নপিক্সকে দৈত্য বলা হয়েছে এর আকারের কারণে (ক্ষমতার কারণেও বলা হতে পারে&amp;nbsp;&amp;nbsp;&lt;img alt="dream" src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/dream.gif" style="border-color: rgb(221, 228, 235); border-width: 0px; font-size: 12pt; max-width: 100%; vertical-align: text-top;" title="dream" /&gt;&amp;nbsp;)। আরও অনেকগুলো হালকা অপারেটিং সিস্টেম আছে যেগুলোর আকারও খুব ছোট। একটা অপারেটিং সিস্টেমকে যত বেশি সুবিধাজনক করার চেষ্টা করা হবে সেটার আকার এবং চাহিদা তত বাড়তে থাকবে। তাই হালকা অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে মূলধারার অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অনেক সুবিধাকেই ছাড় দিতে হয়। একটা মূলধারার অপারেটিং সিস্টেম লাইভ চালাতে ৩৮৪ মেগাবাইট মেমরি লাগে, আর এর ব্রাউজার, অফিস সহ অন্য নিত্য ব্যবহার্য সফটওয়্যারসহ চালাতে অন্তত ৫১২ মেগাবাইট ড়্যাম রিকমেন্ড করা হয়। আমার বাসার পিসিটাতে প্রসেসর সেলেরন ডি (পেন্টিয়াম ৪ এর তূল্য) আর মেমরি ৫১২ মেবা - এতে খুব চমৎকার ভাবেই আমি ও আমার পরিবারের লোকজন উবুন্টুতে সমস্ত কাজ করছি।&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;প্রথমেই যে জিনিষটা হালকা সিস্টেমগুলোতে আলাদা বা ছাড় দেয়া হয়েছে সেটা হল গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস বা ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট; ভয়ের কিছু নেই এতে DOS এর মত টেক্সট বা কমান্ড লাইন ভিত্তিক কিছু দেয়া হয় না, বরং এতেও মূলধারার মতই একই রকম দেখতে একটা গ্রাফিকাল ইন্টারফেস দেয়া হয়। তবে সেই ইন্টারফেসে অনেক ধরণের অপশন বা সুবিধা মূলধারার ইন্টারফেসের তুলনায় কম থাকে। কম সুবিধা নিয়ে কাজ করতে হয় বলে এগুলো কম রিসোর্সে অনায়েসেই চলে। উইন্ডোজে ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্টে উইন্ডো ম্যানেজার হল এক্সপ্লোরার, একই সাথে ফাইল ব্রাউজারও এক্সপ্লোরার এমনকি ইন্টারনেট ব্রাউজারও এক্সপ্লোরার&amp;nbsp; -- এজন্যই কখনো ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার চালু না হলে, ফাইল ব্রাউজারের এড্রেস বারে ওয়েব ঠিকানা লিখে দিলেই সেটাই ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারে রূপ নেয়। এক্সপির ক্ষেত্রে এর নাম ছিল লুনা, উইন্ডোজ সেভেনে সেটার নাম এ্যারো; আবার ম্যাকেরটার নাম অ্যাকোয়া। লিনাক্সের মূলধারার ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট হল গনোম (gnome), উবুন্টুতে এর মধ্যে নটিলাস নামক ফাইল ম্যানেজার ব্যবহৃত হয়। আবার কুবুন্টুতে KDE বা K Desktop Environment ব্যবহৃত হয়, যা অনেক বেশি ফীচার সম্পন্ন এবং এর মেমরি চাহিদাও বেশি। হালকা এনভায়রনমেন্টের মধ্য XFCE, LXDE, ROX, Ambient ইত্যাদি রয়েছে। নপিক্সে LXDE ব্যবহৃত হয়েছে, এর ফাইল ম্যানেজার বা ব্রাউজার হল: PCManFM। আরো হালকা পাপ্পি লিনাক্সে ROX ব্যবহৃত হয়।&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;অপর যেই মূল জিনিষটাতে ছাড় দেয়া হয় সেটা হল অফিস সফটওয়্যার। পূর্ণ ফীচার সম্পন্ন লিব্রে অফিসের বদলে হালকা সিস্টেমগুলোতে কম ফীচার সম্পন্ন টেক্সট বা ডকুমেন্ট এডিটর ও স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম দেয়া হয়। ঠিক এই কারণেই হালকা সিস্টেমগুলো আমার ক্লাসরুমে বা পিসিতে ব্যবহার করতে ইচ্ছা করে না। কারণ আমার কাজের ধরণের জন্য মূল কাজগুলো এই অফিস সফটওয়্যার নির্ভর, তাই সেটাতে পূর্ণ শক্তি চাই আমার। নপিক্সে এই ব্যাপারটায় ছাড় দেয়নি, পূর্ণ শক্তির লিব্রে অফিস দেয়া হয়েছে, যা লাইভ সিস্টেম থেকেও ব্যবহার করা যায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;আমার নিজের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে এবং লেখাটাকে সহজপাচ্য রাখার জন্য বিস্তারিত কিছু লিখলাম না। ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে উইকিপিডিয়াতে এই সংক্রান্ত পৃষ্ঠাটি দেখতে পারেন (&lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Desktop_environment" rel="nofollow" style="border-color: rgb(221, 228, 235); color: #00579c; font-size: 12pt;" target="_blank"&gt;http://en.wikipedia.org/wiki/Desktop_environment&lt;/a&gt;)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;&lt;b style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt;"&gt;লাইভ মোড&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;লাইভ সিডি কী সেটা আপনার জানা থাকলে এই অংশটা বাদ দিয়ে পড়তে পারেন।&lt;br /&gt;লাইভ মোড হল লাইভ সিডি বা লাইভ ইউএসবি থেকে একটা সিস্টেমকে ইনস্টল না করেই চালানো। হার্ডডিস্কে কোন কিছু ইনস্টল না করেই এক্ষেত্রে সিডি, ডিভিডি বা পেনড্রাইভ থেকে একটা অপারেটিং সিস্টেমকে চালানো হয়। অপারেটিং সিস্টেমটি এজন্য তার প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ফাইলগুলো কম্পিউটারের মেমরি বা RAMএ কপি করে নেয়, এবং সেখান থেকেই চলে, হার্ডডিস্কে একটি আঁচড়ও ফেলে না। লিনাক্সের বেশিরভাগ ডিস্ট্রিবিউশন বা অপারেটিং সিস্টেমর সিডি, ডিভিডই এই সিস্টেমে করা হয় যেন ইনস্টলের ঝামেলায় না গিয়েই কৌতুহলী কেউ এটা সম্পর্কে জানতে পারে। তাই লাইভ সিডির অর্থ দাঁড়ায় - এটা জীবিত এবং নিজে নিজেই সবকিছু করতে পারে :p।&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;লাইভ সিস্টেমগুলো শুধু সিডিতেই হয় তা নয়, এগুলো বড় আকার হলে ডিভিডিতে নেয়া যায়। আবার পেনড্রাইভ এবং ফ্লাশ মেমরি কার্ডও লাইভ বুটেবল করা যায়। এমনকি একটি পেনড্রাইভে একত্রে অনেকগুলো লাইভ অপারেটিং সিস্টেমও রাখা যায়। মেমরি ড্রাইভে এটা নেয়ার সুবিধা হল, দরকার না হলে এটা মুছে অন্য কাজে ব্যবহার করা যায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;লাইভ সিস্টেমের সুবিধা হল,&amp;nbsp;&lt;/div&gt;&lt;ul style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px 0.5em 2em; text-align: left;"&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;ইনস্টল না করেই একটা অপারেটিং সিস্টেমে কী আছে আর কী নাই সেটা বোঝা যায়, ফলে এটা আমার প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম কি না সেটা ইনস্টল না করেই চালিয়ে দেখে নেয়া যায়।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;হার্ডডিস্ক ছাড়াই কম্পিউটার চালানো যায়। হার্ডডিস্ক কোন কারণে নষ্ট হয়ে গেলেও নতুন হার্ডডিস্ক ক্রয়ের আগ পর্যন্ত এভাবে কাজ চালানো যাবে।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;কিংবা পাসওয়র্ডের কারণে কোন কম্পিউটার খুলতে না পারলে লাইভ বুট করে সেটা দিয়ে আপনার কাজ করতে পারেন (মেইল চেক, ডকুমেন্ট লেখালেখি, কাউকে আপনার করা কাজের ফাইল দেখানো ইত্যাদি)&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;ভাইরাস বা অন্য কোনো কারণে একটা কম্পিউটার হার্ডডিস্ক থেকে চালু হতে না পারলে, লাইভ সিডি বা ইউএসবি থেকে বুট করে এটার হার্ডডিস্কে থাকা জরুরী ফাইল অন্য মিডিয়াতে কপি করে আনা যায়। দরকার হলে হার্ডডিস্কে থাকা অপ্রয়োজনীয় ফাইল বা ভাইরাসও মুছে ফেলা যায়।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;কারো পেনড্রাইভে প্রয়োজনীয় ফাইলের সাথে চুপিসারে ভাইরাস আসছে এমন আশংকা করলে আর নিজের এন্টিভাইরাসে ভরসা না থাকলে, লাইভ লিনাক্স বুট করে তারপর সেই পেনড্রাইভ থেকে জরুরী ফাইল কপি করে নেয়া যায়, আবার ভাইরাস ফাইল দেখলেও ওগুলোকে দেখে দেখে মুছে ফেলা যায়। (আমি আগে অফিসে বাধ্য হয়ে উইন্ডোস ব্যবহারের সময় এই কাজ করতাম)&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;কোনো কম্পিউটারের ম্যালওয়্যার আপনার সংবেদনশীল ডেটা, পাসওয়র্ড এসব চুরি করছে এমন আশংকা করলে, লাইভ সিডি থেকে বুট করে কাজ করে সেই আশংকা মুক্ত হওয়া যায়। (কিছু অনলাইন ব্যাংকিং‌-এর জন্য এমন লাইভ সিডি দেয়ার কথা শুনেছিলাম)&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;লাইভ সিস্টেমের কিছু অসুবিধাও রয়েছে:&lt;/div&gt;&lt;ul style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px 0.5em 2em; text-align: left;"&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;এটা যেহেতু সিডি বা ডিভিডি থেকে প্রোগ্রাম চালু করে, তাই একটু ধীরগতির হয়। কারণ সিডি থেকে ডেটা ট্রান্সফারের হার হার্ডডিস্ক থেকে ডেটা ট্রান্সফারের অন্তত ১৫ ভাগের একভাগ। এছাড়া ঐ প্রোগ্রামগুলো কম্প্রেস অবস্থায় থাকে, ডেটা ট্রান্সফারের পর সেগুলোকে আবার ডিকম্প্রেস করে তবেই ব্যবহার করে। সিডি থেকে ডেটা ট্রান্সফারের সময়টা ইউএসবি বুটেবল করলে কমিয়ে আনা যায়, তবে ডিকম্প্রেস করার সময়টাকে এড়ানো সম্ভব হয় না এতেও।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;সাধারণত সিস্টেমের কাস্টমাইজেশন সংরক্ষিত হয় না। অবশ্য পেনড্রাইভ বুটেবল করলে নিজের সেটিংসগুলো সংরক্ষণ করা যায়।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;নপিক্সের অন্য সুবিধাসমূহ&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হালকা ডেস্কটপ এনভায়রনমেন্ট হওয়ার পরেও পূর্ণশক্তির অফিস সফটওয়্যার থাকাতে নপিক্সকে আমার বেশ পছন্দ। কারণ এতে করে দূর্বল পিসিতেও এখন সম্পুর্ন প্রয়োজন মেটাতে পারছি। আর বাড়তি হিসেবে এর লাইভ সিডিতেই দারুন সব গ্রাফিকাল ইফেক্ট চালু অবস্থায় থাকে। ক্লাসরুমে এই ঝাকানাকা গ্রাফিকেল ইফেক্ট দেখেই কিছু ছাত্র আমার কাছ থেকে এটা সংগ্রহ করে নিয়ে গিয়েছে। এছাড়া এটাতে মাল্টিমিডিয়া চালানোর কোডেকগুলো দেয়া থাকে, ফলে অতিরিক্তি কিছু ডাউনলোড বা ইনস্টল না করেই সাধারণ গান বা মুভি চালানো যায়।&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;নপিক্সের যেই সফটওয়্যারগুলো এর লাইভ সিডিতেই দেয়া থাকে তার কয়েকটা হল এমন:&lt;/div&gt;&lt;ul style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px 0.5em 2em; text-align: left;"&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;অফিস: লিব্রে অফিস - লেখালেখি, হিসাব নিকাশ, প্রেজেন্টেশন, আঁকাআঁকি, ডেটাবেস সবগুলো কাজই করা যায় অনায়েসে। মাইক্রোসফট অফিসের ফাইলগুলোও এতে খোলা ও এডিট করা যায়। এছাড়া সরাসরি পিডিএফ বানাতে পারা লিব্রে অফিসের পুরাতন একটা দারুন বৈশিষ্ট।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;ব্রাউজার: ক্রোমিয়াম - দারুন এই ব্রাউজারটা সম্পর্কে বেশি কিছু বলার প্রয়োজন নাই।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;গ্রাফিক্স:&amp;nbsp; গিম্প - গ্নুহ ইমেজ ম্যানিপুলেশন প্রোগ্রাম বা গিম্প হল ছবি এডিট করার জন্য দারুন একটা সফটওয়্যার। ছোটখাট এডিটিংএর কাজ করার জন্য এটা ফটোশপের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। এর ইন্টারফেসটাও ফটোশপের মত।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;সিডি ডিভিডি রাইটার:&amp;nbsp; ব্রাসেরো নামের সফটওয়্যারটা দেয়া আছে।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;মাল্টিমিডিয়া: গনোম প্লেয়ার, যা অডিও ও ভিডিও চালাতে পারে। এছাড়া শব্দ মিশানোর জন্য অমিক্স নামে একটি সরল মিক্সার দেয়া আছে।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;মেসঞ্জার: পিজিন - এটা দিয়ে একই সাথে ইয়াহু, গুগল সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় মেসেঞ্জারের সাথে সংযুক্ত হয়ে চ্যাট করা যায়।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;এছাড়া উইন্ডোজের প্রোগ্রাম রান করার জন্য এতে wine নামক একটা প্রোগ্রাম দেয়া আছে।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;ডিস্ক পার্টিশনিঙের জন্য জিপার্টেড। IP ট্রাফিক অ্যানালাইজার ইত্যাদি সহ অনেক দারুন সফটওয়্যার দেয়া আছে এতে -- যার বেশিরভাগই আমি ব্যবহার করি না ;-p ।&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;অনেকদিন পর আমার দূর্বল নেটবুকটাকে খুব সাবলিলভাবে চলতে দেখছি এই নপিক্সের কল্যানে। আমি অবশ্য হার্ডডিস্কে ইনস্টল করে নিজের মত করে সাজিয়ে নিয়েছি। এই লেখাটিও নপিক্সে বসেই লেখা। এর একটা স্ক্রিনশট দেখুন:&lt;br /&gt;&lt;span class="postimg" style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt;"&gt;&lt;img alt="https://lh6.googleusercontent.com/-bb7OG0Jm8wI/TlnGiqyaqqI/AAAAAAAABAw/f1F7W4kvPec/s640/Knoppix%252520on%252520my%252520netbook.jpeg" src="https://lh6.googleusercontent.com/-bb7OG0Jm8wI/TlnGiqyaqqI/AAAAAAAABAw/f1F7W4kvPec/s640/Knoppix%252520on%252520my%252520netbook.jpeg" style="border-color: rgb(221, 228, 235); border-width: 0px; font-size: 12pt; max-width: 100%; vertical-align: text-top;" /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;আমার নেটবুক হল HP mini 1001TU এটম n470 প্রসেসর, ১ গিগা ড়্যাম।&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;তবে নপিক্স চালানোর জন্য কমপক্ষে যেই ক্ষমতা লাগবে তা হল:&lt;/div&gt;&lt;ul style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px 0.5em 2em; text-align: left;"&gt;&lt;li style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0px; text-align: left;"&gt;ইন্টেল কম্পাটিবল প্রসেসর (i486 অথবা পরেরগুলো)&lt;br /&gt;৩২ মেবা RAM এ এটা টেক্সট মোডে চলবে। কমপক্ষে ৬৪ মেবা লাগবে LXDE গ্রাফিক্স মোডে চালানোর জন্য (অন্য অফিস প্রোগ্রাম চালানোর জন্য কমপক্ষে ১২৮ মেবা ড়্যামের সুপারিশ করা হয়।)&lt;br /&gt;বুটযোগ্য সিডি রম ড্রাইভ, কিংবা একটা বুট ফ্লপি এবং সাধারণ সিডিরম(IDE/ATAPI or SCSI)&lt;br /&gt;আদর্শ SVGA-কম্পাটিবল গ্রাফিক্স কার্ড&lt;br /&gt;সিরিয়াল বা PS/2 মাউস বা IMPS/2-কম্পাটিবল USB-মাউস&lt;/div&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;&lt;b&gt;ডাউনলোড&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;বেশিভাগ লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশনের মতই নপিক্স একটি ফ্রী অপারেটিং সিস্টেম। এটা ডাউনলোড করতে পারেন এখান থেকে (৬৯৭মেবা):&lt;br /&gt;বিট টরেন্ট:&amp;nbsp;&lt;a href="http://torrent.unix-ag.uni-kl.de/" rel="nofollow" style="border-color: rgb(221, 228, 235); color: #00579c; font-size: 12pt;" target="_blank"&gt;http://torrent.unix-ag.uni-kl.de/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;কিংবা:&amp;nbsp;&lt;a href="http://www.knopper.net/knoppix-mirrors/index-en.html" rel="nofollow" style="border-color: rgb(221, 228, 235); color: #00579c; font-size: 12pt;" target="_blank"&gt;http://www.knopper.net/knoppix-mirrors/index-en.html&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 0.5em 0px; text-align: left;"&gt;&lt;b&gt;সরাসরি সিডি বা সফটকপি সংগ্রহ&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;FOSSBD থেকে আমরা কিছু নপিক্স সিডি রাইট করিয়েছি। সেটা সংগ্রহ করতে চাইলে(২০ বা ২৫ টাকা লাগবে) কিংবা সফট কপি নিজের পেনড্রাইভে নিতে চাইলে আমার বা contact এট fossbd.org সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।&lt;br /&gt;&lt;span class="postimg" style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt;"&gt;&lt;img alt="https://lh5.googleusercontent.com/-elpF1cJTj30/TloUF4wP3SI/AAAAAAAABBQ/xNWl8j96EaQ/s800/knoppix_cd.jpg" src="https://lh5.googleusercontent.com/-elpF1cJTj30/TloUF4wP3SI/AAAAAAAABBQ/xNWl8j96EaQ/s800/knoppix_cd.jpg" style="border-color: rgb(221, 228, 235); border-width: 0px; font-size: 12pt; max-width: 100%; vertical-align: text-top;" /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="sig-content" style="border-color: rgb(221, 228, 235); font-size: 12pt; margin: 0px; padding: 1em 0px 0px; text-align: left;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-5068350017756380669?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/5068350017756380669/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=5068350017756380669' title='4টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/5068350017756380669'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/5068350017756380669'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/08/blog-post_28.html' title='বহুদিন যাবৎ নপিক্স চালিয়ে বেশ মজা পাচ্ছি'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='https://lh6.googleusercontent.com/-bb7OG0Jm8wI/TlnGiqyaqqI/AAAAAAAABAw/f1F7W4kvPec/s72-c/Knoppix%252520on%252520my%252520netbook.jpeg' height='72' width='72'/><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-8019904553316304720</id><published>2011-08-21T10:38:00.001+06:00</published><updated>2011-08-21T10:42:37.243+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইভেন্ট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>"লিনাক্স ডে - ২০১১" - বাংলাদেশ, কুড়ি বছর পূর্তির উৎসব আয়োজন</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;লিনুস টোরভাল্ড নামক একজন দুষ্টু ছাত্র সেই সময়ে জানতো না যে তার এই দুষ্টামীর ফলে বৈপ্লবিক কিছু ঘটে যাবে ২০ বছর পর। সে এটাও জানতো না যে 'ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ' নামে একটি দুষ্টু সংগঠন ২০১১ সালে তার দুষ্টামীর জন্মদিন পালন করার নিয়ত করবে। ঐ দুষ্টু লোকটি আরও জানতো না যে সেই জন্মদিন আবার রোজা রমজানের দিনে পড়বে। জানলে নিশ্চয়ই ঈদের পরের কোন তারিখে সেই দুষ্টামি রিলিজ দিত। অবশ্য তাতেও শেষরক্ষা হত না, কারণ কোনো না কোনো বছর সেটা রোজা রমজানের দিনে পড়তোই, কারণ আরবী চন্দ্রবর্ষ ধরে যেই ক্যালেন্ডার সেটা প্রচলিত গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারের চেয়ে সাধারণত ১১ দিন কম থাকে - তাই প্রতিবছরই রোজা বা ঈদগুলো ১১ দিন করে এগিয়ে আসে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুষ্টু ছাত্রটি তার স্যারের দেয়া অপারেটিং সিস্টেমের কার্নেল নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল। এ আর এমন কি! .... এরকম অসন্তুষ্ট তো আমরা হর-হামেশাই হই। স্কুল, কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যারদের দেয়া বাঁশগুলো রাখার মত জায়গা থাকে না; তা-ও ভদ্রতা করে হাসিমুখে নিয়ে ফেলি। কিন্তু এই দুষ্টু ছাত্র করলো কি, সেটা নিতে রাজি হল না। শুধু নারাজি হল তা-ই না, ব্যাটা নিজেই একটা কার্নেল লিখে ফেললো। লেখার পার্টটা আমরা সবাই কম বেশি পারি, কিন্তু এটা একটা কার্নেল, যা কিনা অপারেটিং সিস্টেমের প্রাণ ভোমরা। ঐ দুষ্টু ছাত্র অবশ্য এই অপারেটিং সিস্টেম নিয়েই লেখাপড়া করতেছিলো - তাই হয়তো এরকম দুষ্টামি করা ওর জন্য সহজ হয়ে গিয়েছিল। হুহ্ ... ... নাইলে আমিও ঐ রকম কিছু একটা কইরে ফেলতাম। তবে চরম দুত্তু লিনুস সেই সুযোগও দিতে চায় নাই অন্যদের -- তাই তার লেখা সেই কার্নেলটা সকলের জন্য উন্মুক্ত করে দিল। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উন্মুক্ত কার্নেল পেয়ে দুনিয়ার অন্য দুষ্টু আর বোকাগুলো করলো কি, সেটাকেই আরো শক্তিশালী করার জন্য এইটা সেইটা কোডিং যোগ করতে লাগলো। ফলে সেই কার্নেলটা আস্তে আস্তে শয়তানের মত শক্তিশালী হয়ে উঠলো। পরবর্তীতে সেটা নিয়ে লুকজন সার্ভারের ব্যবসা করে রমরমা হইলো -- দুনিয়ায় এখনো বেশিরভাগ ইন্টারনেট সার্ভার লিনুস দুষ্টুর সেই শয়তান সিস্টেম, যেটার নাম লিনাক্স, দিয়ে চলে। পরে আরো কিছু খারাপ লোক এইটা দিয়ে ডেস্কটপও সহজ করে বানিয়ে ফেললো ... .... &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উফ্ ....টাইপ করতে করতে হাত ব্যাথা হয়ে গেছে। যাই, চা খেয়ে আসি .... ওহহো কেমনে কি! রোজা রমজান বলে কথা! -- চা খাওয়াও যাবে না এখন। বাকী কাহিনী জানতে চাইলে অনুষ্ঠানে আইসেন। এইবার ঘটনাটা এবার একটু অফিসিয়াল ভাষায় দেই:====&lt;br /&gt;&lt;b&gt;"লিনাক্স ডে - ২০১১" - বাংলাদেশ, কুড়ি বছর পূর্তির উৎসব আয়োজন।&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;১৯৯১ সালের ২৫শে আগস্ট, হেলসিংকি বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য প্রযুক্তির এক ছাত্র লিনুস টরভ্যাল্ডস ঘোষনা দেন উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক কার্নেল “লিনাক্স” রিলিজের। সেই থেকে আজ অবধি লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম সারা বিশ্বের সার্ভারের জগৎটা দাপিয়েই বেড়াচ্ছে। কিন্তু লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমগুলো এখন আর শুধুই সার্ভারের জগতেই সীমাবদ্ধ নয়। এই বিষয়টা প্রযুক্তিপ্রেমী সব বাংলাদেশী কে জানাতে, বোঝাতে এবং ডেক্সটপ দুনিয়ায় লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের বীরত্বপূর্ণ সাফল্য গাঁথার কিছু ইতিহাস সবার সামনে তুলে ধরার লক্ষ্যে ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ (Foundation for Open Source Solutions Bangladesh) বা সংক্ষেপে এফওএসএস বাংলাদেশ (FOSS Bangladesh) এবছরে লিনাক্সের ২০ তম জন্মবার্ষিকীতে “লিনাক্স ডে – ২০১১” উদযাপন করতে যাচ্ছে। আপনি যদি প্রযুক্তিপ্রেমী হোন এবং লিনাক্স সম্পর্কে জানতে আগ্রহী থাকেন তো চলে আসুন আমাদের এ আয়োজনে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;আয়োজনের তারিখ ও সময়:&lt;/b&gt; ২৫ শে আগস্ট, ২০১১ইং, বৃস্পতিবার। সকাল ১০টা থেকে শুরু হবে এ আয়োজন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;আয়োজন স্থল:&lt;/b&gt; ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র বা টিএসসি (লবি ও গেমস রুম), ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;আয়োজনের বিস্তারিত সূচী:&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;১। সকাল ১০টায় ব্যানার-ফেস্টুন সহ পদযাত্রা/শোভাযাত্রা শাহবাগের পাবলিক লাইব্রেরীর সামনে থেকে শুরু হয়ে, রাজু ভাস্কর্য, শহীদ মিনার হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি’র পাখি চত্বরে এসে শেষ হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২। সকাল সাড়ে দশটা থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী টিএসসির করিডোর আর লবিতে বিভিন্ন ধরনের লিনাক্স ডিস্ট্রোর ইতিহাস আর চিত্রসহ ডঙ্গল, ফেস্টুন, ব্যানার নিয়ে প্রদর্শনী চলবে এবং এ আয়োজন সবার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৩। আরো থাকছে ওপেন সোর্স এবং লিনাক্স নিয়ে আমাদের এবং দেশী-বিদেশী বিভিন্ন সংগঠনের সেবামূলক কাজকর্মের ভিডিও চিত্র প্রদর্শনী, দিনব্যাপী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৪। বিকাল ৪টা থেকে শুরু হবে আমন্ত্রিত অতিথি ও দশর্কদের মাঝে মত বিনিময় এবং আলোচনা অনুষ্ঠান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৫। এছাড়াও আয়োজনস্থলে বিভিন্ন জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রোগুলোর পেনড্রাইভ বা পছন্দের মিডিয়াতে অথবা সিডি/ডিভিডিতে বিতরনের ব্যবস্থা থাকবে।&lt;br /&gt;====&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি আসতেছেন এইটা আগে থেকেই জানাতে চাইলে &lt;a href="https://docs.google.com/spreadsheet/viewform?formkey=dHVzbjVKWlJ0MEwwTVc1eG9STEJFYUE6MQ"&gt;অনলাইন রেজিস্ট্রেশন করতে পারেন এখানে ক্লিক করে&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঐদিন টিএসসি বন্ধ থাকে। তাই ইফতার করতে চাইলে আশেপাশের ডাস ও অন্যান্য জায়গায় যেতে হতে পারে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-8019904553316304720?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/8019904553316304720/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=8019904553316304720' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8019904553316304720'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8019904553316304720'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/08/blog-post.html' title='&quot;লিনাক্স ডে - ২০১১&quot; - বাংলাদেশ, কুড়ি বছর পূর্তির উৎসব আয়োজন'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-8016017886297183874</id><published>2011-07-13T07:16:00.000+06:00</published><updated>2011-09-06T21:19:41.256+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইভেন্ট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>এবার সিলেটে পেঙ্গুইন মেলা (১৫-জুলাই-২০১১)</title><content type='html'>পাইরেসির কালিমামুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্যে লিনাক্স ও ওপেন সোর্স ভিত্তিক  সফটওয়্যারকে ছড়িয়ে দেয়ার প্রত্যয়ে ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস  বাংলাদেশ (এফওএসএস বাংলাদেশ) এর আয়োজনে ও সিলেটের মেট্রোপলিটান  ইউনিভার্সিটির সহযোগীতায় লিনাক্স ও উন্মুক্ত সোর্স ভিত্তিক সফটওয়্যার ও  সেবাসমূহ নিয়ে জনসচেতনতামূলক আয়োজন ''পেঙ্গুইন মেলা - ২০১১'' অনুষ্ঠিত হবে  আগামী ১৫ই জুলাই ২০১১ইং, শুক্রবারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;'পেঙ্গুইন মেলা - ২০১১'র সিলেট  বিভাগীয় এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে সিলেটের জিন্দাবাজারে (আলহামরা) অবস্থিত  মেট্রোপলিটান ইউনিভার্সিটির সম্মেলন কক্ষে। উক্ত অনুষ্ঠানে পাইরেসি,  ওপেনসোর্স ও লিনাক্স বিষয়ে আলোচনার পাশাপাশি আরো রয়েছে আগত দর্শকদের সাথে  মতামত বিনিময় ও আলোচনার সুযোগ। এছাড়া অনুষ্ঠানস্থল থেকে ওপেনসোর্সড থ্রি-ডি  গেমসহ লিনাক্স মিন্ট ১০ জুলিয়া'র সংকলিত ডিভিডি সংগ্রহ করা যাবে। এছাড়া  ইউএসবি মেমরি কার্ডেও লিনাক্সের সিডির সফটকপি সংগ্রহ করা যাবে। ২০ টাকা  রেজিস্ট্রেশন ফি দিয়ে অনুষ্ঠানের দিন উক্ত স্থানেই রেজিষ্ট্রেশন করার  মাধ্যমে আগ্রহী যে কেউই এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে পারবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;====&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;অনুষ্ঠানের শিরোনামঃ&lt;/strong&gt; "পেঙ্গুইন মেলা - ২০১১" সিলেট বিভাগ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আয়োজকঃ&lt;/strong&gt; ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;সহযোগীতায়ঃ&lt;/strong&gt; তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, মেট্রোপলিটান বিশ্ববিদ্যালয়, জিন্দাবাজার, সিলেট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;তারিখ ও সময়ঃ&lt;/strong&gt; ১৫ই জুলাই ২০১১, রোজ শুক্রবার। বিকাল ৩:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৬:৩০ মিনিট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;আয়োজন স্থলঃ&lt;/strong&gt; মেট্রোপলিটান বিশ্ববিদ্যালয়ের সেমিনার কক্ষ, জিন্দাবাজার, সিলেট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span class="bbu"&gt;&lt;strong&gt;অনুষ্ঠানের বিস্তারিত সূচীঃ &lt;/strong&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;লিনাক্স পরিচিতি, ইনস্টলেশন ও ব্যবহার&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp;(বিকাল ৩:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৫:০০ মিনিট)&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; =&amp;gt; লিনাক্স পরিচিতি&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; -- ৩০ মিনিট&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &lt;br /&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; =&amp;gt; লিনাক্স মিন্ট পরিচিতি&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; -- ৩০ মিনিট&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; =&amp;gt; লিনাক্স মিন্ট ইন্সটল ও কনফিগার করা&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;-- ৩০ মিনিট&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &lt;br /&gt;&lt;strong&gt;চা-বিরতি&lt;/strong&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; -- ৩০ মিনিট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;strong&gt;সমস্যা সমাধান&lt;/strong&gt;&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp;(বিকাল ৫:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৬:৩০ মিনিট)&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; =&amp;gt; দর্শকের অংশগ্রহনে আলোচনা&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; -- ৩০ মিনিট&lt;br /&gt;&amp;nbsp; &amp;nbsp; =&amp;gt; প্রশ্নোত্তর ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধান&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;-- ৩০ মিনিট&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;===&lt;br /&gt;দেখা হবে সিলেটে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-8016017886297183874?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/8016017886297183874/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=8016017886297183874' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8016017886297183874'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8016017886297183874'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/07/blog-post.html' title='এবার সিলেটে পেঙ্গুইন মেলা (১৫-জুলাই-২০১১)'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-3574229649508970324</id><published>2011-06-16T14:40:00.000+06:00</published><updated>2011-06-16T14:40:28.733+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আগডুম বাগডুম'/><title type='text'>কাজ-কর্ম নিয়ে উর্বর(!) চিন্তাভাবনা</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;span style="color: blue; font-size: small;"&gt;ঢিসক্লেইমার: এই লেখাটা আমার উর্বর মস্তিষ্কের সাময়িক উত্তেজনা এবং কিছু দীর্ঘমেয়াদী উত্তেজনা হ্রাস করার উদ্দেশ্যে নামানো হয়েছে। কাজেই ইহার কোন তথ্যসূত্র চাইলে নিজ দায়িত্বে খুঁজিয়া লইতে হইবেক -- আমার মনে হয়, এর সূত্রগুচ্ছগুলোর কিছু অংশ আমার তথাকথিত উর্বর মস্তিষ্কে জটা পাকাইয়া রহিয়াছে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যদি বলা হয় কী কাজ কর? তাহলে আমার মেয়ে হয়তো বলবে "কুকুল দেখি' -- আসলেই সে ইউটিউবে চালিয়ে রাখা কুকুরের ঘেউ ঘেউ দেখছে। কিন্তু আমাকে জিজ্ঞেস করলে আমার প্রতিষ্ঠান আর পদবী বলবো হয়তো। অর্থাৎ কাজ বলতে আমি চাকুরী বাকুরীকেই বুঝিয়ে থাকি -- এই কাজের বিনিময়ে আমি বেতন পাই। এই লেখার পয়েন্ট অব ভিউ হল, যেই কাজ কোন না কোন ভাবে সমাজে অবদান রাখে। ... ... নাহ্ ঠিক মনমত হল না ... ... আরেকবার একটু গুছিয়ে শুরু করার চেষ্টা করি:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার মেয়ের বয়স ১বছর ৮মাস ৭ দিন। ওর কাজ হিসেবে "কাপল ধুই' কিংবা "কাক দেখি' ঠিক আছে বলেই মনে হয়। আবার এর চেয়ে একটু বড় হলে ওকে স্কুলে পাঠাতে হবে -- তখন কাজ হবে লেখাপড়া শেখা এবং তার সাথে সাথে অন্য মানবীয় গুণাবলীর বিকাশ ঘটানো। আমার মাঝে মাঝে মনে হয়, অন্য প্রাণীদেরকে তো এ্যাত কঠিন স্কুল লাইফ পার করতে হয় না, আমাদের হয় কেন? কেন এই শৃঙ্খলা, কেন আমরা অন্য প্রাণীদের মত পারি না? এই প্রশ্নের একটা সুন্দর উত্তর হয়তো আছে ... ... । সেটা যাই হোক মোটা দাগে মনে হয়, বড় বা এডাল্ট হওয়ার আগে আমরা শিশু, কিশোরদেরকে সংসারের বৃহৎ কর্মযজ্ঞে প্রবেশের জন্য উপযুক্ত করে গড়ে তোলার চেষ্টা করি -- তাই শিক্ষার মাধ্যমে তাঁর মধ্যে কোন একটা দক্ষতা বা স্কিল উন্নয়নের চেষ্টা হয়। তাহলে ব্যাপারটা হল -- সেই কর্মযজ্ঞটাই হল আসল কাজ, আর আগেরগুলো কাজ হলেও সেটা সেই আসল কাজের পূর্বপ্রস্তুতি!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আর এই আসল কাজ বলি সেগুলোকেই যেগুলোর বিনিময়ে আয় উপার্জন হয় এবং যা সমাজব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ভাল বা পজিটিভ অবদান রাখে। কে কী কাজ করে বা একটা সমাজে বা দেশে বা এলাকায় কাজের অবস্থা কী, এসব পরিসংখ্যান বা অর্থনৈতীক হিসাব কিতাবে আমরা তাই "কুকুল দেখা'কে গণ্য করি না কিন্তু "সকালে বাবা কাজে যায়' এটা হিসাবে ধরি। বেকারত্বের হিসাবের সময়েও এই ব্যাপারটাকেই উল্টাদিক থেকে হিসাব করি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চাকুরী বা ব্যবসা করা যে কাজ সেটা আমরা জানি, কিন্তু যদি একটু বোকার মত কিংবা বেশি চালাকের মত প্রশ্ন করি -- ভিক্ষা করা, চুরি করা কিংবা খেলাধুলা করা, কবিতা লেখা কি কাজ? এগুলো সম্পর্কে আমার কিছু বিচ্ছিন্ন চিন্তাভাবনা আছে। সেই চিন্তাভাবনাকে সরলীকৃত রূপে বলার জন্য কাজের বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞার সাহায্য নিতে পারি: &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিজ্ঞান বইয়ে পরেছিলাম: কাজ = বল x সরণ .... .... যদিও এই সংজ্ঞার মধ্যে বিরাট ফাঁক আছে সেটা একটু চিন্তা করলেই বোঝা যায় (আপেক্ষিক গতি স্খিতি + প্রাথমিক ও শেষ অবস্থা ইত্যাদি)। তাই সরাসরি এর গাণিতিক অর্থ নিয়ে মাথা ঘামাবো না। বল অর্থ কতটুকু ইফোর্ট বা প্রচেষ্টা দেয়া হচ্ছে, আর সরণ = বলে কতটুকু পরিবর্তন করছে সেটা ধরে নিলেই আমার তাত্ত্বিক বিশ্লেষনের জন্য যথেষ্ট হবে বলে মনে করি। তবে, আবার একটু মনে করিয়ে দেই, ইহা একটি তথাকথিত বিশ্লেষন অথবা চিন্তাভাবনা - যা মাথায় কুটকুট করছিল দেখে বের করে দিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;ভিক্ষা করা&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;সারাদিনে একজন ভিক্ষুকে ভিক্ষা সংগ্রহের জন্য যথেষ্ট পরিশ্রম করতে হয় এ ব্যাপারে কারো সন্দেহ থাকার কথা না। কিন্তু সেটা কি কোনো প্রোডাক্টিভ কাজ? এই কাজকে কি আমরা বিভিন্ন পরিসংখ্যানে গণ্য করি? প্রচেষ্টা বা পরিশ্রম এতে কম নয়, কিন্তু সরণ? এটা তো মনে হয় ঋণাত্নক। সমাজে এটা বিরক্তি ছাড়া কিছুই দেয় না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আচ্ছা, ভিক্ষুকদেরকে যদি একটা অপশন দেয়া হয়, যে সারাদিনে তারা একই পরিমাণ পরিশ্রম করবে এবং একই পরিমান ইনকাম করবে কিন্তু সেটা ভিক্ষা করে নয় - বরং একটা ভাল কাজ করে: সেটা কেমন হয়? একমাসে যা ভিক্ষা দেই সেটা সেই কাজ করার ফান্ডে দিয়ে রাখবো। এই কাজ কেমন হতে পারে সে জন্য একটা ব্রেইন স্টর্মিং দরকার, আর প্রয়োগের জন্য একটা আগ্রহী আর্গানাইজিং গ্রুপ দরকার। ব্রেইন স্টর্মিং এর শুরুতেই কিছু আইডিয়া দিয়ে রাখি:&lt;br /&gt;১। কোলে শিশু নিয়ে ভিক্ষা করে যে: বাসায় বাচ্চা রাখার কাজ।&lt;br /&gt;২। সাধারণ ভিক্ষুক: রাস্তায় বা অন্য কোনো পাবলিক প্লেস (স্টেশন, স্কুল) পরিষ্কার রাখার কাজ + ভোকাল: দয়া করে বা আল্লার ওয়াস্তে যেখানে সেখানে ময়লা ফেলবেন না।&lt;br /&gt;৩। বিকলাঙ্গ: অফিসের বিভিন্ন ইনফরমেশন বলবে -- যেমন: মানি অর্ডার করতে হলে ৪ নম্বর কাউন্টারে যান। ইত্যাদি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;চুরি ডাকাতি করা&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এই কাজ করতেও অনেক পরিশ্রম করতে হয়। আবার পদাধিকার বলেও কেউ কেউ বিনা পরিশ্রমে এই কাজ করে থাকেন। এগুলো কি কাজ?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;কবিতা বা অন্য সাহিত্য চর্চা&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এগুলো সমাজের জন্য অতি প্রয়োজনীয় উপাদান - সেটা অস্বীকারের কোন উপায় নাই। কিন্তু একজন লোক কখন কাজ হিসেবে এগুলোর কথা বলতে পারে? -- যখন কবিতা আবৃত্তি করে, গান গেয়ে, বা গল্প-কবিতা-উপন্যাস ইত্যাদি লিখে বই ছাপিয়ে বা নাটক সিনেমার স্ক্রিপ্টে দিয়ে উপার্জন করতে থাকে -- তাই তো! হুমায়ুন আহমেদ -- লেখক; কিন্তু আমি এই ব্লগ লেখা কি কাজ হিসেবে সহজেই বলতে পারি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;স্পোর্টস&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;কেউ যদি নিজের আনন্দের জন্য খেলাধুলা করেন তাহলেও কিন্তু সাপোর্টিং ইন্ডাস্ট্রির জন্য সেটা লাভজনক। কারণ খেলা এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট সরাঞ্জাম বিক্রি বাড়বে এতে। খেলাধুলা করা মানুষের কর্মদ্যোম ফিরিয়ে আনতে ভূমিকা রাখে। কিন্তু এটাকে কি আমরা কাজ বলি? কী কাজ করেন -- এমন প্রশ্নের জবাবে যদি বলা হয় ক্রিকেট খেলি - তাহলে বুঝতে হবে পেশাদার খেলোয়ার। শখের খেলা কিংবা অবসর বিনোদনের খেলাকে সাধারণত আমরা কাজ করা হিসেবে বলি না, তবে নিঃসন্দেহে সেটা কাজের অনুঘটক হিসেবে বেশ কার্যকর।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;কম্পিউটারে কাজ করা&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;এখানেও যদি উপার্জনের সাথে জড়িত করে চিন্তা করি তাহলে বেশ একটা ইন্টারেস্টিং ব্যাপার দাঁড়াবে। আমার জন্য অফিস সফটওয়্যার ব্যবহার কাজ - কারণ আমার লেকচার, প্রশ্নপত্র এবং প্রেজেন্টেশন বানাতে হয় চাকুরীর প্রয়োজনেই। মাঝে মাঝে সেই ডকুমেন্টগুলোতে গ্রাফিক্সের কাজ যথা: কিছু লোগো, কিছু ডিজাইন, কিছু ড্রইং লাগে। কিন্তু আমাকে গ্রাফিক্স ডিজাইনার বলা যাবে না। আমার গ্রাফিক্স, ডিজাইন বা ড্রইং দিয়ে উপার্জনক্ষম কোন পত্রিকা বা প্রকাশনা হয় না। ব্রাউজিং কোনো কোনো সময় কাজ -- কারণ, আমি এর দ্বারা প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাই যা লেকচার, প্রেজেন্টেশনে কাজে লাগে; পাশাপাশি জরুরী দাপ্তরিক ইমেইল, নোটিশ ইত্যাদিও এর মাধ্যমে পাই। তাই ব্রাউজিং কাজ। ব্লগিং, ফেসবুক আমার বিনোদন - এ থেকে উপার্জনক্ষম কোনকিছু এখন পর্যন্ত করিনি, তবে যারা ফেসবুকের অ্যাপস বানিয়ে উপার্জন করে তাঁদের জন্য ফেসবুক কাজের ক্ষেত্র বটে, আর ফেসবুক নির্মাতা বিজ্ঞাপন থেকে আয় করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন চেপে রাখা প্রশ্নটা করেই ফেলি -- কম্পিউটারে গেম খেলা কি কাজ? আমার তো গেমের নেশা প্রায়ই কাজে ব্যাঘাত ঘটায় ... তাই আমার ক্ষেত্রে এটা নেগেটিভ কাজ বা অকাজ। যদি এটা কাজ না হয় তবে, কোন সিস্টেমে যদি গেমিং অপশন তেমন শক্তিশালী না হয় তাহলে এটাকে অকাজের সিস্টেম বলাটা কতটুকু যুক্তিযুক্ত হবে? কিংবা শুধু গেমিং সুবিধা বেশি বলে একটা সিস্টেমকে বেশি কাজের বলা কতটুকু যুক্তিযুক্ত হবে? ... ... এখানে সুক্ষ্ণ বিভেদটা খেয়াল রেখে জবাব দিতে হবে - আমার জন্য যা কাজ না (হয়তো বিনোদন), সেটা অন্য কারো জন্য কাজ হতেও পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেষ পর্যন্ত কাজ নিয়ে চিন্তাভাবনার জট খুললো নাকি আরো বিষগিট্টু লাগলো সেটা নিয়েই চিন্তাভাবনা বাড়ালাম বলে মনে হয়।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-3574229649508970324?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/3574229649508970324/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=3574229649508970324' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/3574229649508970324'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/3574229649508970324'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/06/blog-post_16.html' title='কাজ-কর্ম নিয়ে উর্বর(!) চিন্তাভাবনা'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-6331036807412130818</id><published>2011-06-15T15:24:00.003+06:00</published><updated>2011-06-15T21:28:40.279+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আগডুম বাগডুম'/><title type='text'>আরো কত অবাক হওয়া বাকী কে জানে!</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;কয়েকদিন আগে টেকটিউনস নামক একটি ব্লগ সাইটে লিনাক্স নিয়ে একটা পোস্ট দিয়েছিলাম (বিচার মানি, তবে তালগাছ আমার)। সেখানের একটা মন্তব্যে একজন লিনাক্স সিডি জোগারের উপায় জানতে চেয়েছিলেন। আমি ওনাকে ঠিকানা দিতে বলে জানিয়েছিলাম পাঠিয়ে দেব। সেই অনুযায়ী ওনাকে (এবং আরো দুইজনকে) পরবর্তীতে লিনাক্স মিন্টের ডিভিডি কুরিয়ার করে পাঠিয়েছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশের লিনাক্স কমিউনিটিতে প্রচলিত প্রথা হল, এমন ক্ষেত্রে সিডির মূল্য আর কুরিয়ারের খরচটা পরবর্তীতে গ্রহীতা, প্রেরকের মোবাইলে ফ্লেক্সি, আইটপআপ ইত্যাদি করে দিয়ে দেন। তবে আমি শুরু থেকেই এরকম করি নাই। একবার অবশ্য নিয়েছিলাম। আমি বলি, আপনি ডিভিডি বা সিডি বুঝে পান, চালিয়ে দেখুন তারপর জানাবেন -- আমি কিভাবে মূল্য শোধ করবেন জানিয়ে দেব।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই পর্যায়ে আমি তাদেরকে যেটা বলার পরিকল্পনা করে রাখি এবং বলি, সেটা হল: আমাকে এর মূল্য পরিশোধের দরকার নাই; আপনি অন্য একজন সাহায্যপ্রার্থীকে এই একইরকম সাহায্য করবেন -- এতেই আপনার ঋন (!) শোধ হয়ে যাবে। কারণ শুধু আপনার আর আমার মধ্যে লেনদেন সীমাবদ্ধ না থেকে এটা তাহলে ছড়িয়ে পড়বে -- আর সমাজটা এভাবেই সামাজিক হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই ধারণাটা নতুন কিছু নয়। ছোটবেলায় বড়ভাইদের পকেটের উপর দিয়ে অনেক কিছুই পার করেছি -- তাদেরকে তো সেটা দেয়া যাবে না। আমি সেটা দেই ছোটভাইদেরকে। একইভাবে জুনিয়র কলিগ যদি আমার সাথে ক্যাবে বাসায় আসার পথে লিফট নেয়, তাঁকে বলি শেয়ারটুকু সঞ্চয়ে রাখো, আমি যেমন আগে বড়ভাইদের কাছ থেকে নিয়েছি তেমনি তোমাকেও সামনে ছোটভাইদেরকে দিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিদেশে যখন নতুন গেলাম, ওখানকার বড়ভাইরা অনেক সাহায্য করেছেন। আমিও যখন একটু পুরানা হলাম, নতুন আগতদেরকে সাহায্য করতাম। --- এভাবেই পারষ্পরিক ভাতৃত্ববোধ বাড়ে, এভাবেই চলা উচিত --- লেনদেনগুলো দুইপক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকাটা তাই আমার পছন্দ নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাক হলাম গতকাল। উনি আমাকে এক ব্যাগ আম পাঠিয়ে দিয়েছেন (জনাব আব্দুর রব সাহেব চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ)। সেই ছড়িয়ে দেয়ার মূলনীতি থেকে ব্যাপারটা একটু ভিন্ন হলেও আমি সত্যিই আপ্লুত। অন্তত এতে বাসায় - বনের মোষ তাঁড়ানোর জন্য প্রক্ষেপিত কটু কথাগুলো একটু হলেও কমবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পঠনের প্রায় ২০ বছর পর নতুন করে এই কবিতাটার মর্মার্থ উপলব্ধি হচ্ছে &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;The Arrow and the Song&lt;/b&gt;&lt;br /&gt;- &lt;span style="font-size: x-small;"&gt;Henry Wadsworth Longfellow&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;I shot an arrow into the air,&lt;br /&gt;It fell to earth, I knew not where;&lt;br /&gt;For, so swiftly it flew, the sight&lt;br /&gt;Could not follow it in its flight.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;I breathed a song into the air,&lt;br /&gt;It fell to earth, I knew not where;&lt;br /&gt;For who has sight so keen and strong,&lt;br /&gt;That it can follow the flight of song?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;Long, long afterward, in an oak&lt;br /&gt;I found the arrow, still unbroke;&lt;br /&gt;And the song, from beginning to end,&lt;br /&gt;I found again in the heart of a friend.&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-6331036807412130818?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/6331036807412130818/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=6331036807412130818' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/6331036807412130818'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/6331036807412130818'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/06/blog-post_15.html' title='আরো কত অবাক হওয়া বাকী কে জানে!'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-5173730300664166476</id><published>2011-06-02T08:17:00.001+06:00</published><updated>2011-06-02T16:43:44.563+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ ও দেশ'/><title type='text'>এ্যাত লাফালাফি, চিল্লাপাল্লা করি কিল্ল্যাইগ্গা?</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;যাঁরা জানেন না, তাঁদের অনেকেরই মনে চিন্তা খেলা করে, এই লোকগুলো নিজেরা লিনাক্স ব্যবহার করে ভাল কথা, কিন্তু আমাদের পিছে লাগছে ক্যান? এঁদের স্বার্থ কী? এদের কি মহাপুরুষ রোগে ধরছে? কাউরে ইমপ্রেস করতে চায়? নাকি কেউ কি এঁদের টাকা দেয়?: দেয় মনে হয়, অবশ্যই দেয় …. নাইলে কার ঠেকা পড়ছে পকেটের টাকা খরচ করে সিডি বানায় দিবে, সময় খরচ করে আমাদের পেছনে ঘুরবে, ইনস্টল করে দিয়ে যাবে, সমস্যা সমাধান করতে সাহায্য করবে। আমি আমার মত ভাল আছি, ভাইরাস মারতেছি, রিইনস্টল করছি, এন্টিভাইরাস কিনতেছি … প্রতিনিয়ত এই প্রতিকূল পরিবেশেও আমাকে কত কিছু শিখতে হচ্ছে, লিনাক্সে গেলেও তো শিখতে হবে। … কী?! তোমরা টাকা পাও না কারো কাছ থেকে! তাহলে কি শুধুই দলে ভারী হইতে চাও জন্য এ্যাত কিছু কর? …  আচ্ছা ভাল কথা, আমারে বাদ দিয়ে হিসাব কর। … যাও মিয়া ভাগো, আমি চোরাই উইন্ডোজ ব্যবহার করি আমার রিস্কে, তোমার তাতে কী! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জ্বী ভাই, আমার তাতে এসে যায়। আপনি জেনুইন সফটওয়্যার ব্যবহার করলে আমি কখনই আপনাকে লিনাক্স নিয়ে বিজ্ঞাপন দিতে যাব না, যদি ইতিমধ্যেই গিয়ে থাকি তবে সেটা ভুল হয়েছে, কিন্তু আপনি চোরাই সফটওয়্যার ব্যবহার করলে তাতে আমার সমস্যা হয়। কীভাবে জানতে চান নাকি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সম্মান হারাতে চায় না কেউ। বড়লোকের হারানোর মত অনেক কিছু থাকতে পারে, কিন্তু গরীবের সম্মান ছাড়া আর আছে কী? (এই রে! বাংলা ছিঃনেমার ডায়লগ দিয়ে ফেললাম মনে লয় ...) বংশের সম্মান, ব্যক্তির সম্মান ইত্যাদিকে ঘিরে কত ঘটনাই না আবর্তিত হয় চারিদিকে। অনেক ক্ষেত্রে আমরা আজও দেখছি অপমান সইতে না পেরে আত্মহত্যা করেছে অপমানিত আত্মসম্মানী মানুষ। আবার পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে বিপথগামী সদস্য বা সদস্যাকে হত্যা করে অনেক জায়গায়: এটাকে ব্যাখ্যা করার জন্য অনার কিলিং বলে একটা শব্দ আছে ইংরেজিতে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আপনি চোরাই উইন্ডোজ ব্যবহার করলে আমার সম্মান হারাই আমি। জ্বী, ঠিকই শুনেছেন ….. আপনি চোরাই সফটওয়্যার ব্যবহার করলে শুধু আপনি না সাথে আমিও সম্মান হারাই। আর হারানো সম্মান ফিরানোর জন্যই আমরা নিজেদের পকেটের টাকা আর মূল্যবান সময় খরচ করি, কিন্তু কোনো রকম আত্মহত্যা বা খুনাখুনি করি না (দেখেছেন, আমি কত্ত ভালো!)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশ খারাপ মানুষের দেশ, দূর্নীতিতে আগে টানা চ্যাম্পিয়ন ছিল, আর বর্তমানে এটা পৃথিবীতে সফটওয়্যার পাইরেসী তথা চুরীতে ৩য়। এর আগে ২য় পজিশনে ছিল, ইট্টুর লাইগা ফাস্ট হইতে পারে নাই …. আফসুস! এই ব্যাপারটা আপনি উপভোগ করেন কি না আমি জানিনা, তবে আমার কাছে এদেশের নাগরিক হিসেবে অসম্মানজনক মনে হয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিজে জেনুইন সফটওয়্যার ব্যবহার করেও যদি আপনাদের চোরাই সফটওয়্যারের কারণে আমাকে নাগরিক হিসেবে এই অপমানের ভাগ নিতে হয়, আমার দেশমাতাকে অপমানিত হতে হয় তাতে আমি ক্ষিপ্ত হই। কিন্তু ঐ যে বললাম, সম্মান রক্ষার্থে এখনও খুনাখুনি করি না, তাই লিনাক্স প্রচার করি। আমি টাকা দিয়ে আপনাকে জেনুইন সফটওয়্যার কিনে দিতে পারবো না (দিতে পারলেও সেটা নিতে কি আপনার নিজেকে ছোট মনে হত না?!) - তাই লিনাক্স ব্যবহার করতে বলি। কারণ, বিনামূল্যে জেনুইন সফটওয়্যার ব্যবহার করার এটাই এখন পর্যন্ত জানা একমাত্র রাস্তা। আর এটা কারো দান নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে এই ফ্রী সফটওয়্যারের আন্দোলন। এতে আমি সহ সমস্ত ব্যবহারকারীর বিভিন্নভাবে কন্ট্রিবিউট করি - কীভাবে জানতে চান? আজকে থাক, তবে চিন্তা (=দুশ্চিন্তা) কইরেন না, সেই কন্ট্রিবিউশন নিয়ে শীঘ্রই আরেকটা ত্যানা প্যাচানি লেখা নামাবো। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ভাইরাস মাইরাস, সিকিউরিটির সমস্যা অথবা উত্তেজনা - সেটা আপনার ব্যাপার, এগুলো আপনি এনজয় করলে আমার তাতে কী! বরং এইসব নিয়া আপনাদের পেরেশানী দেখলে আমিও আমোদিত হই, কারণ, আসলে আমিও খারাপ লুক, আর এই পেরেশানীর দলে আমিও ছিলাম এককালে। তারপরেও লিনাক্স নিয়া চিল্লাপাল্লা করার ইয়্যাকমাত্র কারণ - আমি আমার সম্মান বাঁচাতে চাই। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কখনো যদি এই দেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করি তারপরেও এই দেশটাই আমার মা (টিপিকাল বাঙালীর মত, একটু বেশি আবেগ হইয়ে গেল মনে লয়) – এর গায়ে অপমানের থুথু আমৃত্যূ আমার গায়েও এসে পড়ে।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-5173730300664166476?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/5173730300664166476/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=5173730300664166476' title='2টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/5173730300664166476'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/5173730300664166476'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/06/blog-post.html' title='এ্যাত লাফালাফি, চিল্লাপাল্লা করি কিল্ল্যাইগ্গা?'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-6091394921558502675</id><published>2011-05-20T21:25:00.005+06:00</published><updated>2011-05-20T21:39:10.579+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>পৃথিবীতে কারা কারা লিনাক্স ব্যবহার করেন</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;p&gt;লিনাক্স যদিও মূলধারার অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে বেশ নতুন, তবুই  ইতিমধ্যেই অনেক রকম পরিবেশেই এটা ব্যবহার করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে সরকারী  প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাসা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং বৈজ্ঞানিক  প্রতিষ্ঠান।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;&lt;h2&gt;সরকার&lt;/h2&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বিভিন্ন দেশের স্থানীয় সরকারগুলো বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার মত বিভিন্ন  আন্তর্জাতিক সংস্থার কাছ থেকে অনবরত মেধাস্বত্ব রক্ষার ব্যাপারে চাপের  মধ্যে থাকে। এই চাপ এড়াতে অনেক স্থানীয় সরকারই লিনাক্স এবং অন্যান্য ফ্রী  সফটওয়্যার ব্যবহারের দিকে ঝুঁকেছে, কারণ এগুলো তাদের ক্ষমতার মধ্যে থেকেই  মাইক্রোসফট, অ্যাপেল বা অন্য কোম্পানিগুলোর দামী কিংবা ক্র্যাকড  সফটওয়্যারের আইনসঙ্গত বিকল্প। লিনাক্সের প্রসারের ফলে এই উন্নত দেশগুলোর  সরকারী কাজের জন্য স্বল্পোন্নত দেশের কম্পিউটারে দক্ষ মানবসম্পদ দ্বারা কাজ  পাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। অনেক দামী সফটওয়্যার ছাড়া এমন অন্য কোন বিকল্প  না থাকলে তাদের পক্ষে এমন কাজ করা কখনই সম্ভব হত না।&lt;/p&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;ব্রাজিলের পিসি কানেক্টাডো প্রোগ্রাম লিনাক্সে চলে। এটা ২০০৩ সাল থেকে  ব্রাজিলের সরকারী প্রোগ্রাম। এতে ফেডোরা নির্ভর&amp;nbsp; অপারেটিং সিস্টেম সহ  কম্পিউটারে ট্যাক্স মওকুফ পাওয়া যায়। এখানকার কম্পিউটারগুলো সব ১২৮ বা ২৫৬  মেগাবাইট মেমরিতে সেলেরন ভিত্তিক প্রসেসরে ৪০ বা ৮০গিগাবাইট হার্ডডিস্ক সহ  পাওয়া যায়। এই প্রজেক্টের শুরুতে মাইক্রোসফট কমদামে তাদের এক্সপি স্টার্টার  এডিশন দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছিল, কিন্তু সেই উপায়ে মারাত্নক রকম সীমাবদ্ধতা  থাকায় সরকার সেটা গ্রহণ করেনি। মুক্ত সফটওয়্যারে ইঙ্কস্কেপ, গিম্প, ওপেন  অফিস ও আমারক এখানে বহুল ব্যবহৃত।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মিউনিখ শহরে ২০০৩ সালে এর ১৪,০০০ ডেস্কটপ কম্পিউটারে ডেবিয়ান নির্ভর  LiMux ব্যবহার করা শুরু করার উদ্যোগ নেয়। তবে ২০১০ পর্যন্ত এই  লক্ষ্যমাত্রার ২০% অর্জন করেছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যুক্তরাস্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (United States Department of  Defense) লিনাক্স ব্যবহার করে। আমেরিকান আর্মি রেড হ্যাট লিনাক্সের সবচেয়ে  বড় গ্রাহক। এছাড়া আমেরিকার নৌবাহিনীর পারমানবিক সাবমেরিনগুলো লিনাক্স  ব্যবহার করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ভিয়েনা শহর কর্তৃপক্ষ এর পিসিগুলোকে ডেবিয়ান নির্ভর উইয়েনাক্সে  (wienux) নিয়ে যেতে চেয়েছিলো। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তদের প্রয়োজনীয়  কাস্টমাইজড সফটওয়্যারের উপযুক্ত লিনাক্স বিকল্পের অভাবে এই পরিকল্পনা ত্যাগ  করা হয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৩ সালে স্পেনকে লিনাক্স গ্রহণে সবচেয়ে অগ্রবর্তী ছিল। তাঁদের  এক্সট্রিমাদুরা (Extremadura) প্রদেশে সরকারী উদ্যোগে এজন্য LinEx নামক  ডিস্ট্রিবিউশন তৈরী করা হয়। তাঁরা পত্রিকার সাথে ২ লক্ষ লিনাক্স সিডি বিতরণ  করে এবং আরো ৭০ হাজার কপি ডাউনলোড করা হয়। ঐ প্রদেশের শতকরা ১০ ভাগ লোক  লিনাক্স ব্যবহার করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;চীন সরকারের ইন্ডাস্ট্রিয়াল এন্ড কমার্শিয়াল ব্যাংক অব চায়না (ICBC) এর  ২০,০০০ শাখায় ওয়েব সার্ভার এবং নতুন টার্মিনাল প্লাটফর্মে লিনাক্স ইনস্টল  করছে (২০০৫ সালের খবর)।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৬ সালের এপ্রিল মাসে আমেরিকার ফেডারেল এভিয়েশন প্রশাসন রেড হ্যাট  এন্টারপ্রাইজ লিনাক্সে চলে আসা সম্পন্ন করার ঘোষনা দেয়। এতে তাদের  পরিকল্পিত সময়ের তিন ভাগের এক ভাগ সময়ে সম্পন্ন হয় আর এতে তাঁদের ১৫ মিলিয়ন  ডলার সাশ্রয় হয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০২ সালে পাকিস্থান সরকার টেকনোলজি রিসোর্স মবিলাইজেশন ইউনিট গঠন করে,  যাতে পেশাদার ক্ষেত্রে ব্যবহারকারীদের মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহারের  প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। লিনাক্স এতে একটা বিকল্প হিসেবে ছিল। পাকিস্থানের  সরকারী স্কুল এবং কলেজে মুক্ত সফটওয়্যার ব্যবহৃত হয় এবং তারা আশা করছে যে&amp;nbsp;  খুব শীঘ্রই তাদের সমস্ত সরকারী সেবা লিনাক্সের মাধ্যমে দেবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ফরাসী পার্লামেন্ট তাদের ডেস্কটপ পিসিগুলোতে উবুন্টু ব্যবহার করছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;জার্মানীর ফেডারেল কর্মসংস্থান অফিস (Bundesagentur für Arbeit) তাদের  ১৩,০০০ কম্পিউটার ওয়র্কস্টেশন উইন্ডোজ এনটি থেকে ওপেনসুযেতে নিয়ে এসেছে।  (ওপেনসুযে একটি জনপ্রিয় লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;চেক প্রজাতন্ত্রের পোস্টাল সার্ভিস তাদের ৪০০০ সার্ভার এবং ১২,০০০ ক্লায়েন্টকে নভেল লিনাক্সে নিয়ে এসেছে ২০০৫ সালে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;জার্মানীর পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এর ১১,০০০ ডেস্কটপগুলোকে লিনাক্স এবং  অন্য মুক্ত সফটওয়্যারে নিয়ে আসা শুরু করেছে। ২০০১ সালে সার্ভারগুলোকে আর  ২০০৫ সালে ডেস্কটপগুলোকে, আর সবগুলো ল্যাপটপেই ডেবিয়ান লিনাক্স চলে। ২০১১  সালে তারা আবার মাইক্রোসফট অফিস, আউটলুক এবং উইন্ডোজে ফিরে যাওয়ার ঘো‌‌ষনা  দিয়েছে; কারণ হিসেবে হার্ডওয়্যার চালনায় অসুবিধার অযুহাত দেখিয়েছে, তবে এর  পেছনে মাইক্রোসফটের দেয়া প্রণোদনাও (incentive) ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করা  হচ্ছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;কিউবার ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন সায়েন্স-এর ছাত্ররা 'নোভা' নামে  নিজেদের লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন চালু করেছিল। এটা দিয়ে তার সরকারী এবং  ব্যক্তিগত কম্পিউটার থেকে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ প্রতিস্থাপন করতে চায়; আর এই  প্রজেক্টটা এখন সরকারী সমর্থন পেয়েছে। ২০১১ সালের শুরুতে এই  বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮০০০ পিসিতে এই নতুন অপারেটিং সিস্টেমে চালানোর ঘোষনা দেয়া  হয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ক্যান্টন অব সোলথুর্ন নামক সুইজারল্যান্ডের অঙ্গরাজ্য ২০০১ সালে এর  কম্পিউটারগুলো লিনাক্সে চলে আসার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু ২০১০ সালে সুইস  প্রশাসন পুরা উল্টা ঘুরে ডেস্কটপগুলোতে উইন্ডোজ-৭ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ফ্রান্সের জাতীয় পুলিশ বাহিনী এর ৯০,০০০ ডেস্কটপগুলোকে উইন্ডোজ এক্সপি  থেকে উবুন্টুতে নেয়া শুরু করে ২০০৭এ। কারণ এতে উইন্ডোজ ভিসতার জন্য যে  প্রশিক্ষণ লাগবে তার চেয়ে কম প্রশিক্ষণ লাগবে। এই প্রতিস্থাপন ২০১৫ সাল  নাগাদ শেষ হবে; ২০০৪ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত এভাবে সফটওয়্যার লাইসেন্স বাবদ  ৫০ মিলিয়ন ইউরো সাশ্রয় হয়েছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ফ্রান্সের কৃষি মন্ত্রণালয় ম্যানড্রিভা লিনাক্স ব্যবহার করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মেসিডোনিয়ার বিজ্ঞান ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় ক্লাসে ১,৮০,০০০ এরও বেশি  উবুন্টু নির্ভর ডেস্কটপ ব্যবহার করছে এবং প্রতি ছাত্রকেই উবুন্টু  ওয়র্কস্টেশন ব্যবহার করতে উদ্বুদ্ধ করছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;প্রযুক্তিগত স্বাধীনতার লক্ষ্যে চীন সেদেশের Loongson প্রসেসর পরিবারের জন্য অপারেটিং সিস্টেমে শুধুমাত্র লিনাক্স ব্যবহার করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমেরিকার পারমানবিক নিরাপত্তা প্রশাসন বিশ্বের তৃতীয় দ্রুততম সুপার  কম্পিউটার ব্যবহার করে, এটার নাম আইবিএম রোডরানার – যা ফেডোরা এবং রেড  হ্যাট এন্টারপ্রাইজ লিনাক্স ব্যবহার করে চলে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৪ সালে স্পেনের অ্যান্ডালুসিয়া অঞ্চলের স্বায়ত্বশাসিত সরকার Gaudalinex নামে তাদের নিজস্ব লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন তৈরী করে নিয়েছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;দক্ষিন আফ্রিকান সামাজিক নিরাপত্তা সোসাইটি মাল্টি স্টেশন লিনাক্স  ডেস্কটপ ব্যবহার করে তাদের ৫০টি প্রত্যন্ত এলাকার বাজেট এবং অবকাঠামোগত  অসুবিধা মোকাবেলা করছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৩ সালে তুরস্কের সরকার তাদের নিজস্ব লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন তৈরীর  সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের জাতীয় ইলেক্ট্রনিক্স ও ক্রিপ্টোগ্রাফি রিসার্চ  ইনস্টিটিউট Pardus নামক এই ডিস্ট্রিবিউশন তৈরী করা শুরু করে এবং ২০০৫ সালের  ২৭শে ডিসেম্বর এটার ১.০ ভার্সনের অফিসিয়াল ঘোষনা দেয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০১০ সালে ফিলিপিনসে উবুন্টু চালিত জাতীয় ভোট গ্রহণ সিস্টেম চালু করা হয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০১০ সালের জুলাই মাসে মালয়েশিয়ার সরকারী ৭২৪টা এজেন্সির মধ্যে ৭০৩টায়  লিনাক্স ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে ফ্রী এবং ওপেনসোর্স সফটওয়্যার  ব্যবহার করা শুরু হয়। সরকারের প্রধান সচিব বলেছিলেন যে, এটার মূল লক্ষ্য হল  উন্নততর মান, উচ্চ নির্ভরযোগ্যতা, অধিকতর পরিবর্তনযোগ্যতা (flexibility)  এবং স্বল্প খরচ।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০১০ সালের শেষের দিকে ভ্লাদিমির পুতিন, রাশিয়া ফেডারেশন সরকারের ২০১২  সালের মাঝামাঝির মধ্যে লিনাক্স এবং ফ্রী সফটওয়্যারে সরে আসার একটি  পরিকল্পনায় স্বাক্ষর করেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমেরিকার ফ্লোরিডার লার্গো শহরের প্রশাসন লিনাক্স ব্যবহার করার মাধ্যমে  আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি লাভ করে। এটা থেকে শহর ব্যবস্থাপনার প্রচলিত  পদ্ধতির চেয়ে অনেক বেশি সাশ্রয়ের ব্যাপারটা বোঝা যায়।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;p&gt;&lt;h2&gt;শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে&lt;/h2&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;শিক্ষার জন্য উবুন্টুর একটা ভার্সন আছে - যা এডুবুন্টু নামে পরিচিত।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;প্রায়শঃই বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তিগত বিষয়গুলোতে এবং গবেষণা  কেন্দ্রগুলোতে লিনাক্স ব্যবহৃত হয়। এটা বিনামূল্যে উপলব্ধতা এবং অসংখ্য  সফটওয়্যার ব্যবহারের সুযোগ থাকা এর পেছনে অনেকগুলো কারণের মধ্যে রয়েছে।  কিছু ক্ষেত্রে কম্পিউটার সায়েন্স এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং থেকেও  লিনাক্সে কিছু অবদার রাখে। আইবিএম "লিনাক্স ইজ এডুকেশন" নামে একটা বিজ্ঞাপন  তৈরী করেছে, যেখানে একটা ছোট ছেলেকে দেখানো হয় যে বড় হয়ে লিনাক্স (লিনুস?) হয়।&lt;/p&gt;&lt;p&gt;বৃহৎ পরিসরে লিনাক্স গ্রহণকরার কিছু উদাহরণ নিচে তুলে ধরা হলঃ&lt;/p&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;OLPC XO-1 (ওয়ান ল্যাপটপ পার চাইল্ড: যা আগে এমআইটির ১০০ ডলার ল্যাপটপ  প্রজেক্ট বা বাচ্চাদের ল্যাপটপ নামে পরিচিত ছিল) হল একটা সস্তা ল্যাপটপ যা  লিনাক্সে চলে; এই ল্যাপটপটি মূলত: উন্নয়নশীল বিশ্বে প্রতি শিশুর জন্য একটি  ল্যাপটপ প্রজেক্টের অধীনে কয়েক মিলিয়ন শিশুর মধ্যে বিতরণ করার লক্ষ্যে তৈরী  করা হয়েছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মেসিডোনিয়ার ২০০৫ সালের ডিসেম্বরে ৪৬৮টি সরকারী স্কুল এবং ১৮২টি  কম্পিউটার ল্যাবে ৫০০০ উবুন্টু চালিত ডেস্কটপ কম্পিউটার ব্যবহার করা শুরু  করে। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে উবুন্টু চালিত আরো ১,৮০,০০০ থিন ক্লায়েন্ট  কম্পিউটার চালু করা হয়। (থিন ক্লায়েন্ট হল একটা শক্তিশালি সিপিইউ থেকে  অনেকগুলি মনিটর, কিবোর্ড ও মাউসের সাহায্য অনেকে ব্যবহারের সুবিধা -  অনেকটা মেইনফ্রেম কম্পিউটারের মত)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইটালির বোলযানোর ১৬,০০০ স্কুল ছাত্রের  ক্লাসরুমে ব্যবহারের জন্য একটা সংকলিত লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন চালু করে।  (FUSS Soledad GNU/Linux)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ব্রাজিলের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক সরকারী স্কুলগুলোতে প্রায় ২০,০০০ লিনাক্স ডেস্কটপ চলছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ভারতের কেরালা রাজ্যের সরকারী কর্মকর্তারা ঘোষনা করেন যে, তারা  কম্পিউটার শিক্ষার জন্য শুধুমাত্র লিনাক্সে চালিত ফ্রী সফটওয়্যার ব্যবহার  করবে;&amp;nbsp; ২,৬৫০টি সরকারী ও সরকারী অনুদানপ্রাপ্ত উচ্চ বিদ্যালয় দিয়ে এটা শুরু  করা হয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৬ সালে আমেরিকার ইন্ডিয়ানা রাজ্যের ২২,০০০ ছাত্রের জন্য তাদের উচ্চ বিদ্যালয়গুলোতে লিনাক্স ওয়র্কস্টেশন ব্যবহারের সুযোগ ছিল।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৭ সালে জার্মানি এর ৩৩টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫,৬০,০০০ ছাত্র লিনাক্স ব্যবহার করবে বলে ঘোষনা দিয়েছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ফিলিপিনসে ১৩,০০০ ডেস্কটপে ফেডোরা চলে, যার প্রথম ১০,০০০ ২০০৭ সালের  ডিসেম্বরে ASI (Advanced Solutions Inc) এগুলো সরবরাহ করে। মাইক্রোসফট ২০  ডলারে উইন্ডোজ আর ৩০ ডলারে অফিস দেয়ার প্রতিযোগীতামূলক অফার দেয়ার কারণে এই  প্রজেক্টের সিদ্ধান্ত ৪/৫ মাস পিছিয়ে গিয়েছিল, কিন্তু তাসত্ত্বেও লিনাক্স  আরো স্বল্পখরচের সমাধান হিসেবে বিবেচিত হয়। এই প্রজেক্টে আরো ১০,০০০  এডুবুন্টু ও কুবুন্টু ডেস্কটপ দেয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;লাইসেন্স খরচ বাঁচাতে ২০০৭ সালের অক্টোবরে রাশিয়া সমস্ত স্কুলের কম্পিউটার লিনাক্সে চালানোর ঘোষনা দেয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৪ সালে জর্জিয়া এর সমস্ত স্কুলের কম্পিউটারগুলো এবং লিনাক্স  টার্মিনাল সার্ভার প্রজেক্টের (LTSP) থিন ক্লায়েন্টগুলো লিনাক্সে চালানো  শুরু করে। এখানে মূলত কুবুন্টু, উবুন্টু এবং হালকা ফেডোরা নির্ভর ডিস্ট্রো  ব্যবহার করা হচ্ছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর নাগাদ সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ৯০০০ কম্পিউটারে লিনাক্স ও ওপেন অফিস ব্যবহার শুরু হয়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে ছাত্রদেরকে ১,০০,০০০ লিনাক্স ল্যাপটপ বিতরনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। (২০০৮)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;অভ্যন্তরীন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে চীন সরকার ১৫ লক্ষ লিনাক্স loongson  পিসি কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া জিয়াঙ্গসু প্রদেশে ২০০৯ সাল থেকে  গ্রামাঞ্চলের স্কুলগুলোতে ১,৫০,০০০ loongson প্রসেসর চালিত লিনাক্স পিসি  স্থাপন করা হবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ভারতীয় সরকাররের ছাত্রদের জন্য ট্যাবলেট পিসি প্রজেক্টের লক্ষ্য হল  ১,৫০০ রুপীর (৩৫ ডলার) কমে ট্যাবলেট পিসি বানানো, এই পিসিগুলো লিনাক্সে  চলে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;p&gt;&lt;h2&gt;আবাসিক গৃহে&lt;/h2&gt;&lt;/p&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;সনির প্লেস্টেশন-৩ এর ভেতরে হার্ডডিস্ক (২০, ৬০ ও ৮০ গিগাবাইট) দেয়া  হয়েছে এবং এটা সহজে লিনাক্স ইনস্টলের উপযোগী করে তৈরী করা হয়েছে। অবশ্য এর  ৩ডি গ্রাফিক্স ফীচারগুলো লিনাক্সে চালানোর সুযোগ দেয়া হয় না। এছাড়া সনি এর  প্লেস্টেশন-২ এর জন্যও লিনাক্স কিট ছেড়েছে। সহজ ইনস্টলেশন আর তুলনামূলক কম  দামের কারণে (প্লেস্টেশন-৩ এর তুলনায় সমপর্যায়ের অন্য হার্ডওয়্যার ক্রয়ের  ক্ষেত্রে) ছোট পরিসরে ডিস্ট্রিবিউটেড কম্পিউটিং পরীক্ষার জন্য মাঝে মাঝে এই  লিনাক্স চালিত প্লেস্টেশন হার্ডওয়্যার ব্যবহৃত হয়। নিরাপত্তা বিবেচনায়  ২০১০ সালের ১লা এপ্রিলে লিনাক্স ইনস্টলের সুবিধা রহিত করে এবং ফার্মওয়্যার  ৩.২১ ব্যবহার শুরু করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৮ সালে নেটবুকের অনেকগুলো মডেল হালকা লিনাক্স (xandros, linpus)  ইনস্টল করা অবস্থায় সরবরাহ করা হত। এতে এর সীমিত ক্ষমতা সর্বোত্তম ব্যবহার  নিশ্চিত করা যেত।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৭ ও ২০০৮ এ ব্যবহারবান্ধবতা বিচারে উবুন্টুর মত লিনাক্স  ডিস্ট্রিবিউশনগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে, ফলে ডেলের মত কিছু নির্মাতা  উবুন্টু এবং অন্য লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন চালিত ডেস্কটপ কম্পিউটার মডেল  বাজারে ছাড়ে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;p&gt;&lt;h2&gt;ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসমূহ&lt;/h2&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;রেডহ্যাট এন্টারপ্রাইজ লিনাক্স, সুযে লিনাক্স এন্টারপ্রাইজ ডেস্কটপ এবং  লিনস্পায়ারের মত বাণিজ্যিক লিনাক্স সমাধানগুলো কিছু কর্পোরেটে ব্যবহৃত হয়।&lt;/p&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;১৯৯৯ সাল থেকে বার্লিংগ্টন কোট ফ্যাক্টরি (Burlington Coat Factory) শুধুমাত্র লিনাক্স ব্যবহার করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০০ সাল থেকে আর্নি বল (Ernie Ball) নামক সুপার স্লিংকি গিটারের স্ট্রিং প্রস্তুতকারক লিনাক্স ডেস্কটপ চালায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নোভেল উইন্ডোজ থেকে লিনাক্সে স্থানান্তরিত হচ্ছে। এর ৫,৫০০ কর্মীর  মধ্যে ৫০% এপ্রিলের ২০০৫ নাগাদ সফলতার সাথে লিনাক্সে চলে এসেছে। নভেম্বর  মাস নাগাদ এটা বেড়ে ৮০% হওয়ার কথা।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Wotif নামক অস্ট্রেলিয়ান হোটেল বুকিং ওয়েবসাইট তাদের ব্যবসার  প্রবৃদ্ধির সাথে সামঞ্জস্যতা রক্ষায় উইন্ডোজ সার্ভার থেকে লিনাক্স সার্ভারে  সরে আসে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ক্যালিফোর্নিয়ার ইউনিয়ন ব্যাংক খরচ কমানোর জন্য এর আইটি অবকাঠামো রেড  হ্যাট এন্টারপ্রাইজ লিনাক্স উপযোগী করার ঘোষনা দেয় ২০০৭ সালের জানুয়ারী  মাসে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০০৭ সালে ইউরোপের গাড়ি প্রস্তুতকারক Peugeot ঘোষনা করে যে এরা ২০,০০০  কপি নোভেলের লিনাক্স ডেস্কটপ, সুযে লিনাক্স এন্টারপ্রাইজ ডেস্কটপ এবং ২,৫০০  কপি সুযে লিনাক্স এন্টারপ্রাইজ সার্ভার চালু করবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;মাইন্ডব্রিজ নামক একটা সফটওয়্যার কোম্পানি ২০০৭ সালে ঘোষনা দেয় যে, এটা  অনেকগুলো উইন্ডোজ সার্ভার থেকে কমসংখ্যক লিনাক্স সার্ভার এবং কিছুসংখ্যক  বিএসডি সার্ভারে প্রতিস্থাপন করবে। এরা এভাবে বেশ বড় পরিমান সাশ্রয় করেছে  বলে দাবী করেছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমেরিকার বাজেট এয়ারলাইন, ভার্জিন আমেরিকা এর বিমানের REDএন্টারটেইনমেন্ট সিস্টেম লিনাক্সে চালায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমেরিকার ইন্টারনেট ভিত্তিক বেচাকেনা প্রতিষ্ঠান আমাজন.কম এর ব্যবসার প্রতিটা ক্ষেত্রেই লিনাক্স ব্যবহার করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;গুগল Goobuntu নামক উবুন্টু ভিত্তিক একটা অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আইবিএম লিনাক্সের প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজে জড়িত, এবং তাঁদের অফিসে  সার্ভার এবং ডেস্কটপে লিনাক্স ব্যবহার করে। এছাড়া “IBM supports Linux  100%” শিরোনামে একটা টিভি বিজ্ঞাপন করেছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;উইকিপিডিয়া ২০০৮ সাল থেকে এর সার্ভারগুলো উবুন্টুতে চালায়, এর আগে রেড হ্যাট এবং ফেডোরার সমন্বয়ে চালাতো।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ড্রিমওয়র্কস এনিমেশন কোম্পানি ২০০১ সাল থেকে লিনাক্স ব্যবহার শুরু করে।  এদের ১,০০০ এরও বেশি লিনাক্স ডেস্কটপ এবং ৩,০০০ এর বেশি লিনাক্স সার্ভার  রয়েছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;শিকাগো মার্কেন্টাইল এক্সচেঞ্জ সমস্ত কম্পিউটিং অবকাঠামোই লিনাক্সে  চালায়, এবং এটা ব্যবহার করে এক কোয়াড্রিলিয়ন ডলারের বেশি লেনদেন সম্পন্ন  করেছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Chi-X প্যান ইউরোপিয়ান ইক্যুয়িটি এক্সচেঞ্জ এর মার্কেটপ্রিজম ট্রেডিং প্লাটফর্ম সফটওয়্যারটি লিনাক্সে চালায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জ লিনাক্স নির্ভর মিলেনিয়ামআইটি মিলেনিয়াম  এক্সচেঞ্জ সফটওয়্যারটা ব্যবহার করে সমস্ত ট্রেডিং পরিচালনা করে। উইন্ডোজের  বদলে লিনাক্স ব্যবহারের ফলে ২০১১‌-১২ অর্থবছরে তাঁদের কমপক্ষে ১০ মিলিয়ন  ইউরো (১৪.৭ মিলিয়ন ডলার) খরচ বাঁচবে বলে অনুমান করেছে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;নিউ ইয়র্ক স্টক এক্সচেঞ্জ এর সমস্ত ট্রেডিং সফটওয়্যার লিনাক্সে চালায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;আমেরিকার ইলেক্ট্রনিক মিউজিক কম্পোজার কিম ক্যাসকোন তার মিউজিক  স্টুডিও, পার্ফর্মেন্সে ব্যবহার এবং এডমিনিস্ট্রেশনের সমস্ত কাজ ২০০৯ সাল  থেকে এ্যাপল ম্যাকের বদলে উবুন্টুতে করছেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ম্যাকডোনাল্ডস এর ম্যাক ক্যাফেতে উবুন্টু ব্যবহার করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;উইন্ডোজের স্পাইওয়্যার সমস্যার কারণে লাফিং বয় রেকর্ডস এর মালিকের  নির্দেশে এর রেকর্ডিং‌এর কাজ উইন্ডোজ থেকে লিনাক্সে নিয়ে এসেছে ২০০৪ সালে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;২০১১ সাল থেকে কাজ শুরু করা ন্যাভ কানাডার নতুন ইন্টারনেট ফ্লাইট প্লানিং সিস্টেম পাইথনে করা এবং রেড হ্যাট লিনাক্সে চলে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;স্মার্ট রেফ্রিজারেটর ইলেক্ট্রোলাক্স ফিজিডেয়ার ইনফিনিটি আই‌-কিচেন  লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করে যার মধ্য একটা এমবেডেড ৪০০  মেগাহার্টজ্ ফ্রীস্কেল I.MX25 প্রসেসর এবং ১২৮ মেবা RAM এবং ৪৮০x৮০০ টাচ  প্যানেল রয়েছে।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;p&gt;&lt;h2&gt;বৈজ্ঞানিক সংস্থা সমূহ&lt;/h2&gt;&lt;/p&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;আমেরিকার পারমানবিক নিরাপত্তা প্রশাসনে পৃথিবীর ৩য় দ্রুততম সুপার  কম্পিউটার ব্যবহার করে; এটার নাম আইবিএম রোডরানার, এবং এটা রেড হ্যাট  এন্টারপ্রাইজ লিনাক্স এবং ফেডোরা দিয়ে চলে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার এবং এর ২০,০০০ অভ্যন্তরিন সার্ভার চালানোর জন্য সায়েন্টেফিক লিনাক্স ব্যবহার করে এর গবেষণাপ্রতিষ্ঠান CERN।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ইউনিভার্সিটি অব টরন্টোতে কানাডার সবচেয়ে বড় সুপার কম্পিউটার, আইবিএম আইডেটাএক্স ক্লাস্টার কম্পিউটার, চালাতে লিনাক্স ব্যবহার করে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ইন্টারনেট ক্যাটালগ করতে ইন্টারনেট আর্কাইভ এর শত শত এক্স৮৬ সার্ভার সবই লিনাক্সে চালায়।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;ASV Roboat নামক স্বায়ত্বশাসিত রোবোটিক নৌকা লিনাক্সে চলে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;অক্টোবর ২০১০ পর্যন্ত বিশ্বের দ্রুততম সুপার কম্পিউটার Tianhe-I,  লিনাক্সে চলে। এটা চীনের তিয়ানজিনে ন্যাশনাল সেন্টার ফর সুপারকম্পিউটিংএ  অবস্থিত।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;FermiLabএর Dark Energy Camera এবং সংশ্লিষ্ট ৪মিটার টেলিস্কোপ যা The  Dark Energy Survey প্রগ্রামের অংশ, পরিচালনা এবং এর সমস্ত ডেটা সংরক্ষণ  করার জন্য লিনাক্স ব্যবহার করবে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব পোর্টস্মাউথ পৃথিবীর বিভিন্ন টেলিস্কোপের  ডেটা বিশ্লেষনের জন্য একটা উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন এবং সাশ্রয়ী (cost  effective) কম্পিউটার চালু করেছে। এটা দিয়ে ব্রক্ষ্মান্ড সম্পর্কে প্রচলিত  তত্বগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হবে। এটা সায়েন্টিফিক লিনাক্স নামক অপারেটিং  সিস্টেমে চলে। পোর্টস্মাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. ডেভিড বেকন বলেন&amp;nbsp; "Our  Institute of Cosmology is in a great position to use this high  performance computer to make real breakthroughs in understanding the  universe, both by analysing the very latest astronomical observations,  and by calculating the consequences of mind-boggling new theories...By  selecting Dell’s industry-standard hardware and open source software  we’re able to free up budget that would have normally been spent on  costly licenses and reinvest it."।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;p&gt;&lt;h2&gt;তথ্যসূত্র:&lt;/h2&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এই লেখাটি মূলত একটি অাংশিক অনুবাদ। নিচের লিংকগুলোর ইংরেজি থেকে কিছু অংশ এখানে বাংলা করা হয়েছে।&lt;/p&gt;১। &lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/Linux_adoption"&gt;http://en.wikipedia.org/wiki/Linux_adoption&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;২। &lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/PC_Conectado"&gt;http://en.wikipedia.org/wiki/PC_Conectado&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;৩। &lt;a href="http://en.wikipedia.org/wiki/LinEx"&gt;http://en.wikipedia.org/wiki/LinEx&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;৪।&amp;nbsp; &lt;a href="http://www.computerworld.com.au/article/204950/23_000_linux_pcs_forge_education_revolution_philippines/?pp=1"&gt;http://www.computerworld.com.au/article/204950/23_000_linux_pcs_forge_education_revolution_philippines/?pp=1&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;&lt;h2&gt;বাংলাদেশে:&lt;/h2&gt;&lt;/p&gt;&lt;p&gt;এদেশেও কিছু মানুষ আর প্রতিষ্ঠান আছে যারা ঘরে ও অফিসে লিনাক্স ব্যবহার করে। তথ্যের অভাবে সব দেয়া সম্ভব  হল না। তবে কিছু বোকা লোকের একটা তালিকা ইদানিং তৈরী করা শুরু হয়েছে। &lt;a href="https://spreadsheets.google.com/spreadsheet/pub?hl=en&amp;amp;hl=en&amp;amp;key=0ArK3UaAF5-8KdHkwSm5Nb2JwdFNVOF9maWpUakl1eHc&amp;amp;single=true&amp;amp;gid=0&amp;amp;output=html" target="_blank"&gt;এখানে ক্লিক করে দেখতে পারেন&lt;/a&gt;।&lt;/p&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-6091394921558502675?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/6091394921558502675/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=6091394921558502675' title='2টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/6091394921558502675'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/6091394921558502675'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/05/blog-post_20.html' title='পৃথিবীতে কারা কারা লিনাক্স ব্যবহার করেন'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-5425232231639156249</id><published>2011-05-18T13:26:00.000+06:00</published><updated>2011-05-18T13:26:58.509+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>ছবি রিসাইজ বা রোটেট করা এতই সোজা!</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;এক বা একাধিক ছবি সিলেক্ট করে মাউসের ডান ক্লিকে যেই মেনুটা খোলে সেখানে Resize Images .... এবং Rotate Images .... আসলে কার না ভালো লাগে। বিশেষত ফেসবুক বা অন্য সাইটগুলোতে ছবি আপলোডের সময় এইরকম করা তো খুবই দরকার। এই কাজটাই করার উপায় জানিয়ে রাখি:&lt;br /&gt;আগে দেখি কীভাবে কাজ করে: দেখুন ছবির উপর ডান ক্লিকে কী দেখাচ্ছে (একাধিক ছবির ক্ষেত্রেও একই তরিকা)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-nWwBfRvzAwM/TdKQYh7mZQI/AAAAAAAAA4U/dwIKMLqL2Os/s1600/Screenshot-rightclickoptions.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="320" src="http://3.bp.blogspot.com/-nWwBfRvzAwM/TdKQYh7mZQI/AAAAAAAAA4U/dwIKMLqL2Os/s320/Screenshot-rightclickoptions.jpg" width="204" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরপর Resize Images ... এ ক্লিক করলে যেই অপশনগুলো আসবে সেটা দেখুন:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-HtH5VpLNp8E/TdKQfeGjM0I/AAAAAAAAA4Y/2fQ3ela7uNk/s1600/Screenshot-Resize%252520Images.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="250" src="http://2.bp.blogspot.com/-HtH5VpLNp8E/TdKQfeGjM0I/AAAAAAAAA4Y/2fQ3ela7uNk/s320/Screenshot-Resize%252520Images.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;উপরের ছবিতে লক্ষ্য করলে দেখবেন যে, ইমেজের সাইজ ৩ ভাবে দেয়া যায়। প্রথমত নির্দিষ্ট সাইজ থেকে সিলেক্ট করে। অথবা সরাসরি কত পার্সেন্ট ছোট করবে সেটা বলে দিতে হবে। আর ৩য় অপশন হল কাস্টম পিক্সেল সাইজ। আমার ছবিটা পাশে বড়, তাই আমি শুধু পাশে ৬০০ পিক্সেল হবে বলে দিলাম। উচ্চতা অটোমেটিকভাবে ঠিক হয়ে যাবে। এছাড়া দেখুন নতুন যেই ছবিটা আসবে সেটা আগের ছবির সাথেই সেভ হবে, কিন্তু নামের সাথে .resized কথাটা ডিফল্টভাবে লেগে যাবে (‌Append), ফলে ওভাররাইট হওয়ার সুযোগ নাই। এখানে নিজের ইচ্ছামত যেকোনো কিছুই দেয়া যায়। ব্যাস কাজ শেষ। Resize বাটনে চাপ দিলেই কেল্লা ফতে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একইভাবে রোটেট সিলেক্ট করলে নিচের মত অপশন আসবে:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-m7iRRX8BOEc/TdKQnxKboyI/AAAAAAAAA4c/kjTovBdv0dQ/s1600/Screenshot-Rotate%252520Images.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="262" src="http://1.bp.blogspot.com/-m7iRRX8BOEc/TdKQnxKboyI/AAAAAAAAA4c/kjTovBdv0dQ/s320/Screenshot-Rotate%252520Images.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি একটু দুষ্টামি করে ৪৫ ডিগ্রি দিলাম। আউটপুট দেখেন নিচে:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-VQZcRWaYkXs/TdKQw1u3fHI/AAAAAAAAA4g/YkWn81NAHG0/s1600/Screenshot-Resize%252520Images.rotated.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="319" src="http://4.bp.blogspot.com/-VQZcRWaYkXs/TdKQw1u3fHI/AAAAAAAAA4g/YkWn81NAHG0/s320/Screenshot-Resize%252520Images.rotated.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিভাবে এই কেরামতি মার্কা মেরামতি আপনার ডান ক্লিকে আনা যায় জানতে কৌতুহল হচ্ছে নাকি? তবে নিচের ছবি দেখুন সব ফকফকা লাগবে:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/-bybpsFnGOA8/TdKQ-nTyioI/AAAAAAAAA4k/mHiC9GmO_-g/s1600/Screenshot-2.resized.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="240" src="http://4.bp.blogspot.com/-bybpsFnGOA8/TdKQ-nTyioI/AAAAAAAAA4k/mHiC9GmO_-g/s320/Screenshot-2.resized.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উবুন্টুর সফটওয়্যার কয়েকভাবে ইনস্টল করা যায়। আমি সহজতমটা দেখাচ্ছি। মেনু থেকে উবুন্টু সফটওয়্যার সেন্টারে ক্লিক করলে যেই উইন্ডো খোলে সেটার সার্চ বক্সে লিখুন nautilus-image আর লেখার আগেই আপনাকে শর্টলিস্ট করে এরকম তিনটা নাম দেখাবে। সেখান থেকে nautilus-image-converter টার ডানদিকের ইনস্টল বোতামে চাপ দিন। আমি ইতিমধ্যেই ইনস্টল করে ফেলেছি দেখে ইনস্টল বোতামের বদলে রিমুভ বোতাম দেখাচ্ছে। সাইজ ৩-৪শ কিলোবাইট বলে মনে পড়ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একই কাজ সিনাপ্টিক থেকেও করা যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হ্যাপি বুন্টু মিন্টিং।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;টিপসটার জন্য উবুন্টু মেইলিং লিস্টে সগীর ভাইয়ের প্রশ্নের জবাবে রিং ভাইয়ের উত্তরে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-5425232231639156249?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/5425232231639156249/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=5425232231639156249' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/5425232231639156249'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/5425232231639156249'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/05/blog-post_18.html' title='ছবি রিসাইজ বা রোটেট করা এতই সোজা!'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-nWwBfRvzAwM/TdKQYh7mZQI/AAAAAAAAA4U/dwIKMLqL2Os/s72-c/Screenshot-rightclickoptions.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-9221326599331463793</id><published>2011-05-09T07:28:00.003+06:00</published><updated>2011-05-10T14:19:50.056+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ ও দেশ'/><title type='text'>জরিপ: বাংলাদেশে কয়জন লিনাক্স ব্যবহার করেন?</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;উবুন্টু বাংলাদেশ মেইলিং লিস্টে জনৈক মেহদী ভাই হঠাৎ জানতে চাইলেন -  আসলে বাংলাদেশে কতজন লিনাক্স ব্যবহার করে। কেউ বলে শ, কেউ কয় হাজার। তখন  মাথায় একটা বুদ্ধি আসলো, জরিপ করা হউক। এই জরিপে আপনি বা আপনার পরিচিত  লিনাক্স ব্যবহারকারীর হয়ে ফর্ম পূরণ করে দিতে পারেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কয়েকজনে মিলে গুগল ডকসে একটা জরিপ স্প্রেডশীট বানালাম। ডেটা এন্ট্রি  করতে হবে ফর্ম ফিলাপ করে - অপশনাল মন্তব্যের ঘরে কেউ যদি কাহিনী না লিখেন  তাহলে এটাতে ২ থেকে ৫ মিনিট লাগতে পারে। সকলের জন্য ফোন নং বা ইমেইলের মত  তথ্যগুলো উন্মুক্ত করা ঠিক নয়, তাই এই ডেটা শুধুমাত্র আমি বা শিপলু দেখতে  পারি। কিন্তু মানুষের তথ্যতে অধিকার আছে। তাই ইমেইল, ঠিকানা ও ফোন নং-এর মত তথ্যগুলো লুকিয়ে রেখে বাকীগুলো নিয়ে একটা &lt;a class="bb-url" href="https://spreadsheets.google.com/spreadsheet/pub?hl=en&amp;amp;hl=en&amp;amp;key=0ArK3UaAF5-8KdHkwSm5Nb2JwdFNVOF9maWpUakl1eHc&amp;amp;single=true&amp;amp;gid=0&amp;amp;output=html"&gt;সংক্ষিপ্ত তালিকা&lt;/a&gt; (!) প্রকাশ করে রেখেছি। প্রতিদিন এটাকে আমি একবার করে সর্ট করে রাখবো যাতে জেলা অনুযায়ী কয়জন সেটা সহজে বোঝা যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রবাসীগণ এই ফর্ম পূরণের সময়ে জেলার স্থলে সর্বনিম্নে "প্রবাসী" এন্ট্রি ব্যবহার করতে পারেন। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নিচে ফর্মটা এমবেড করে দিলাম। যদি কোন কারণে এটা দেখতে না পারেন তবে সরাসরি &lt;a class="bb-url" href="https://spreadsheets.google.com/spreadsheet/viewform?formkey=dG9weWtPQXg3N0hpTE9MWlg0M18yY2c6MQ"&gt;এই লিংক&lt;/a&gt; থেকে ফর্ম ফিলাপ করতে পারেন। অন্যকে বলার জন্য সহজ লিঙ্ক হল &lt;a class="bb-url" href="http://bit.ly/lubd11"&gt;http://bit.ly/lubd11&lt;/a&gt; (lubd11 = Linux Users Bangladesh 2011)।  আর কথা না বাড়াই, ধন্যবাদ।&lt;br /&gt;.&lt;/div&gt;&lt;iframe src="https://spreadsheets.google.com/embeddedform?formkey=dG9weWtPQXg3N0hpTE9MWlg0M18yY2c6MQ" width="760" height="2110" frameborder="0" marginheight="0" marginwidth="0"&gt;ফর্ম লোড হচ্ছে ...&lt;/iframe&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-9221326599331463793?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/9221326599331463793/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=9221326599331463793' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/9221326599331463793'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/9221326599331463793'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/05/blog-post.html' title='জরিপ: বাংলাদেশে কয়জন লিনাক্স ব্যবহার করেন?'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-7878421136486993209</id><published>2011-05-05T07:15:00.001+06:00</published><updated>2011-05-05T11:16:54.670+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ ও দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>PTC হল প্রতারককে সাহায্য করা – ভুল বললে শুধরিয়ে দিন</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="entry"&gt;কিছু বাংলা ব্লগসাইটে PTC বা Pay to Click নিয়ে পোস্টের ছড়াছড়ি দেখে খারাপ লাগে।  পিটিসি টাকা ইনকামের কোন সম্মানজনক পদ্ধতি বলে মনে হয় না কখনই। এটা সংঘবদ্ধ  প্রতারককে সহযোগীতা করার একটা পদ্ধতি ছাড়া কিছুই না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছুদিন আগে আমাদের দেশে বেশ কিছু কাজ আসতো, ছবি দেখে ওখানে যা লেখা আছে  তা টাইপ করার কাজ। ছবির লেখাগুলো খুব সাধারণ আর দৈর্ঘ্যও খুব বেশি না -  একটা কি দুইটা শব্দ। পাবলিক তো ভাবলো, আহ্ কি সহজ কাজ -- টাকাও কামাইলো।  কিন্তু ফলাফল হল বাংলাদেশের অনেক আইএসপি এখন ব্ল্যাক লিস্টেড এই কারণে।  কারণটা কী? জানতে চান?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কারণ - এগুলো ছিল ক্যাপচা পূরণের কাজ। বিভিন্ন সাইটে রেজিস্ট্রেশন বা  পোস্ট করার জন্য স্প্যাম ঠেকানোর জন্য ক্যাপচা দেয়া হয়। উদ্দেশ্য হল  অটোমেটিক কোন স্ক্রিপ্ট দিয়ে এখানে তাহলে স্প্যামারটা কিছু পোস্ট করতে  পারবে না - কারণ অটোমেটিক স্ক্রিপ্ট এই ক্যাপচা পূরণ করতে অক্ষম। দুষ্টু  স্প্যামাররা তখন সেই কাজ করার জন্য এই কাজ আউটসোর্সিং করলো। ওদের স্ক্রিপ্ট  একটা করে ক্যাপচা নিয়ে আসে আর এখানকার লোক টাকার জন্য সেটা পূরণ করা মাত্র  ওদের স্ক্রিপ্ট ওখানে একটা স্প্যাম পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু দোষ হয় এখানকার  আইপি'র। কারণ ওখানকার এডমিনরা দেখে যে, এখানকার আইপি থেকে এই ক্যাপচা পূরণ  করে স্প্যাম পোস্ট করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবার আসি পিটিসির ব্যাপারে। অ্যাডসেন্স কিভাবে কাজ করে সেটা বুঝতে হবে  এজন্য। ইন্টারনেটে কোনো কম্পানি বিজ্ঞাপন দিলে সেটার জন্য পেমেন্ট দেয়ার  সিস্টেমটা বেশ সুন্দর। তবে সেটা বলার আগে ইন্টারনেটের বদলে বাইরের  বিজ্ঞাপনের কথা বলি .... ... একটা বিলবোর্ডে বিজ্ঞাপন দিলে সেটার ভাড়া  স্থানভেদে ভিন্ন হয়। ঢাকার ফার্মগেটের মত জায়গায় যেখানে প্রচুর লোক এই  বিজ্ঞাপন দেখে সেখানে বড়সড় একটা বিলবোর্ডের ভাড়া মাসে লাখটাকার মত, আর একই  বিলবোর্ড মিরপুর বা অন্য জায়গায় হলে সেটার ভাড়া ত্রিশহাজার টাকার মত। ভাড়ার  এই তারতম্যের কারণ হল এই বিলবোর্ড কতজন সম্ভাব্য কাস্টমারের কাছে পণ্যটার  কথা পৌঁছে দিচ্ছে সেটা। বেশি কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দিলে চার্জ বেশি, আর কম  কাস্টমারে চার্জ কম। একই কারণে বেশি প্রচারসংখ্যার পত্রিকায় বিজ্ঞাপনের  চার্জ বেশি (বেশি লোকের কাছে পণ্যের বিজ্ঞাপন পৌঁছাচ্ছে)। প্রথম আলোর মত  পত্রিকার প্রথম পাতায় একবার (১ দিন) ৩*৫ বর্গইঞ্চি বিজ্ঞাপনের চার্জ লাখটাকা, কিন্তু একই  বিজ্ঞাপন ৭ নম্বর পাতায় দিলে সেটার চার্জ ২০ হাজার -- কারণটা একই ... প্রথম  বা শেষ পাতার বিজ্ঞাপন বেশি লোক দেখে, ভেতরের পাতার বিজ্ঞাপন দেখে কম  মানুষ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে এই বিজ্ঞাপনের রেট আরো বেশি যুক্তিসংগত  করা গেছে। শুধুমাত্র সম্ভাব্য কতজন ক্রেতা সেই বিজ্ঞাপন দেখছে সেটার উপর  ভিত্তি করে এখানেও ভাড়া বা মূল্য পরিশোধ করা হয়। একটা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে  এটা সম্পর্কে আরেকটু ডিটেইলস খোঁজ খবর নেবে শুধুমাত্র আগ্রহী ক্রেতা,  অন্যরা এই ব্যাপারে আগ্রহী না হলে এটাতে ক্লিক করার মত কাজ করে সময় নষ্ট  করবে না। যেমন: আমি যখন ক্যামেরা কেনার কথা চিন্তা করি তখনই শুধু বিভিন্ন  ক্যামেরার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে স্পেসিফিকেশন দেখবো, কেনার চিন্তাভাবনা না  থাকলে শুধু শুধু ক্লিক করে সময় ও ব্যান্ডউইড্থ নষ্ট করবো না। আবার, কখনো  দেখা যায় ভুল ক্রমে কেউ একটা বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে ফেলেছে - তখন দ্রুত সে ঐ  সাইট থেকে বেরিয়ে যায়, বিজ্ঞাপনে কী লেখা আছে সেটা পড়ার দরকার বোধ করে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাই ইন্টারনেটে বিজ্ঞাপন দাতাগণ এখানে বিজ্ঞাপনে কতগুলো ক্লিক হয়েছে  সেটার উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন প্রকাশের সাইটকে মূল্য পরিশোধ করে। তবে  আগ্রহী ক্রেতা তারাই যারা অন্তত ৩০ সেকেন্ড ঐ বিজ্ঞাপনটা দেখেন, এর চেয়ে কম  দেখলে তিনি আসলে আগ্রহী ক্রেতা নন, ভুলক্রমে ঐ সাইটে ক্লিক করে ঢুকেছিলেন  বলে ধরা হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এইখানেই পিটিসি সাইটগুলো চিট করে। আপনি ক্লিক করে ঢুকছেন, ৩০ সেকেন্ড  থাকছেন --- কাজেই আপনি সম্ভাব্য ক্রেতা। এই ক্লিকের জন্য বিজ্ঞাপনদাতা  সাইটকে পে করবে। আর সাইটওয়ালা আসলে অসৎ ... ... কারণ তার সাইটে আসলে জেনুইন  ক্রেতা ক্লিক করে নাই, করেছে ভাড়া করা ক্রেতার অভিনেতা (আপনি)। তাই তার  ইনকাম থেকে কিছু অংশ আপনার অভিনয়ের চার্জ হিসেবে দিয়ে দিচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একই কারণে একই বিজ্ঞাপনে একাধিকবার ক্লিক করা নিষেধ। কারণ সেখানে মূল  বিজ্ঞাপনদাতার একজন সম্ভাব্য ক্রেতার জন্য একবারই মূল্য পরিশোধের কথা। আপনি  একাধিকবার ক্লিক করলে সেটার জন্য সাইটওয়ালা চার্জ করবে এতে সাইটওয়ালাকে  বিজ্ঞাপনদাতা এর জন্য টাকা তো দেবেই না উল্টা মিথ্যাবাদী বলবে আর ভবিষ্যতে  বিজ্ঞাপনও দেবে না। তাই সাইটওয়ালারা এই অভিনেতা ক্রেতা আনার ব্যাপারে খুবই  সতর্ক। একাধিক ক্লিক করলে পিটিসি একাউন্ট বাতিল ... .... .... মিয়া  প্রতারণার সহযোগী হতে হলে আরো স্মার্ট হতে হবে - সহযোগীতা করতে গিয়ে  ওস্তাদরে ফাঁসায় দিবেন নি - আপনি বাতিল!&lt;br /&gt;এই হইলো কাহিনী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুরাটা আমার কমনসেন্স থেকে লিখেছি। ভুল থাকতে পারে। থাকলে ধরিয়ে দিবেন  আশা করছি ... ... আর সিদ্ধান্ত নিবেন - এই প্রতারণার সহযোগী হবেন কি না।&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-7878421136486993209?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/7878421136486993209/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=7878421136486993209' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7878421136486993209'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7878421136486993209'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/05/ptc.html' title='PTC হল প্রতারককে সাহায্য করা – ভুল বললে শুধরিয়ে দিন'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-1197150813682875964</id><published>2011-04-23T02:27:00.001+06:00</published><updated>2011-04-23T11:27:41.649+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>ফ্রী ক্যাড প্রোগ্রাম (পূণর্লিখিত)</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="entry"&gt;কম্পিউটার ব্যবহার করছেন কিন্তু অটোক্যাডের নাম শোনেননি এমন পাঠক  হয়তো  পাওয়া যাবে না। অটোডেস্ক কোম্পানির এই সফটওয়্যারটি পুরকৌশলে ক্যাড   (কম্পিউটার এইডেড ড্রইং) কাজের জন্য অলিখিত স্ট্যান্ডার্ড হিসেবে বিবেচিত   হয়। বিভিন্ন কাজে অটোক্যাড প্রোগ্রামটি এদেশেও বহুল ব্যবহৃত হয়; এমনকি   কারিগরী শিক্ষাবোর্ডের ডিপ্লোমা পাঠ্যক্রমেও এই সফটওয়্যার ব্যবহারের কোর্স আছে (অনেক আগে একবার সেই কোর্স পড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলাম!)। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অটোক্যাড শেখার জন্য বাজারে দারুন সব বই পাওয়া যায়। তবে প্রাথমিক কাজগুলো শিখে ফেললে ঐ মোটা বইগুলোর বদলে পকেট রেফারেন্স হ্যান্ডবুক বেশি কাজে লাগে। দেশে অটোডেস্ক সার্টিফায়েড ট্রেনিং সেন্টারগুলোও দারুন ব্যাবসা করছে। আমি অবশ্য সেই বই পড়ে এটা ব্যবহার করা শিখেছিলাম। তবে সত্যিকারের কাজ  তেমন না থাকাতে উৎসাহটা খুব দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। আমি মূলতঃ পুরকৌশলী (সিভিল  ইঞ্জিনিয়ার), তাই প্র্যাকটিসের জন্য যে বাসাগুলোতে থাকতাম সেগুলোর  ক্যাড  ড্রইং করে ফেলতাম। এছাড়া অবশ্য খুব ক্ষুদ্র পরিসরে দুই/তিনটা কাজ  করেছিলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সেই সময়ে বাসা বাড়ির ড্রইং করার জন্য আরো কিছু ক্যাড সফটওয়্যার ঢাকাতে পাওয়া যেত। এমন একটার নাম থ্রিডি হোম আর্কিটেক্ট। এটা খুব সহজ এবং মজার   হলেও অটোক্যাডের মত স্বাধীনতা থাকতো না। তবে সুবিধা হল বিভিন্ন ক্যাড প্রোগ্রামগুলোকে একটা সাধারণ ফরম্যাটে সংরক্ষণ করে ফাইল আদান প্রদান করা যায়। তাই ঐটা দিয়ে দ্রুত একটা ড্রইং এর কাঠামো দাঁড় করিয়ে পরবর্তীতে অটোক্যাড দিয়ে সেটাকে মানুষ করা যেতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু পাইরেসি থেকে দুরে থাকার লক্ষ্যে বেশ কয়েকবছর যাবত আমি মোটেও অটোক্যাড ব্যবহার করিনা। বরং ঠিক অটোক্যাডের মত কিছু ফ্রীওয়্যার ব্যবহার করি। এই লেখায় আপনাদেরকে সেই ক্যাড সফটওয়্যারগুলো সম্পর্কে যৎসামান্য জানি তা বলার চেষ্টা করবো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h2&gt;প্রোজক্যাড&lt;/h2&gt;&lt;br /&gt;যখন ল্যাপটপে উইন্ডোজ ব্যবহার করতাম তখন ক্যাডের জন্য ব্যবহার করতাম &lt;a href="http://www.progesoft.com/" target="_blank"&gt;ProgeCAD&lt;/a&gt; নামে একটা প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামটির নিজস্ব ইন্টারফেস ছাড়াও হুবহু অটোক্যাড ইন্টারফেস আছে যেটা ইনস্টলের সময়ই নির্ধারণ করে দেয়া যায়; এমনকি  অটোক্যাডের সমস্ত কমান্ডও এখানে হুবহু একই কাজ করে। ProgeCAD-এর এই   ফ্রীওয়্যারটির ক্ষমতা সীমিত — যা 2D টু-ডাইমেনশনাল ড্রাইং পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। 3D, অ্যানিমেশন, রেন্ডারিং এটা দিয়ে করা যায় না …. বিদেশে   উচ্চতর লেখাপড়া করার সময় আমার টুকটাক ড্রাইং-এর জন্য এটাই যথেষ্ট ভালো সাপোর্ট দিয়েছিল।  কিছুদিন আগেই এটার নতুন ভার্সান বাজারে ছাড়লো। যথারীতি 2D ক্ষমতার ফ্রী ভার্সানটিও আছে। উচ্চতর কাজের জন্য এটার প্রোফেশনাল   ভার্সানগুলো যথেষ্ট দাম দিয়েই কিনতে হবে, তবে সেগুলো অটোক্যাডের চেয়ে সস্তা। এটার লেটেস্ট ভার্সনটারও একটা ফ্রী ট্রায়াল ভার্সন আছে, তবে আগের  বছরগুলোতে ফ্রী ট্রায়ালটার অসীম সময়ের জন্য কিন্তু সীমিত ক্ষমতার হত (2D), কিন্তু ইদানিংকার ফ্রী-ট্রায়ালগুলো পূর্ণ ক্ষমতার কিন্তু সীমিত সময়ের জন্য (১ মাস)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এটার  কোনো লিনাক্স ভার্সান নাই, তবে wine নামক একটা পদ্ধতিতে এটা   লিনাক্সেও ব্যবহার করা যাচ্ছে। এই সফটওয়্যার  দিয়ে আঁকা আমার একটা ড্রইং-এর   নমুনা দেখেন; লেখাগুলো পরবর্তীতে ডকুমেন্টে  পেস্ট করার পর ওপেন অফিস  থেকে  করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-cFcHozUcH1c/RojMn2A7c0I/AAAAAAAAAA0/T_YPjTIXBgE/s1600/GSF1.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/-cFcHozUcH1c/RojMn2A7c0I/AAAAAAAAAA0/T_YPjTIXBgE/s1600/GSF1.jpg" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h2&gt;কিউক্যাড&lt;/h2&gt;এই মাত্র তিন বছর আগেও লিনাক্সে (উবুন্টুতে) ক্যাডের জন্য ভালো কিছু ছিল না। তাই ইউজার ফোরামগুলোতে এই নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা হত, এমনকি ওয়াইন নামক সফটওয়্যার দিয়ে অটোক্যাড চালানোর জন্যও সাহায্য চেয়ে পোস্ট থাকতো। তখন বেশ কিছু ক্যাড সফটওয়্যারের নাম জানতে পারি। ব্রিক্সক্যাড নামক একটা সফটওয়্যারের স্ক্রীনশট দেখে বেশ পছন্দ হয়েছিল। এটার উইন্ডোজ এবং লিনাক্স   ভার্সান ছিল, কিন্তু কোনটাই ফ্রী ছিল না; তাই শুধু ক্রীনশট দেখেই সন্তুষ্ট   থাকতে হয়েছিলো। এছাড়া আরো ডজনখানেক ক্যাড সফটওয়্যারের মধ্যে স্যাগক্যাড(SagCAD) এবং কিউক্যাডকে (QCAD) একটু জাতের মনে হয়েছিলো। স্যাগ ক্যাড দিয়ে কিছু আঁকা গেলেও কিউ ক্যাডের কিছুই বুঝতে পারি নাই সেই সময়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিন্তু দিন বদলেছে; উবুন্টু ৮.০৪ বা ৮.১০ থেকে QCAD প্রোগ্রামটা দিয়ে   কাজ করার পদ্ধতি জেনে গেলাম (অথবা প্রোগ্রামটা উন্নত হওয়াতে সেটা করতে   পারলাম)। এখন (উবন্টু ১০.১০, মিন্ট জুলিয়া ইত্যাদিতে)  অনায়েসে অতি সহজে  এটা দিয়ে প্রয়োজনীয় আঁকাআঁকির কাজ করছি। রিবনসফট  কোম্পানির এই  সফটওয়্যারটির লিনাক্স ভার্সান ফ্রী, উইন্ডোজেও কমিউনিটি  ডেভেলপড একটা  ওপেনসোর্স এবং ফ্রী ভার্সান আছে বলে ওদের ওয়েবসাইটে দেখলাম।  উবুন্টু  লিনাক্স থেকে এটা দিয়ে খুব তাড়াহুড়া করে আঁকা একটি নমুনা দেখুন।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-xF3yCRM2pRQ/SwmHxRu5QXI/AAAAAAAAAh8/xwmitIvwou8/s1600/baghouse.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="640" src="http://2.bp.blogspot.com/-xF3yCRM2pRQ/SwmHxRu5QXI/AAAAAAAAAh8/xwmitIvwou8/s640/baghouse.jpg" width="528" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;একটা স্পনিং মিলের লেআউট প্ল্যান করে দিয়ে এই খাতে আমার প্রথম  কনসালটেন্সির রোজগারটাও কিউক্যাড দিয়েই করেছিলাম। একটা ট্রায়ালের নমুনা  আউটপুট দেখুন&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/-r5O9GKYV2sQ/TbGnxWSZhkI/AAAAAAAAA2o/l8qSaJ8plio/s1600/spinning-05.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="480" src="http://2.bp.blogspot.com/-r5O9GKYV2sQ/TbGnxWSZhkI/AAAAAAAAA2o/l8qSaJ8plio/s640/spinning-05.png" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এবার একটু 3D মডেলারের কথা বলি, এগুলো আমার ঠিক কাজে লাগে না তবে দেখার জন্য নামিয়েছিলাম:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h2&gt;সুইট হোম থ্রিডি&lt;/h2&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.sweethome3d.com/index.jsp" target="_blank"&gt;Sweet Home 3D&lt;/a&gt;  পুরা থ্রীডি হোম আর্কিটেক্টের মত একটা সফটওয়্যার, তবে এটা ওপেনসোর্স। এটা  দিয়ে দারুন মডেল করা যায়। এটা উইন্ডোজ, ম্যাক বা লিনাক্সে চলে। &lt;a href="http://www.sweethome3d.com/download.jsp" target="_blank"&gt;ডাউনলোড পাতার লিংক&lt;/a&gt;। আমার গুতাগুতির একটা ফলাফলের স্ক্রিনশট দেখুন:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-7360aLsAXPg/TbGn_yv0aoI/AAAAAAAAA2s/iwHZQnGQrVU/s1600/Screenshot-trial-01.sh3d+-+Sweet+Home+3D.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="374" src="http://1.bp.blogspot.com/-7360aLsAXPg/TbGn_yv0aoI/AAAAAAAAA2s/iwHZQnGQrVU/s640/Screenshot-trial-01.sh3d+-+Sweet+Home+3D.png" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h2&gt;গুগল স্কেচআপ&lt;/h2&gt;&lt;br /&gt;এটা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নাই। ইতিমধ্যেই দেশের আর্কিটেকচারাল  ফার্মগুলো দ্রুত মডেল বানানোর জন্য এটা ব্যবহার করা শুরু করেছে। আমার  হাতুড়েগিরি করা একটা মডেলের ছবি দেখুন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-U8tkd4YRQUE/TbGredABwRI/AAAAAAAAA20/CjzB9TDpoAc/s1600/Screenshot-masud1.skp+-+SketchUp.png" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="374" src="http://3.bp.blogspot.com/-U8tkd4YRQUE/TbGredABwRI/AAAAAAAAA20/CjzB9TDpoAc/s640/Screenshot-masud1.skp+-+SketchUp.png" width="640" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;ফ্রী (কিন্তু ওপেনসোর্স নয়) এই সফটওয়্যারটা মূলত ম্যাক ও উইন্ডোজের জন্য হলেও ওয়াইন দিয়ে লিনাক্সে অনায়েসেই চালাচ্ছি। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://sketchup.google.com/" target="_blank"&gt; এর হোমপেজের লিংক।&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://sketchup.google.com/intl/en/download/index.html" target="_blank"&gt;ডাউনলোড পেজের লিংক&lt;/a&gt;।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;br /&gt;==============&lt;br /&gt;পুরকৌশলে ব্যবহৃত কয়েকটি ক্যাড সফটওয়্যারের ওয়েবপেজের লিংক এবং দামের তালিকা:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://usa.autodesk.com/"&gt;অটোক্যাড&lt;/a&gt; – ৪৯৯৫ ডলার, &lt;a href="http://www.nextag.com/autocad-full/compare-html"&gt;রিসেলারদের কাছ থেকে কমেও (৮৫০ ডলার)পাওয়া যায়&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;তবে &lt;a href="http://students.autodesk.com/"&gt;http://students.autodesk.com/&lt;/a&gt;  থেকে লিগাল ভাবেই অটোক্যাডের ফ্রী স্টুডেন্ট ভার্সন নামানো যায়। এজন্য আগে  ওখানে গিয়ে রেজি: করতে হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডোমেইনের ইমেইল আইডি হলে  রেজি: করতে সুবিধা হয়। অনলাইনেই রেজি: করতে ২/৩ দিন সময় লাগে। আমার নিজেরও  এমন একটা আইডি আছে ওখানে।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.progesoft.com/"&gt;প্রোজক্যাড&lt;/a&gt; (&lt;a href="http://www.progesoft.com/en/smart-2009"&gt;ডাউনলোড ফ্রী ভার্সান&lt;/a&gt;) প্রফেশনাল ৪০০ ডলার থেকে&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.bricsys.com/en_INTL/"&gt;ব্রিক্সক্যাড&lt;/a&gt; – ৩৮০ ডলার থেকে দাম শুরু&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.zwcad.org/"&gt;ZWCAD&lt;/a&gt; – ৪৯৫ ডলার; &lt;a href="http://www.zwcad.org/cad-software-download/cad-download-list.html"&gt;১ মাসের ট্রায়াল ডাউনলোড&lt;/a&gt;; &lt;a href="http://www.download3000.com/download_17876.html"&gt;ফ্রী ডাউনলোড!&lt;/a&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;&lt;a href="http://www.qcad.org/"&gt;কিউক্যাড &lt;/a&gt; – লিনাক্সে ফ্রী, উইন্ডোজে ৩৭.৫ ডলার থেকে&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;নাম দিয়ে গুগলে সার্চ দিলে আরও অনেক তথ্য পাওয়া যাবে।&lt;br /&gt;(&lt;a href="http://techtunes.com.bd/open-source/tune-id/64999/"&gt;একই সাথে টেকটিউনসে প্রকাশিত&lt;/a&gt;) &lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-1197150813682875964?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/1197150813682875964/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=1197150813682875964' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/1197150813682875964'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/1197150813682875964'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/04/blog-post_23.html' title='ফ্রী ক্যাড প্রোগ্রাম (পূণর্লিখিত)'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-cFcHozUcH1c/RojMn2A7c0I/AAAAAAAAAA0/T_YPjTIXBgE/s72-c/GSF1.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-8008000841560484169</id><published>2011-04-21T16:22:00.008+06:00</published><updated>2011-04-22T10:55:26.262+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>GIMP দিয়ে সহজে এনিমেশন বানানো</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="entry"&gt;আমি হাতুড়ে গিম্প ব্যবহারকারী। গিম্প একটা ওপেনসোর্স ও ফ্রী  সফটওয়্যার যেটা দামী ফটোশপের বিকল্প হিসেবে ব্যাক্তিপর্যায়ে ব্যবহার করা  যায়। আরও মজার ব্যাপার হল গিম্প লিনাক্সের বেশিরভাগ জনপ্রিয়  ডিস্ট্রিবিউশনের সাথেই দেয়া থাকে, এমনকি লাইভ সিডি থেকেই চালানো যায়। এছাড়া  উইন্ডোজ আর ম্যাকেও গিম্প চলে। আমি যেহেতু এনিমেশন বা গ্রাফিক্সের কাজ করে  লাখ লাখ টাকা কামাই না, শুধু শখের বশে এটা ওটা করি তাই অত টাকা খরচ করে  ফটোশপ কেনার প্রয়োজন দেখি না। আমার যেই কাজ সেটার জন্য গিম্পই যথেষ্টর  চেয়েও বেশি।&lt;br /&gt;সাধারণত সহজ সরল এনিমেশন বানানোর জন্য গিম্পের উপরই ভরসা করি এখনো। প্রথমে সহজ সরল বলতে কী বুঝাচ্ছি সেটা দেখেন একটু:&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/-YR3PTiA9zok/TbBCd0Fck4I/AAAAAAAAA1w/lzX5Y-FlLrI/s1600/GIMP_Animation.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://1.bp.blogspot.com/-YR3PTiA9zok/TbBCd0Fck4I/AAAAAAAAA1w/lzX5Y-FlLrI/s1600/GIMP_Animation.gif" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এটা  ৭৫x৭৫ পিক্সেলে করা একটা ইমেজ। এটাতে তিনটা ছবি ১ সেকেন্ড পরপর  দেখাচ্ছে। এ ধরণের এনিমেশন (এটাকে যদি এনিমেশন বলার দূঃসাহস দেখাই) বানানো  যায় গিম্প দিয়েই।&lt;br /&gt;এটা করা অসম্ভব সোজা। গিম্পর লেআউটও ফটোশপের মতই। এজন্য শুধু আলাদা  আলাদা লেয়ারে বিভিন্ন ছবি জিনিষ রেখে সেটাকে সেভ এ্যাজ করে gif ইমেজ   হিসেবে সেভ করতে হয়। তারপর সেভ করার সময় এনিমেশন অপশনটা সিলেক্ট করতে হয়।  উপরের ইমেজটাও gif ইমেজ যেটাতে তিন লেয়ারে তিনটা ছবি/টেক্সট দেয়া হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই ছবিটা বানানোর জন্য অবশ্য শুরুতে একটা নতুন ব্ল্যাংক ফাইল খুলেছিলাম।  File –-&amp;gt; New থেকে। আপনারা এভাবেও করতে পারেন কিংবা একটা ছবিকেও গিম্প  দিয়ে খুলে তার উপর কাজ করতে পারেন। নতুন ফাইল খুললে এমন একটা উইন্ডো আসে  যেখানে আপনার পছন্দ বা পরিকল্পনা অনুযায়ী সাইজ, রেজুলুশন, ব্যাকগ্রাউন্ড  ঠিক করে দিতে পারবেন।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAxHak8tXI/AAAAAAAAA1I/9r2ae5-puik/s800/Screenshot-Create%2520a%2520New%2520Image.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="320" src="http://3.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAxHak8tXI/AAAAAAAAA1I/9r2ae5-puik/s320/Screenshot-Create%2520a%2520New%2520Image.jpg" width="234" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এরপর সুবিধামত লেয়ারগুলোতে ছবি রাখুন। আমার কাজের স্ক্রিনশট এরকম: ওহহো  পুরা স্ক্রিনশট নিলে অনেক বড় ছবি হবে তাই দরকারী শুধু লেয়ার প্যানেলটা  দেখালাম। এই প্যানেলের নিচে যেই আইকনগুলো দেখছেন সেগুলোর দিয়ে নতুন লেয়ার  যোগ করা, ডুপ্লিকেট লেয়ার বানানো, লেয়ার মুছে ফেলা ইত্যাদি বিভিন্ন কাজ করা  যায়। ওগুলোর উপরে মাউস নিয়ে গেলেই টুলটিপে সাহায্য দেখাবে। এই একই কাজগুলো  মেনু থেকেও করা যায়, সম্ভবত শর্টকাট কী-ও আছে।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://4.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAyvG-1nnI/AAAAAAAAA1g/9jk7PD0JLIs/s800/Screenshot_layers.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="320" src="http://4.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAyvG-1nnI/AAAAAAAAA1g/9jk7PD0JLIs/s320/Screenshot_layers.jpg" width="146" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সব লেয়ার রেডি হলে এরপরের কাজ হল File মেনু থেকে Save as সিলেক্ট করা।  কিংবা শর্টকাট কী Shift+Ctrl+S। এতে যে উইন্ডো খুলবে সেটাতে কোথায় সেভ  করবেন সেটা দেখায় দেয়া ছাড়াও gif হিসেবে সেভ করার জন্য দেখিয়ে দিতে হবে।  এজন্য নিচের বামদিকে: Select File &lt;span style="text-decoration: underline;"&gt;T&lt;/span&gt;ype  (By Extension) লেখাটায় ক্লিক করলেই নিচে বিভিন্ন অপশন পাবেন। সেখান থেকে  GIF Imageটা সিলেক্ট করতে হবে। তারপর নিচের Save এ ক্লিক করতে হবে।&lt;br /&gt;এতে নিচের ছবির মত একটা অপশন আসবে। এতে আপনাকে Save as Animation  সিলেক্ট করে দিতে হবে। (ডিফল্ট হিসেবে অন্যটা থাকে) … বুঝতেই পারছেন এটা না  করলে এনিমেট না করে সব লেয়ার মার্জ বা ফ্ল্যাটেন কর দেবে। অপর অপশনটা ঠিক  আছে কি না চেক করে Export এ ক্লিক করুন।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://1.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAxRtt4pII/AAAAAAAAA1Q/Y0LKLLc1fks/s800/Screenshot-Export%2520File.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="227" src="http://1.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAxRtt4pII/AAAAAAAAA1Q/Y0LKLLc1fks/s320/Screenshot-Export%2520File.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এটা করলে গিম্প আপনাকে এনিমেশনের বৈশিষ্ট ঠিক করার জন্য GIF Options নামে নিচের ছবির মত আরেকটা উইন্ডো দেখাবে।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAxNVNEn8I/AAAAAAAAA1M/UBTf9FFdmZM/s800/Screenshot-Save%2520as%2520GIF.jpg" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" height="265" src="http://3.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAxNVNEn8I/AAAAAAAAA1M/UBTf9FFdmZM/s320/Screenshot-Save%2520as%2520GIF.jpg" width="320" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এখানে আপনাকে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী অপশন সিলেক্ট করতে হবে। তারপর Save দিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;উপরে আমি Loop forever এ চেক দিয়েছি – এতে অ্যানিমেশনটি অনবরত চলতে থাকবে। এটা না দিলে একবার দেখিয়েই থেমে যেত।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;Delay ১০০০ মিলিসেকেন্ড (=১ সেকেন্ড) দিয়েছি। এতে প্রতিটা লেয়ারের ছবি ১  সেকেন্ড করে দেখাবে। (অর্থাৎ আমার তিনটি লেয়ার মোট ৩ সেকেন্ডে দেখাবে)&lt;/li&gt;&lt;li&gt;One frame per layer (replace) দিয়েছি। এতে প্রতিটা ছবি আলাদা আলাদা ভাবে দেখাবে। অন্য অপশনটায় একটার উপরে আরেকটা একসাথে দেখাতো।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;ব্যাস হয়ে গেল এনিমেশন করা ইমেজ।&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="text-align: left;"&gt;&lt;br /&gt;এখানে আরেকটা উদাহরণ যোগ করলাম।  এখানে  দুইটা লেয়ার এবং মাঝখানে ২ সেকেন্ড গ্যাপ দেয়া হয়েছে (=২০০০  মিলিসেকেন্ড),  অনন্ত লুপ হিসেবে রাখা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://2.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAE_O3lTQI/AAAAAAAAA1E/i5LHILecUZU/s800/Animated_logo.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://2.bp.blogspot.com/_QKHxtIJk6UI/TbAE_O3lTQI/AAAAAAAAA1E/i5LHILecUZU/s1600/Animated_logo.gif" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;এটাতে দুইটা ছবি। ৫০০ মিলিসেকেন্ড বিরতি।&lt;br /&gt;&lt;div class="separator" style="clear: both; text-align: center;"&gt;&lt;a href="http://3.bp.blogspot.com/-wPtVln0EVsg/TbEKCO0BrFI/AAAAAAAAA2U/2y8AI4XBXt0/s1600/005.gif" imageanchor="1" style="margin-left: 1em; margin-right: 1em;"&gt;&lt;img border="0" src="http://3.bp.blogspot.com/-wPtVln0EVsg/TbEKCO0BrFI/AAAAAAAAA2U/2y8AI4XBXt0/s1600/005.gif" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;উইন্ডোজের জন্য গিম্প ডাউনলোড করা যাবে এখান থেকে (১৯.৪ মেগাবাইট): &lt;a href="http://gimp-win.sourceforge.net/stable.html"&gt;http://gimp-win.sourceforge.net/stable.html&lt;/a&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-8008000841560484169?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/8008000841560484169/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=8008000841560484169' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8008000841560484169'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8008000841560484169'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/04/gimp_21.html' title='GIMP দিয়ে সহজে এনিমেশন বানানো'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://1.bp.blogspot.com/-YR3PTiA9zok/TbBCd0Fck4I/AAAAAAAAA1w/lzX5Y-FlLrI/s72-c/GIMP_Animation.gif' height='72' width='72'/><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-4279992474439789689</id><published>2011-04-21T14:16:00.002+06:00</published><updated>2011-09-06T21:19:41.247+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইভেন্ট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>রংপুরে পেঙ্গুইন মেলা – ২২ শে এপ্রিল ২০১১</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;div class="entry"&gt;    দেশকে সফটওয়্যার পাইরেসীর কলংক থেকে মুক্তি দিতে ও গ্লানি মুক্ত করে   মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে দামী সফটওয়্যার চুরির মনোবাসনা পরিত্যাগ করতে   হবে। বাংলাদেশের বর্তমান অর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে সকল   ছাত্র-জনতার পক্ষে দামী সফটওয়্যার ক্রয় করে ব্যবহার করা সম্ভব নয়। তাই এর   বিকল্প হল ওপেন সোর্স এবং ফ্রী সফটওয়্যারগুলো। উন্মুক্ত বা ওপেনসোর্স   সফটওয়্যারের সুবিধা হল এর উৎসের কোডগুলো সকলে দেখতে পারে, ফলে লুকিয়ে কোন   ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম এতে দেয়া আছে কি না তা সহজেই বের করা যায়, যা   নিরাপত্তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া সোর্সকোড উন্মুক্ত বলে আগ্রহী   শিক্ষার্থীগণও এ থেকে উপকৃত হতে পারে। উন্মুক্ত সফটওয়্যার বিশ্বের যে কোন   প্রান্ত থেকে যে কেউ মানোন্নয়ন করতে পারেন আর এজন্য এগুলো খুব দ্রুত উন্নত   আর ব্যবহারবান্ধব হয়ে ওঠে। দেশকে পাইরেসীর গ্লানি ও কলংক মুক্ত করার একটা   ক্ষুদ্র প্রয়াস হিসেবে FOSS Bangladesh দেশে মুক্ত সফটওয়্যার প্রসারে   স্বেচ্ছাসেবা দেয়ার জন্য একটা প্লাটফরম।&lt;br /&gt;এই সংগঠনের বিভিন্ন  কার্যক্রমের মধ্য নিয়মিত ভাবে সচেতনতামূলক  অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।  খুলনা, রাজশাহী, ঢাকা, টাঙ্গাইলের পরে এবার  এরই ধারাবাহিকতায় রংপুরে আয়োজন  করা হয়েছে পেঙ্গুইন মেলা। এর বিস্তারিত:&lt;br /&gt;&lt;h2&gt;বিস্তারিত&lt;/h2&gt;&lt;h3&gt;অনুষ্ঠানের শিরোনামঃ&lt;/h3&gt;“পেঙ্গুইন মেলা – ২০১১” রংপুর বিভাগ&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;তারিখঃ&lt;/h3&gt;২২ শে এপ্রিল ২০১১, রোজ শুক্রবার।&lt;br /&gt;বিকাল ৩:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৬:৩০ মিনিট&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;স্থান:&lt;/h3&gt;হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় মিলনায়তন-২&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;আয়োজকঃ&lt;/h3&gt;ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;সহযোগীতায়ঃ&lt;/h3&gt;তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, দিনাজপুর, রংপুর&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;অনুষ্ঠানসূচীঃ (মোট ৩ ঘন্টা)&lt;/h3&gt;&lt;ul&gt;&lt;li&gt;লিনাক্স পরিচিতি, ইনস্টলেশন ও ব্যবহার&lt;br /&gt;(বিকাল ৩:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৫:০০ মিনিট) &lt;ul&gt;&lt;li&gt;লিনাক্স পরিচিতি&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; — ৩০ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;লিনাক্স মিন্ট পরিচিতি&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;– ৩০ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;লিনাক্স মিন্ট ইন্সটল ও কনফিগার করা&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; — ৩০ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/li&gt;&lt;li&gt;চা-বিরতি&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp;– ৩০ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;সমস্যা সমাধান&lt;br /&gt;(বিকাল ৫:৩০মিনিট থেকে সন্ধ্যে ৬:৩০ মিনিট) &lt;ul&gt;&lt;li&gt;প্রশ্নোত্তর ও বিভিন্ন সমস্যার সমাধান&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; — ৩০ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;দর্শকের অংশগ্রহনে আলোচনা&amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; &amp;nbsp; — ৩০ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;h3&gt;ডিভিডি সংগ্রহ&lt;/h3&gt;অনুষ্ঠানস্থল থেকে স্বল্পমূল্যে ওপেনসোর্সড থ্রি-ডি গেমসহ লিনাক্স মিন্ট ১০ জুলিয়া’র সংকলিত ডিভিডি সংগ্রহ করা যাবে।&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-4279992474439789689?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/4279992474439789689/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=4279992474439789689' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/4279992474439789689'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/4279992474439789689'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/04/blog-post.html' title='রংপুরে পেঙ্গুইন মেলা – ২২ শে এপ্রিল ২০১১'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-2923294074619843662</id><published>2011-04-10T22:41:00.002+06:00</published><updated>2011-04-11T11:48:27.491+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>ছবির উজ্জ্বলতা ঠিক করার জন্য GIMP এর একটি কৌশল</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;অনেক সময় ছবি তুললে দেখা যায় ছবি অন্ধকার। মনটা খারাপ হয়ে যায়। এই রকম  ছবি সহজেই উজ্জ্বল করা যায় ফ্রী সফটওয়্যার GIMP এর সাহায্যে। আমি নিজে  হাতুড়ে GIMP ব্যবহারকারী, তাই এর চেয়েও ভাল কৌশল থাকতে পারে যা আমি হাতড়িয়ে  পাইনি। এই কৌশল ব্যবহার করে ছবি ঠিক করে ফেসবুক বা অন্যখানে শেয়ার করি  প্রায়ই। উদাহরণ দেখুন প্রথমে:&lt;br /&gt;&lt;span class="postimg"&gt;&lt;img alt="https://lh4.googleusercontent.com/_QKHxtIJk6UI/TaHBza4ZDNI/AAAAAAAAAzU/Es2ee_5aEUU/s800/sample-1.jpg" src="https://lh4.googleusercontent.com/_QKHxtIJk6UI/TaHBza4ZDNI/AAAAAAAAAzU/Es2ee_5aEUU/s800/sample-1.jpg" /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;বামদিকের  ছবিটা হল একটা টেবিলকে খাড়া করে রেখে তার উপরে একটা দেয়ালিকা সাঁটিয়ে দেয়া  হয়েছে। ডানদিকে শুধু দেয়ালিকাটাকে সিলেক্ট করে গিম্প দিয়ে উজ্জ্বলতা  বাড়ানো হয়েছে। এমন আরেকটি উদাহরণ দেখুন নিচে: এই ক্ষেত্রে কোনো বিশেষ অংশ  নয় বরং পুরা ছবিটাতে একই টেকনিক ব্যবহার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;span class="postimg"&gt;&lt;img alt="https://lh4.googleusercontent.com/_QKHxtIJk6UI/TaHB9ZHFc9I/AAAAAAAAAzY/ei44ZhDoN-E/s800/sample-2.jpg" height="232" src="https://lh4.googleusercontent.com/_QKHxtIJk6UI/TaHB9ZHFc9I/AAAAAAAAAzY/ei44ZhDoN-E/s640/sample-2.jpg" width="640" /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;এবার  দেখুন কিভাবে করতে হয়। যদি ছবির কিছু অংশে এই কাজ করতে চান তবে বামদিকের  টুলবার থেকে চারকোনা, গোলাকার বা ইচ্ছামাফিক সিলেকশনের টুল নিয়ে দরকারী  এলাকা সিলেক্ট করে নিন (নিচের ছবিতে চারকোনা টুল দিয়ে সিলেক্ট করা হয়েছে)।  যদি নির্বাচিত এলাকা আর বাইরের অংশে হঠাৎ করে পরিবর্তন না দেখাতে চান তবে  এই সিলেকশনের সাথে Feather অপশনটাও টিক দিয়ে ব্যবহার করতে হবে। পুরা ছবির  জন্য কোনো কিছু সিলেক্ট করার প্রয়োজন নাই। তবে আমার পরামর্শ হল ছবিটার একটা  কপির উপর কাজ করুন, কারণ ছবি পরিবর্তন হয়ে গেলে আগের অবস্থায় ফেরত যেতে  পারবো কি না সেই টেনশন থাকবে না তাহলে। আর আগের অবস্থার সাথে পরিবর্তনের  তুলনাও করতে পারবেন সহজে।&lt;br /&gt;&lt;span class="postimg"&gt;&lt;img alt="https://lh5.googleusercontent.com/_QKHxtIJk6UI/TaHCEsHNOtI/AAAAAAAAAzc/P18J3MYwGNs/s800/steps.jpg" height="223" src="https://lh5.googleusercontent.com/_QKHxtIJk6UI/TaHCEsHNOtI/AAAAAAAAAzc/P18J3MYwGNs/s640/steps.jpg" width="640" /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;ul style="text-align: left;"&gt;&lt;li&gt;প্রথমে মেনু থেকে: Colors –-&amp;gt; Curves&amp;nbsp; সিলেক্ট করুন।&lt;br /&gt;এতে  পরের অংশটার মত একটা উইন্ডো আসবে। যার কর্ন বরাবর একটা সরল রেখা। এই  রেখাটাকে ইচ্ছামত টানা হেঁচড়া করুন, সাথে সাথে ছবির পরিবর্তন দেখতে পাবেন।  আপনার পছন্দমত পরিবর্তন হলে OK&amp;nbsp; দিয়ে বের হয়ে আসুন।&lt;br /&gt;আমি সাধারণত  রেখাটাকে ডানদিকের ছবির মত একটু সরিয়ে দেই, গ্রাফের যেই অংশে কিছু নাই ঐ  অংশটুকু থেকে রেখাটার প্রান্তকে ভেতরের দিকে সরিয়ে দেই। তারপর রেখাটার  মাঝামাঝি এক জায়গায় ধরে একটু উপরের দিকে ধনুকের মত বাঁকিয়ে দেই। অন্যভাবেও  টেনে দেখতে পারেন।&lt;/li&gt;&lt;li&gt;এবার ফাইল মেনু থেকে save করুন।&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;তো ... উপভোগ করুন GIMP ও ছবি নিয়ে গুতাগুতি।&lt;br /&gt;(GIMP ফটোশপের মত কাজ করার জন্য একটা ওপেনসোর্স সফটওয়্যার যা উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাকে ব্যবহার করা যায়।)&lt;br /&gt;এই পোস্টে দেয়ার জন্য ছবিগুলো খুবই সহজে তৈরী করেছি Inkscape দিয়ে – এটা অনেকটা কোরেলের মত একটা দারুন ওপেনসোর্স সফটওয়্যার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংযুক্তি: আরেকটি ছবি যোগ করলাম। এতে প্রতিটি মুখমন্ডল আলাদাভাবে গোলাকার সিলেকশন টুল দিয়ে সিলেক্ট করে একই কাজ করা হয়েছে।&amp;nbsp; &lt;img alt="smile" src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/smile.gif" title="smile" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span class="postimg"&gt;&lt;img alt="https://lh5.googleusercontent.com/_QKHxtIJk6UI/TaKJpWzVvuI/AAAAAAAAA0E/LUEOg1Pwfzs/s800/sample-3.jpg" height="234" src="https://lh5.googleusercontent.com/_QKHxtIJk6UI/TaKJpWzVvuI/AAAAAAAAA0E/LUEOg1Pwfzs/s640/sample-3.jpg" width="640" /&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span class="sig-line"&gt;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একইসাথে &lt;a href="http://techtunes.com.bd/open-source/tune-id/62496/"&gt;টেকটিউনস&lt;/a&gt; ও প্&lt;a href="http://forum.projanmo.com/topic24815.html"&gt;রজন্মফোরামে&lt;/a&gt; প্রকাশিত। &lt;br /&gt;&lt;span class="sig-line"&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-2923294074619843662?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/2923294074619843662/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=2923294074619843662' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/2923294074619843662'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/2923294074619843662'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/04/gimp.html' title='ছবির উজ্জ্বলতা ঠিক করার জন্য GIMP এর একটি কৌশল'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='https://lh4.googleusercontent.com/_QKHxtIJk6UI/TaHBza4ZDNI/AAAAAAAAAzU/Es2ee_5aEUU/s72-c/sample-1.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-470777549845853435</id><published>2011-03-30T17:44:00.003+06:00</published><updated>2011-09-06T21:19:41.251+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='খবর'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='ইভেন্ট'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>এই অনুষ্ঠান কি আপনার জন্য?</title><content type='html'>&lt;div dir="ltr" style="text-align: left;" trbidi="on"&gt;&lt;h2&gt;&lt;b&gt;পাঠকের কাছে ১০টি ব্যক্তিগত প্রশ্ন:&lt;/b&gt;&lt;/h2&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;১.&lt;/b&gt; আপনি কি দেশপ্রমিক? দেশে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="https://spreadsheets.google.com/viewform?hl=en&amp;amp;formkey=dElFT21EOU9pcm9oUy13YVpXWTVJaVE6MQ#gid=0" rel="nofollow" target="_blank"&gt;আমাদের ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে যারা আসতে ইচ্ছুক তারা দয়া করে এখানে একটু নাম এন্ট্রি করুন।&lt;/a&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;র প্রতি আপনার ভালোবাসা কি ‘মা’ কে ভালোবাসার মতো?&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;২.&lt;/b&gt; দূর্নীতিতে দেশের মান সম্মান মাটিতে গড়াগড়ি খাচ্ছে দেখে আপনি কি চিন্তিত  হন? এর প্রতিকারে নিজের করণীয় সম্পর্কে ভাবেন?&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;৩.&lt;/b&gt; আপনি কি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল? সচরাচর আইন অমান্য করেন না কিংবা করতে চান না?&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;৪.&lt;/b&gt; আপনি কি কম্পিউটারে ভাইরাসের জ্বালা-যন্ত্রনায় অতিষ্ট? এ যন্ত্রনা থেকে মুক্তির পথ খুঁজছেন?&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;৫.&lt;/b&gt; আপনি কি কম্পিউটারে আপনার মূল্যবান তথ্যের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত?&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;৬.&lt;/b&gt; আপনি কি হালকা পাতলা বুদ্ধিবৃত্তিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করার সামর্থ্য রাখেন এবং তা উপভোগ করেন?&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;৭.&lt;/b&gt; আপনি কি নতুন নতুন কম্পিউটার প্রোগ্রাম নিয়ে গবেষনা করতে পছন্দ করেন?&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;৮.&lt;/b&gt; আপনি কি ইন্টারনেটে বিচরন করার সময়ে ভাইরাস ও ম্যালওয়্যারজনিত নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন?&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt; &lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;৯.&lt;/b&gt; আপনি কি দামী সব সফটওয়্যারের ফ্রী/উন্মুক্ত বিকল্প খুঁজছেন?&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt; &lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="padding-left: 30px;"&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;১০.&lt;/b&gt; আপনি কি জনসাধারনের/সাধারন কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেবা করতে আগ্রহী?&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;প্রিয়  ভাই/বোন, উপরের এই প্রশ্নগুলোর উত্তর লিখে কোন ঠিকানায় গোপনে পোস্ট করতে  হবে না। শুধুমাত্র যদি কোন প্রশ্নের উত্তর আপনার মন থেকেই ‘হ্যাঁ’ বোধক হয়  তাহলে এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে আপনি নিশ্চিতভাবেই কিছুটা উপকৃত হবেন। আর  তা না হলে এই প্রশ্নপত্র পড়িয়ে আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য  আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="background-color: #93c47d;"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;এবার তাহলে জেনে নিন অনুষ্ঠানের বিস্তারিতঃ--&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;তারিখ:&lt;/span&gt;&lt;/b&gt; &lt;b&gt;৮ই এপ্রিল ২০১১ইং, রোজ শুক্রবার&amp;nbsp;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;b&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;সময়:&lt;/span&gt;&lt;/b&gt; &lt;b&gt;বিকাল ৩টা থেকে ৭টা&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;স্থান:&lt;/span&gt;&lt;/b&gt; &lt;b&gt;ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আরসি মজুমদার মিলনায়তন&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;(শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত; অপরাজেয় বাংলার পেছনে  কলা ভবন, তার পেছনে লেকচার থিয়েটার ভবন, ঐ ভবনটির নিচতলাতেই)&lt;b&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;প্রবেশ মূল্য:&lt;/span&gt;&lt;/b&gt; &lt;b&gt;২০ টাকা।&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;অনুষ্ঠানসূচী:&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;ul style="background-color: white;"&gt;&lt;li&gt;লিনাক্স ও ওপেন সোর্স বিষয়ে মুক্ত আলোচনা। -- ২৫ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;পাইরেসী প্রতিরোধে লিনাক্স ও ওপেন সোর্স এর ভূমিকা -- ২৫ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;লিনাক্স ও ওপেন সোর্স সফটওয়্যার ব্যবহারের সুবিধা -- ২৫ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;অতিথি ও অংশগ্রহনকারীদের আপ্যায়ন পর্ব  -- ৪০ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;li&gt;অতিথি ও অংশগ্রহনকারীদের সমন্বিত আলোচনা ও মতামত বিনিময়  -- ১২০ মিনিট&lt;/li&gt;&lt;/ul&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;আরও থাকছে:&lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;FOSS  Bangladesh কর্তৃক সংকলিত/কাস্টমাইজ করা লিনাক্স মিন্ট ১০ জুলিয়া’র ডিভিডি  (৫০ টাকা)। কাস্টমাইজড ডিভিডিটাতে এবারে পাসওয়ার্ড জনিত ঝামেলা দূরীভূত  করা হয়েছে। তদুপরি কাস্টম ডিস্ট্রোটিতে এবারে থাকছে বেশ কিছু ওপেনসোর্স ও  ফ্রী থ্রিডি গেমস যেমন এলিয়েন এরেনা, নেক্সুইজ, ব্যাটেল ফর ওয়েসনর্থ এবং  অ্যাসল্টকিউব ইত্যাদি।&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;বাংলাদেশের সকল লিনাক্সপ্রেমী/আগ্রহীদের জন্য এটা একটা উন্মুক্ত আয়োজন। তাই সকলের অংশগ্রহন ও সহযোগীতা প্রত্যাশা করছি।&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;b&gt;&lt;span style="color: blue;"&gt;আয়োজনে: &lt;/span&gt;&lt;/b&gt;&lt;/div&gt;&lt;div style="background-color: white;"&gt;&lt;i&gt; ফাউন্ডেশন ফর ওপেন সোর্স সলিউশনস বাংলাদেশ (FOSS Bangladesh)&lt;/i&gt; &lt;span style="font-size: x-small;"&gt;- একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: large;"&gt;&lt;b&gt;&lt;a href="https://spreadsheets.google.com/viewform?hl=en&amp;amp;formkey=dElFT21EOU9pcm9oUy13YVpXWTVJaVE6MQ#gid=0" rel="nofollow" target="_blank"&gt;আমাদের ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে যারা আসতে ইচ্ছুক তারা দয়া করে এখানে একটু নাম এন্ট্রি করুন।&lt;/a&gt;&lt;/b&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; &lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-470777549845853435?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/470777549845853435/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=470777549845853435' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/470777549845853435'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/470777549845853435'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/03/blog-post.html' title='এই অনুষ্ঠান কি আপনার জন্য?'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-7438299949434605514</id><published>2011-01-10T17:16:00.005+06:00</published><updated>2011-01-11T08:24:28.466+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আগডুম বাগডুম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ ও দেশ'/><title type='text'>শেয়ার মার্কেট - ঘটনাটা কী?</title><content type='html'>শেয়ার মার্কেট কী জিনিষ? আমি ঠিক বুঝি না .... কেউ যদি বেসিক আইডিয়া  দিতে পারতো ... .... (ডিসক্লেইমার: মরহুম অর্থমন্ত্রী কিবরিয়া আমার কেউ নয়)&lt;img alt="shame" src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/shame.gif" title="shame" /&gt; মনের মধ্য প্রশ্ন ঘুরঘুর করে: একটা শেয়ারের মূল্য বাড়ে বা কমে কখন ... ... এর পেছনের বেসিক কারণ কী? &lt;img alt="thinking" src="http://forum.projanmo.com/extensions/pun_bbcode_ext/smilies/thinking.gif" title="thinking" /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমি শেয়ার নিয়ে কিছু বুঝি কি না সেটা শেয়ার করা মুশকিল। আমি ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েছিলাম - ঐটাই ঠিকমত বুঝি না আর শেয়ার ......তবে  এখন এই বিষয়ে আগ্রহী অনেক বান্দা আছেন মনে হয়। নিশ্চিতভাবেই অনেকে ভাল  বুঝেন। তাই কোন সহৃদয় যদি এটা নিয়ে লিখতেন তবে একটু কৌতুহল মিটতো।  এই নিয়ে আমার জানার দৌড়টা এর আগে শেয়ার করি একটু। তাহলে এই অধমকে পরামর্শ  দিতে সুবিধা হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সহজ সরল ভাবে দেখলে - একটা কম্পানির মূলধন  দরকার ধরুন ১০ কোটি টাকা। কিন্তু মালিক/উদ্যোক্তার হাতে আছে ৬ কোটি। বাকি  টাকা সে ব্যাংক থেকে লোন নিতে পারে, অথবা পাবলিকের কাছ থেকে শেয়ার বিক্রি  করে নিতে পারে। ধরুন ঐ ৪ কোটি টাকা ১০০ জন লোক প্রত্যেকে ৪ লাখ করে দিল।  শেয়ার বিক্রি অর্থ হল এখন ১০ কোটি টাকা মূলধনের ৬ কোটি একজনের - কাজেই  কম্পানির মালিকানার ৬০% মালিক সে। আর বাকী ৪০% মালিকানা শেয়ার করা হয়েছে।  প্রতিজন ৪ লাখ টাকা করে দেয়াতে ঐ ১০০ জনের প্রতিজন ০.৪%&amp;nbsp; করে মালিকানা  পাবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বছর শেষে ঐ কম্পানি ধরি ৫ কোটি টাকা মুনাফা করে, এবং এ থেকে ২  কোটি টাকা ব্যবসা সম্প্রসারনে ব্যয় / পূণর্বিনিয়োগ করলো। তাহলে বাকি ৩ কোটি  টাকার মধ্যে &lt;br /&gt;মালিক/উদ্যোক্তা পাবে - ১কোটি ৮০ লাখ (যেহেতু ৬০% মূলধন তার)&lt;br /&gt;শেয়ার হোল্ডার প্রতিজন পাবে - ১ লাখ ২০ হাজার টাকা করে। (১০০ জনে = ১কোটি ২০ লাখ = ৪০% লাভ)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন  কেউ যদি তার শেয়ার রাখতে না চায় তবে ঐ লাভ নেয়ার পর ৪ লাখ টাকা মূল্যের  শেয়ার ৪লাখ ৮০ হাজারে বিক্রি করতে পারবে। কারণ এখন ব্যবসার মূল্য ১০+২=১২  কোটি। কাজেই ১২ কোটি * ০.৪% = ৪ লাখ ৮০ হাজার। আর লভ্যাংশ না নিয়েই বিক্রি  করলে দাম পাবে ৬ লাখ। &lt;br /&gt;এভাবে ৪ লাখ টাকা ১ বছরে ৬ লাখ হল। কারণ মূল ব্যবসা একই অনুপাতে লাভ করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেয়ার  মার্কেটে যখন মানুষ বিনিয়োগ করে তখন এগুলোর কোন নাম নিশানা আমি দেখিনা।  তার মানে ইহা ভিন্ন কোনো জিনিষ। এখানে হু হু করে দাম কেন বাড়ে, হুট করে কমেই বা কেন? ১০ টাকার ফেসভ্যালুর শেয়ারের  মূল্য যখন দেখি ৩০০ টাকা - এর অর্থ আমার বুঝামতে ঐ কোম্পানি যখন শেয়ার  ছে‌ড়েছিলো তখনকার তুলনায় ব্যবসা&amp;nbsp; ৩০ গুন বৃদ্ধি পেয়েছে। ... ... আসলেই কি  তাই ঘটেছে? ঐ শেয়ারের ক্রেতা কি এই তথ্যের ভিত্তিতেই আরো প্রবৃদ্ধিজনিত লাভের আশায় শেয়ারের মালিক হয় নাকি এর পেছনে অন্য কোনো শক্ত থিওরী আছে? এ্যাত টাকা বিনিয়োগ যখন করছে তখন নাড়ি নক্ষত্র না জেনে নিশ্চয়ই করেনি ... ... সেই নাড়ি নক্ষত্র কী কী -- কোন পুরাতন কেস স্টাডি করে দেয়া যাবে কি?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার বুঝা ঠিক কি না  জানিনা। তবে এটা ঠিক হলে বেশির ভাগ বিনিয়োগকারীই হুজুগে চলে - যাদের মূলধন  হল লোভ; বিনা পরিশ্রমে বড়লোক হওয়ার দিবাস্বপ্ন। আর এর সুযোগ নেয় ঘাঘু  ঠকবাজরা। লোভ করে নিজের কল্লা জবাই হওয়ার রিস্ক নিয়ে পেতে দিলে সেটা কাটা  পড়তেই পারে। এজন্য কার ঘাড়ে দোষ চাপাবেন? ---&amp;nbsp; মাইন্ড খাইয়েন না -- পাগলের  সুখ মনে মনে -- আমি এইসব ভেবে ও থেকে দুরে থাকার বুঝ নেই মনে মনে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;==আপডেট: আরো কিছু টেক্সট যোগ করি== &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিভিন্ন চিপায় লেকচার শুনে যা জানি তা হল: একটা বস্তুর দাম বাড়ে যখন কোন ভাবে এটাতে ভ্যালু এডিশন হয়। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সবচেয়ে বেশি ভ্যালু এডিশন হয় শিল্প কারখানাতে: ১০০ টাকার লোহার টুকরাতে আরো ৪০০ টাকার মেশিন/লেবার খরচ করে সেটা ৫০০০ টাকা মূল্যের বস্তুতে পরিণত হয়। কিংবা ধরুন ৬০ টাকার তুলাতে ৩০ টাকার মেশিন / লেবার খরচ করে ১২০ টাকার সুতা তৈরী হয়। সেই সুতা থেকে কাপড় বা কাপড় থেকে তৈরী পোশাক -- সবই ওরকম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এছাড়াও ভ্যালু এডিশন হয় বিপননে। ৫০০০ টাকার বস্তু এনে সেটার পেছনে আরো ৩০০০ টাকার চমৎকার আলোকসজ্জা, ডিসপ্লে, বিজ্ঞাপন ইত্যাদি দিয়ে ১০০০০ টাকায় বিক্রয় করা হয়। কিংবা ধরুন ১২০ টাকার সুতা ১৫ টাকার পরিবহন, গোডাউন, প্যাকেজিং, ডিসপ্লে ইত্যাদি পার হয়ে ১৫০ টাকায় বিক্রি হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মোদ্দা কথা হল, শিল্প কারখানায় ভ্যালু এডিশন হয় বিপননের চেয়ে অনেক বেশি। সেজন্য বিনিয়োগ করতে হলে ঐ খাতে করাই বেশি বুদ্ধিমানের লক্ষণ। কিন্তু আমাদের এখানে শিল্প কারখানা বাদ দিয়ে কয়েকশ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে যমুনা ফিউচার পার্ক টাইপের বিপনন কেন্দ্র বানানো দেখে একজন দুঃখ করে এসব বলেছিলেন আমাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার প্রশ্ন হল, এসেট ভ্যালুর সাথে শেয়ারের মূল্য যদি সংগতিপূর্ণ না হয় তবে এর ভ্যালু এডিশন হচ্ছে কিসের ভিত্তিতে? যতদুর বুঝি তাতে - সত্যিকার অর্থে যদি এর ভ্যালু এডিশন না হয়, তাহলে সেটা তাসের ঘরের মত ভেঙ্গে পড়তে বাধ্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছুদিন আগে বিশ্বমন্দা এ ধরণের কিছু শেয়ার কেলেংকারির জন্যই হয়েছিলো। তখন যা ঘটেছিলো তা মেকানিজম ছিল অনেকটা এমন:&lt;br /&gt;একজন ১০০ টাকা মূলধনে ব্যবসা করে ৩০ টাকা লাভ করলো - ফলে শেয়ারের মূল্য বাড়লো ৩০%। আরেকজন নিজের ৫০ টাকা মূলধনের সাথে আরো ৫০ টাকা লোন নিয়ে ১০০ টাকার মূলধন বানিয়ে সেটা দিয়ে ব্যবসা করে সে-ও ৩০ টাকা লাভ করলো। কিন্তু হিসাবে দেখালো - আমার ৫০ টাকা মূলধন কিন্তু লাভ ৩০ টাকা .... অর্থাৎ শেয়ারের মূল্য ৬০% বৃদ্ধি পেল - যেটা আসলে ঠিক নয় (কারণ তারও ব্যবসায় প্রবৃদ্ধি আসলে ৩০%)। ব্যবসার জন্য লোনগুলোতে অনেক জায়গাতেই প্রথম কয়েক বছর সুদ দেয়া লাগে না - তাই এর সুযোগ নিয়েছিল কেউ কেউ। ফলে কী হল? যে শেয়ারের আসল ভ্যালু এডিশন ৩০% সেটা ম্যানিপুলেট করে ৬০% এ কেনা বেচা হচ্ছে --- --- এভাবে কতদিন আর ধামাচাপা দেয়া যায়? এক সময় না এক সময় আসল থলের বেড়াল বের হয়ে পড়ে, আর এর আগেই আসল খেলোয়ারগণ নিজের শেয়ারগুলো বিক্রয় করে দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ফলে সাধারণ বিনিয়োককারীর অবস্থা হয় কৃষিকাজ বাদ দিয়ে বেশি দামে বানর কিনে বসে থাকা মানুষের সেই গল্পের মত। আসল জায়গায় ভ্যালু এডিশন না হয়ে যদি দাম বাড়ে তাহলে সেই অতিরিক্ত টাকা কারো না কারো পকেট থেকেই যাবে।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-7438299949434605514?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/7438299949434605514/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=7438299949434605514' title='4টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7438299949434605514'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7438299949434605514'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2011/01/blog-post.html' title='শেয়ার মার্কেট - ঘটনাটা কী?'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>4</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-2517666632643203534</id><published>2010-12-25T23:42:00.003+06:00</published><updated>2010-12-29T17:18:08.705+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ ও দেশ'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>যানজট নিরসনে তাহলে প্রতিদিন হরতালই কি সেরা সমাধান?</title><content type='html'>&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;(&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/hussainuzzaman/36926"&gt;সর্বপ্রথম সচলায়তনে প্রকাশিত&lt;/a&gt;) &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;ইদানিংকালে যানজট নিরসনে অর্থমন্ত্রী মহোদয়ের বেশ কিছু বক্তব্য আমাকে  বিষ্মিত করেছে। এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে, উনি অর্থমন্ত্রী - যোগাযোগ  মন্ত্রী নন! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এর মধ্যে একটি হল প্রাইভেট কারে ৫ জন ছাড়া চলা যাবে না। আহা ... ... এতে  সঙ্গিযাত্রী হিসাবে কিছু বেকারের নিশ্চিত কর্মসংস্থান হবে। বাসা থেকে ৫ জন  বের হল। বাচ্চা স্কুলে নামার পর ৫ জনের কোটা পূরণ করার জন্য সেখান থেকে  একজন সঙ্গিযাত্রী উঠবে গাড়িতে (ঘন্টা হিসাবে মজুরি দিতে হবে) .... এভাবে  শেষজন নামার আগ পর্যন্ত লোক অফিসে নামবে সঙ্গিযাত্রী উঠবে। ফেরার পথেও একই  রকম কাহিনী। সঙ্গিযাত্রী বা প্রক্সি/ডামি যাত্রী হিসেবে কর্মসংস্থানের ফলে  কিছু লোকের হয়তো বেকারত্ব দুর হবে (ছিনতাই বৃদ্ধির আশংকাও উড়িয়ে দেয়া  যাচ্ছে না), তবে উৎপাদনশীলতা বাড়বে না, বরং অতিরিক্ত ভারবহন করার কারণে  জ্বালানী খরচ বাড়বে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নির্দিষ্ট আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা না থাকলে এই রকম ব্যবস্থাটা (যার  টেকনিক্যাল নাম কার-পুলিং car pooling) মানুষের ভোগান্তি আরেকটু বাড়ানো  ছাড়া আর কোন কাজে আসবে বলে মনে হয় না। যানজট বেশি হয় অফিস টাইমে, অর্থাৎ,  অফিস শুরু এবং ছুটির সময়ে। তখন হঠাৎ করে (খুব কম সময়ের ব্যবধানে) বিপুল  সংখ্যক লোক রাস্তায় নেমে আসে। নির্দিষ্ট আবাসিক এবং বাণিজ্যিক এলাকা থাকলে  দেখা যায় যে একই আবাসিক/বাণিজ্যিক এলাকা থেকে ৪/৫জন লোক ৪/৫টা গাড়ি ব্যবহার  করে একই বাণিজ্যিক/আবাসিক এলাকায় যাচ্ছে। যাত্রা শুরু এবং গন্তব্যস্থল একই  হওয়াতে এরা ৪/৫টি গাড়ির বদলে একটি গাড়ি দিয়েই যাতায়াত করতে পারে, যার ফলে  রাস্তা থেকে কিছু গাড়ি কমে গিয়ে যানজট কমাতে সাহায্য করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঢাকায় আমার জানামতে নির্দিষ্ট সময়ে এরকম নির্দিষ্ট যাতায়াতের জন্য কার  শেয়ারিং বা কার পুলিং খুব ভালভাবেই বিদ্যমান। অফিসের কর্মকর্তা যাত্রাপথে  অন্য সহকর্মীদেরকে তার গাড়িতে নিয়ে যাচ্ছে, এটা খুবই সাধারণ একটা ব্যাপার।  কিন্তু এক বাসা থেকে বের হওয়া ৪ জনের গন্তব্য ভিন্ন হলে তখন কী হয়? বাড়ির  একজন সিটি কলেজের সিনিয়র শিক্ষিকা, ওনাকে কলেজে নামিয়ে তারপর ছেলে আর ছেলের  বউয়ের অফিস মিন্টো রোডের পাশের রাস্তায় (ওল্ড এলিফ্যান্ট রোড); এরপর  কনসালট্যান্ট কর্তার ৩/৪টি কর্মস্থলের যে কোনো একটিতে (ইঞ্জিনিয়ার্স  ইনস্টিটিউট / মগবাজারের কনস্ট্রাকশন ফার্ম/ মনিপুরিপাড়ার কনস্ট্রাকশন ফার্ম  / মহাখালি / অন্য কোনো অফিস)। এরকম একটা কর্মঠ ও কর্মব্যস্ত পরিবারের অতি  প্রয়োজনীয় গাড়ি চালাতে তবে এরপর থেকে প্রথমে উল্লেখ করা সঙ্গিযাত্রী বা  ডামি যাত্রী ছাড়া পথ খোলা থাকবে না। আর তা না করতে চাইলে হয় ক্যাব বা  রিক্সা ... ... যা যানজট কমাবে কীভাবে সেটা বুঝি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিদেশের কিছু কিছু শহরে কার পুলিং সফলতার সাথে প্রযুক্ত হয়েছে .... .... প্রশ্ন হল কীভাবে?&lt;br /&gt;এসব শহরে পরিকল্পিত ভূমির ব্যবহার প্রযুক্ত হয়েছে, ফলে নির্দিষ্ট আবাসিক ও  বাণিজ্যিক এলাকা গড়ে উঠেছে। এছাড়া ঐ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকা যুক্ত করে  এমন নির্দিষ্ট রাস্তা আছে। আসা এবং যাওয়ার জন্য দুইপাশে নির্দিষ্ট লেন  ছাড়াও রাস্তার মাঝ বরাবর একটা অতিরিক্ত বিশেষ লেন আছে। এই লেনে নির্দিষ্ট  কিছু জায়গা ছাড়া গাড়ি প্রবেশ করতে পারে না। এই লেনটির বিশেষত্ব হল, সকাল  থেকে দুপুর পর্যন্ত এটি দিয়ে আবাসিকের দিক থেকে অফিসের দিকে আর দুপুর থেকে  রাত পর্যন্ত উল্টাদিকে (অফিস-আবাসিক) চলাচলের জন্য খোলা থাকে। অর্থাৎ  যেদিকে চাহিদা বেশি সেদিকে সেবা দেয়। এই লেন ব্যবহার করে অনেক দ্রুত যাওয়া  যায়, কিন্তু শর্ত সাপেক্ষে এটা ব্যবহার করা যায়। বাস কিংবা কমপক্ষে ৪জন  যাত্রী আছে এমন কার বিনা বাঁধায় এই লেন ব্যবহার করতে পারে। অন্যরা ব্যবহার  করতে চাইলে উচ্চমাত্রায় টোল দিয়ে করতে পারে। অর্থাৎ কার পুলিং করলে বিশেষ  কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে ... ... ... "পেটে খেলে পিঠে সয়', ঢাকায় প্রাইভেট  কারের জন্য এমন কোন সুবিধার ব্যবস্থা আছে কি? আর, প্রাইভেট কারের বদলে  পাজেরো (পাবলিক না হয় নির্লজ্জ্ব মন্ত্রী বা এমপিদের মত বিনাট্যাক্সে নাই  কিনলো) ব্যবহার করা শুরু করলে তখন নিয়মটা কেমন হবে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরপর আরেকটা উদ্যোগের কথা জেনে হাসবো নাকি কাঁদবো তা এখনো বুঝে উঠতে  পারিনি। এটা হল জোড় আর বেজোড় সংখ্যার প্রাইভেট কার বিষয়ক। অন্যান্য গাড়ির  মতই ১০০% ট্যাক্স দিয়ে কেনা এই গাড়িগুলোর দোষ হল, এরা সংখ্যায় বেশি। তাই  একদিন জোড় সংখ্যা বিশিষ্ট ও অন্যদিন বেজোড় নম্বরবিশিষ্ট কার রাস্তায় চলাচল  করতে পারবে। যাদের একটি মাত্র গাড়ি তারা তাহলে বাকী কর্মদিবসগুলোতে কীভাবে  যাতায়াত করবে? এমনতো নয় যে যথেষ্ট পরিমান গণপরিবহন ব্যবস্থা করা সত্বেও  দুষ্টু মানুষ ওগুলো ব্যবহার না করে শুধু শুধু গাড়ি বের করে রাস্তায় যানজট  বাড়াচ্ছে। বরং অকার্যকর এবং অনুপযোগী গণপরিবহন ব্যবস্থায় অতীষ্ট হয়েই  স্বল্প আয়ের এই দেশেও, মানুষ এক প্রকার বাধ্য হয়েই, অন্য দেশের চেয়ে  আড়াইগুন দামে প্রাইভেট কার কিনছে। নাহলে কোন মধ্যবিত্তের ঠেকা পড়েছে যে  বেতন দিয়ে ড্রাইভার নিয়োগ দিয়ে, এদের তেল/পার্টস্ চুরি ও মোবাইল হারানো  সহ্য করে, রিক্সার ঘষা খেয়ে, ২/৩ ঘন্টা গ্যাসের জন্য সিরিয়াল ধরে গাড়ি  চালানোর?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ট্যাক্সির ধারণাটাই হল যাত্রী এতে উঠে কোথায় যেতে হবে যাত্রী তা বলবে -  শহরের যে কোনো জায়গায় যেতে এরা বাধ্য ... ... অথচ ঢাকায় ক্যাব/ট্যাক্সিকে  গন্তব্যে যাবে কি না সেটা জিজ্ঞেস করতে হয় আগেই, এবং ওরা সেখানে যেতে চায়  না; আবার গেলেও ৬০ টাকার ভাড়া ১৫০টাকার কমে যায় না। আর এখানে প্রাইভেট কার  ব্যবহারকারীদেরকেও ঠেলে দিলে আরও কী তুঘলকী কাণ্ড ঘটবে তা কল্পনা করা  দুরূহ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গণপরিবহণ ব্যবস্থা উন্নত না করলে এবং ট্রিপ ডিমান্ড না কমালে যানজট  কমানোর উদ্যোগগুলো সফল হবে না - এটা বুঝতে বিশেষজ্ঞ হওয়ার দরকার হয় না।  গণপরিবহণ প্রসঙ্গে গত ২২শে ডিসেম্বর রাতে দেশ টিভিতে সোজাকথা নামক টক-শোতে  আমন্ত্রিত অতিথি জনাব মোশারফ হোসেন ভূঁইয়া সাহেব (শুরু থেকে দেখিনি বলে  ওনার পদমর্যাদা জানা হয়নি) সরকারের তরফ থেকে যে সকল উদ্যোগের কথা জানালেন  সেগুলোকে আমার চমৎকার এবং সঠিক মনে হল। উনি বলেছিলেন যে, পর্যায়ক্রমে  (১০-১৫ বছর) তিনটি রুটে MRT / মেট্রো ট্রেন চালু করা হবে। দেশের বিদ্যূৎ  ব্যবস্থা, ভূতত্ব এবং খরচ বিবেচনা করে এগুলো যতদুর সম্ভব মাটির উপরে এবং  উড়াল লাইনে (স্কাই ট্রেন) করা হবে। সামান্য কিছু জায়গায় হয়তো স্থানাভাবে  বাধ্য হয়ে পাতালে যেতে হতে পারে। তাহলে সিঙ্গাপুর বা ওসাকা/টেকিওর মতই কিছু  উপরে আর কিছু নিচে হচ্ছে। আর, ব্যাংককের মতই রাস্তার ডিভাইডার থেকে কলাম  তুলে উপরে লাইন হবে। MRT করতে প্রচুর অর্থ লাগবে, যা নিঃসন্দেহে আমাদের উপর  বিরাট ঋনের বোঝা চাপিয়ে দেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে আগামী বছরেই যা হবে সেটা হল কিছু কিছু রুটে BRT বা বাস রেপিড  ট্রানজিট। এটাতে উপরোল্লিখিত কার পুলিং লেনের মতই বাস চলাচলের জন্য রাস্তায়  বিশেষ সুরক্ষিত লেন আলাদা করা হবে। এখানে চলাচলের জন্য সুপরিসর শীতাতপ  নিয়ন্ত্রিত বাস আনা হবে (কোরিয়া বা ভারত থেকে এবার যেগুলো আসছে সেগুলো নয়)।  বাসে ওঠা-নামা করার জন্য প্ল্যাটফর্ম এমন হবে যেন অতি দ্রুত ওঠা/নামা যায়  (মেট্রো'র মতই)। বিভিন্ন ক্রসিংএ ও সিগনালে এই বাসগুলো অগ্রাধিকার পাবে।  ফলে বাসে যাতায়াত হবে আরামদায়ক এবং প্রাইভেট গাড়ির চেয়ে দ্রুততর। সারা  ঢাকাতে এই সুবিধা ছড়ানোর জন্য দুই তিনটি প্রাইভেট কম্পানিকে লিজ দেয়া হবে।  এজন্য পরিবহন কম্পানিগুলো একিভূত করার জন্য কাজ চলছে। MRT'র তুলনায় কম  যাত্রী বহন করলেও BRTতে খরচ সেই তুলনায় অনেক কম হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ট্রিপ ডিমান্ড কমানোর প্রসঙ্গে চমৎকার একটা উদ্যোগ ছিল এলাকাভিত্তিক  ভিন্ন ভিন্ন দিনে সাপ্তাহিক বন্ধের আইডিয়াটা। এখন পর্যন্ত আমি এই উদ্যোগের  সুফল ভোগ করছি। এছাড়া অনলাইনে বিভিন্ন ফলাফল প্রকাশের কারণেও ট্রিপ ডিমান্ড  বা যাতায়াত চাহিদা কমেছে। এভাবে অফিসের কাজে প্রযুক্তির ব্যবহার যত বাড়বে  (ভিডিও কনফারেন্সিং ইত্যাদি, অনলাইন বুকিং, অনলাইন আবেদন পত্র জমা দেয়া  ইত্যাদি) ততই যাতায়াতের প্রয়োজনীয়তা কমে তা যানজট কমানোতে সাহায্য করবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরকম যৌক্তিক কাজকর্মগুলো এ বিষয়ে পেশাদারগণ যাতে দক্ষভাবে করতে পারে  সেটা নিশ্চিত করলেই মন্ত্রী মহোদয় সকলের অকুন্ঠ সমর্থন পাবেন। যানজট বিষয়ে  সরকারের আন্তরিকতা বুঝাতে অযথা  উদ্ভট কাজকর্ম করার প্রয়োজন নাই। নাহলে  দেখা যাবে আজ প্রাইভেট কার বন্ধ করার পর উৎসাহিত হয়ে পরবর্তীতে সরকার-ই  প্রতিদিন হরতাল না ডেকে বসে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেষে বাংলাদেশ সরকারের যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ত,  জাতীয় স্থল পরিবহন নীতিমালা, এপ্রিল ২০০৪ হতে ঢাকা মহানগরীর জন্য নীতিমালা  অংশটি আপনাদের জন্য সংযুক্ত করলাম। এতে চমৎকার দিক নির্দেশনা আছে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: 10px;"&gt;এইটা পড়ার আগেই বলি, এটা ডাউনলোড করতে পারবেন &lt;a class="bb-url" href="http://www.moc.gov.bd/Documents/LandTransportPolicy/NLTP-bengali-english.pdf" target="_blank"&gt;এখানে ক্লিক করে&lt;/a&gt; (মাত্র ৪১৫ কিলোবাইট)। তবে ওটার বাংলা লেখাগুলো কোনোভাবেই ইউনিকোডে আনতে না পেরে শেষে টাইপ করে ফেললাম।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="background-color: #b6d7a8;"&gt;&lt;span style="font-size: x-small; font-weight: bold;"&gt;৯. ঢাকা মহানগরীর জন্য নীতিমালা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small; font-weight: bold;"&gt;৯.১ পরিকল্পনা এবং কার্যক্রম&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.১.১ সরকার ঢাকা নগরীর পরিবহন পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শক্তিশালী করবে।&lt;br /&gt;৯.১.২ গণপরিবহনের উন্নতি, যানজট হ্রাস ও পরিবেশের উন্নয়নের লক্ষ্যে  সরকার ব্যাপক কর্মসূচী গ্রহণ করবে। এ ব্যবস্থাসমূহের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত  থাকবে:&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ১. মহানগরীর জন্য দীর্ঘমেয়াদী আধুনিক গণ-পরিবহন ব্যবস্থার পরিকল্পনা প্রণয়ন&lt;br /&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ২. অধিক সংখ্যায় সুপরিকল্পিত বাস রুট চালু;&lt;br /&gt;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৩. গণ-পরিবহন ব্যবস্থায় উচ্চমানের যানবাহন ব্যবহার এবং সার্ভিসের মান বৃদ্ধি;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ৪. বেসরকারী খাতের বাস অপারেটরদের অংশগ্রগণের জন্য নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ৫. বাস সার্ভিসকে অগ্রাধিকার প্রদান;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ৬. সব ধরণের যানবাহন থেকে দূষণ হ্রাস;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ৭. সড়কের উপর পার্কিং এবং সড়কের অনধিকার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ৮. ট্রাফিক ব্যবস্থারনার উন্নয়নে ব্যাপকভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণ;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ৯. ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ১০. পদযাত্রীদের জন্য উন্নততর সুযোগ সুবিধা সৃষ্টি;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ১১. গণপরিবহন ব্যবস্থার মূল্যায়ন;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ১২. সকলের জন্য বিশেষ করে দূর্ঘটনা প্রবণ (vulnerable) সড়ক ব্যবহারকারীদের জন্য উন্নততর নিরাপত্তা ব্যবস্থা;&lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ১৩. পরিবেশগত সুরক্ষা ব্যবস্থা; এবং&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; &lt;/span&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt; ১৪. উন্নত ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small; font-weight: bold;"&gt;৯.২ অযান্ত্রিক যানবাহন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.২.১ প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ সড়কে রিক্সা চলাচল পর্যায়ক্রমে বন্ধ  করা হবে। অপ্রধান সড়কে চলাচলকারী রিক্সাকে কেবল প্রধান প্রধান সড়কের  নির্ধারিত স্থানেই ক্রসিং করতে দেয়া হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.২.২ সড়ক সংযোগস্থল (intersection) উন্নতিকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা  হবে। সড়ক সংযোগস্থলের ধারণ ক্ষমতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে বজায় রাখার স্বার্থে  সড়ক ও ফুটপাথের সন্ধিস্থল (curb side) রিক্সামুক্ত করা হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.২.৩ শহরতলীর যেসব এলাকায় বাস নেটওয়ার্ক অপেক্ষাকৃত স্বল্প এবং/অথবা  চলাচল কম সে সব এলাকায় ফিডার সার্ভিস হিসেবে রিক্সা ব্যবহার হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.২.৪ আগামী ১০ বছরে রিক্সার ট্রিপ অর্ধেকে কমিয়ে আনা হবে।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small; font-weight: bold;"&gt;৯.৩ অটো রিক্সা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৩.১ ২-স্ট্রোক থ্রি-হুইলার যানবাহনের ব্যবহার নিষিদ্ধ করে ঢাকায়  ৪-স্ট্রোক সিএনজি অথবা পেট্রোল চালিত অটো-রিক্সা ব্যবহার নিশ্চিত করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৩.২ প্রধান প্রধান গুরুত্বপূর্ণ সড়ক সমূহে অগ্রাধিকার ভিত্তিক বাস  সার্ভিস প্রবর্তনের পর ঐসব রুটে পর্যায়ক্রমে অটো-রিক্সা চলাচলের উপর  নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৩.৩ কেবলমাত্র বাস এবং রেল পরিবহনের ফিডার সার্ভিস হিসেবে অটো-রিক্সা ব্যবহার উৎসাহিত করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৩.৪ চূড়ান্ত পর্যায়ে অটো-রিক্সা চলাচল বন্ধ করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small; font-weight: bold;"&gt;৯.৪ প্রাইভেট কার&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৪.১ জরুরী সার্ভিস সমূহের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা (যেমন সড়ক পার্শ্বে  পণ্য বোঝাই-খালাসের জন্য সাময়িক বিরতিস্থল নির্ধারণ) রেখে সড়কের উপরে  পার্কিং নিয়ন্ত্রণের জন্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৪.২ পুরাতন ঢাকা এবং এরূপ অন্যান্য যে সকল স্থানের সড়ক কার ব্যবহারের  জন্য অনুকুল নয় সে সকল স্থানে শুধু পায়ে চলার ব্যবস্থা প্রবর্তনের  কার্যক্রম গ্রহন করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৪.৩ ২০২২ সালে ঢাকার প্রাইভেট কারের ব্যবহার মোট যান্ত্রিক যানবাহন ট্রিপের ৩০% এর মধ্যে সীমিত রাখা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small; font-weight: bold;"&gt;৯.৫ ট্রাক&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৫.১ সকল নতুন বাণিজ্যিক ও শিল্প স্থাপনার জন্য সড়কের বাইরে ট্রাকে পণ্য বোঝাই-খালাসের প্রয়োজনীয় সুবিধা গড়ে তোলা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৫.২ ঢাকার রাস্তায় দিনের বেলা ট্রাক চলাচলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা ভবিষ্যতে পর্যালোচনা করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৫.৩ কন্টেইনার ট্রাকে মালামাল ট্রান্সশিপমেন্টের জন্য নতুন সুবিধাদি সৃষ্টি করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small; font-weight: bold;"&gt;৯.৬ রেলওয়ে&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৬.১ জয়দেবপুর-নারায়নগঞ্জ লাইনে রেল কমিউটার সার্ভিস প্রবর্তন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৬.২ ২০১২ সালের মধ্যে কমিউটার রেল সার্ভিসের মাধ্যমে দৈনিক ২,০০,০০০ যাত্রী পরিবহনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৬.৩ গণ-পরিবহন (Mass Transit System) পরিকল্পনা প্রণয়ন, পাতাল,  এলিভেটেড ও সার্কুলার রেলওয়ে ব্যবস্থা প্রবর্তন, পরিবহন সেক্টরে  প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের সহযোগীতায় সমীক্ষা  পরিচালনা করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small; font-weight: bold;"&gt;৯.৭ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৭.১ ঢাকা মহানগরীর জন্য একটি পূর্নাঙ্গ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা প্রণয়ন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৭.২ ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের জন্য নতুন কারিগরি কৌশল প্রবর্তন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৭.৩ পদযাত্রীদের জন্য উন্নততর সুবিধাদি এবং একই গ্রেডে নিরাপদ ক্রসিং সুবিধার জন্য অগ্রাধিকার ভিত্তিক কর্মসূচী প্রণয়ন।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৭.৪ ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থাদি, বিশেষত:  ঝুঁকিপ্রবণ সড়ক ব্যবহারকারীগণের (vulnerable road users) বিষয়  অন্তর্ভুক্তকরণ।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৭.৫ কোন নতুন উন্নয়ন কার্যক্রম গ্রহণের পূর্বে ট্রাফিকের প্রতিক্রিয়া  নিরূপণের (traffic impact assessment, TIA) সমীক্ষা করা এবং সে মতে এর জন্য  প্রয়োজনীয় সকল সুবিধাদি সৃষ্টি করা।&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small; font-weight: bold;"&gt;৯.৮ প্রাতিষ্ঠানিক উন্নতি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৮.১ সাধারণভাবে ডিটিসিবি'র ভূমিকা হবে সমন্বয়কারীর। তবে একে  নিম্নবর্ণিত বিষয়ে বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোকে নির্দেশনা প্রদানের ক্ষমতা  প্রদানের মাধ্যমে শক্তিশালী করা হবে-&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ১. প্রকল্পের ভৌত (physical) বাস্তবায়ন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ২. প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার নির্ণয়&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp;&amp;nbsp; ৩. যৌথ দায়িত্ব সম্পন্ন প্রকল্পের সমন্বয় সাধন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;৯.৮.২ ডিটিসিবি'র বিশেষ দায়িত্ব হবে যাত্রীর চাহিদা যথাযথভাবে পূরণের  লক্ষ্যে একটি নিরাপদ, দক্ষ ও আধুনিক বাস রুট নেটওয়ার্ক নিশ্চিত করা। রুট  ইজারা (route franchising) ব্যবস্থা প্রবর্তনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম  বাস্তবায়ন করা হবে। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য ডিটিসিবি নিজস্ব কৌশল বা পদ্ধতি  উদ্ভাবন করবে।&lt;/span&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-2517666632643203534?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/2517666632643203534/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=2517666632643203534' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/2517666632643203534'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/2517666632643203534'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2010/12/blog-post.html' title='যানজট নিরসনে তাহলে প্রতিদিন হরতালই কি সেরা সমাধান?'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-3930525019296895277</id><published>2010-08-06T18:09:00.000+06:00</published><updated>2010-11-08T18:10:36.045+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>নতুন রূপে(!) লিনাক্স ফোরাম আপনারই প্রতীক্ষায়!</title><content type='html'>(&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/hussainuzzaman/34115"&gt;সচলায়তনে প্রকাশিত&lt;/a&gt;) &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;(পোস্টের দৈর্ঘ্যের জন্য লেখক দায়ী নহে)&lt;br /&gt;দেশে যে হারে এরা(?) বাড়তেছে যে এদের কথা চিন্তা করে পোস্টাইলাম। কিছু মনে নিয়েন না।&lt;br /&gt;ধরেন আপনি &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;নতুন&lt;/span&gt; লিনাক্স  ব্যবহারকারী, কিন্তু এটা নিয়ে মনের মধ্যে আকুলি বিকুলি করা কথামালা  সমমনাদের সাথে শেয়ার করতে পারছেন না। অথবা লিনাক্সে একটা ঝালেমা (ঝামেলা  নহে) লাগছে কিন্তু সেই ঝালেমাটাকে ঝামেলা মনে হচ্ছে .... ... মনে মনে  ভাবছেন "ভাইডি/বোনটি( &lt;img alt="চোখ টিপি" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/3.gif" style="border-width: 0px;" title="চোখ টিপি" /&gt;  ) একটু ঝামেলাটা ঠিক করনের রাস্তা দেহায় দাও"। অথচ সেই ভাইডি/আপাডি কোথায়  সেটা বিছড়াইতে (খুঁজতে) আপনি সচলায়তন, প্রজন্ম ফোরাম, আমাদের প্রযুক্তি  (এখন অসুস্থ!) ইত্যাদি বিস্তর জায়গায় দৌড়াদৌড়ি করতেছেন, SOS পোস্টাইতেছেন  ... আপডেট খুঁজতেছেন। এর সমাধানযুক্ত ইংলাজি (ইংলিশ) ফোরামের ভাষা পছন্দ হয়  না। তাহলে আপনার জন্য একখান ভাল সমাচার আছে: আহেন ভাই চইল্যা আহেন ...  সম্পুর্ন বাংলায় শুধুমাত্র লিনাক্স বিষয়ক &lt;a class="bb-url" href="http://forum.linux.org.bd/" target="_blank"&gt;একখান ফোরাম&lt;/a&gt;  পূণর্জন্ম লাভ করেছে ... আগে এখানেও ইংলাজি ভাষায় সবকিছু ছিলো, এখন সব  বাংলায়। আরেকখান কথা হইলো আমাদের অভ্রনীল ভাইয়া কিন্তু ওখানে আরেকটু  উন্মুক্ত পরিচয়ে মডুগিরি করছেন &lt;img alt="দেঁতো হাসি" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/4.gif" style="border-width: 0px;" title="দেঁতো হাসি" /&gt; ।&lt;br /&gt;কি? পছন্দ হইলো না? ... ... আচ্ছা আবার শুরু করি:&lt;br /&gt;ধরেন আপনি &lt;span style="font-weight: bold;"&gt;পুরাতন&lt;/span&gt; লিনাক্স  ব্যবহারকারী। আপনি ভালু লোক ... তাই অন্য নতুনদের সাহায্য করতে চান। কিন্তু  এই নতুন লুকজন যে কোথায় কোন চিপায় গিয়ে সাহায্য চায় ... ... খুঁজে পাওয়াই  মুশকিল। আবার সব চিপাতে আপনার প্রবেশাধিকারও নাই। আপনার পরোপকার করতে না  পারার এই দুষ্ক (দূঃখ) শেষ হইলো বলে:  .... আহেন ভাই চইল্যা আহেন ...  সম্পুর্ন বাংলায় শুধুমাত্র লিনাক্স বিষয়ক &lt;a class="bb-url" href="http://forum.linux.org.bd/" target="_blank"&gt;একখান ফোরাম&lt;/a&gt;  পূণর্জন্ম লাভ করেছে ... আগে এখানেও ইংলাজি ভাষায় সবকিছু ছিলো, এখন সব  বাংলায়। আরেকখান কথা হইলো আমাদের অভ্রনীল ভাইয়া কিন্তু ওখানে আরেকটু  উন্মুক্ত পরিচয়ে মডুগিরি করছেন &lt;img alt="দেঁতো হাসি" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/4.gif" style="border-width: 0px;" title="দেঁতো হাসি" /&gt; ।&lt;br /&gt;তা-ও পছন্দ হইলো না?? ... ... ঠিক আছে, আবার শুরু করি (দান দান .. তিন দান):&lt;br /&gt;ধরেন আপনি লিনাক্স ব্যবহার করেন না। ভবিষ্যতে করতেও পারেন, না-ও করতে  পারেন। তবে, যারা এ্যাত সুন্দর জানালা ফেলে লিনাক্স ব্যবহার করে তাঁদের  সম্পর্কে একটু কৌতুহল হচ্ছে ... ... ব্যাটারা এ্যাত বোকা কেন? ... ... কেন  এ্যাত সুন্দর জানালা ছেড়ে খোলা মাঠে দৌড়াচ্ছে? ... কেনু কেনু কেনু? এরা আর  কী-রকম বোকাসোকা কথাবার্তা বলে ... ... এইসব জেনে যদি মজা লুটতে চান তবে  .... ... আহেন ভাই চইল্যা আহেন ... সম্পুর্ন বাংলায় শুধুমাত্র লিনাক্স  বিষয়ক &lt;a class="bb-url" href="http://forum.linux.org.bd/" target="_blank"&gt;একখান ফোরাম&lt;/a&gt; পূণর্জন্ম লাভ করেছে ... আর এখানে শুধু লিনাক্স বিষয়ক আলতু-ফালতু কথাবার্তা হয়। আহেন ... এগো কাজ কারবার দেইখ্যা মজা লুটেন ... ...&lt;br /&gt;এইটাও পছন্দ হইলো না??? ... ... তাইলে আমি খেলুম নাঃ -  জন রাসেলের করা মূল পোস্টটাই দেখেন:&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div class="bb-quote"&gt;উদ্ধৃতি&lt;blockquote class="bb-quote-body"&gt;আপনি  লিনাক্স ব্যবহারকারী। কিন্তু আপনার মনে খুব দুঃখ যে শুধুমাত্র লিনাক্স নিয়ে  আলোচনা করার জন্য বাংলায় কোনো ফোরাম নেই। সমস্যায় পড়লে বিভিন্ন বাংলা  ফোরাম কিংবা ব্লগে গিয়ে সাহায্য চাইতে হয়। তাছাড়া অনলাইনে লিনাক্স নিয়ে  বাংলায় আলোচনার জন্য নির্দিষ্ট কোনো ফোরাম না থাকায় লিনাক্স ব্যবহারকারীরা  বিভিন্ন বাংলা ব্লগ ও ফোরামে বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়ে ছিটিয়ে সাহায্য করে  যাচ্ছেন। কেমন হত যদি এই সব লিনাক্স ব্যবহারকারীদের একছাদের নীচে আনা যেত।  যদি শুধু লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য একটা ফোরাম থাকতো! যেখানে সব লিনাক্স  ব্যবহারকারীরা একসাথে আড্ডা মারবেন। মনের সুখ-দুঃখের কথা বলতে পারবেন, একে  অন্যকে সাহায্য করতে পারবেন, সেই সাথে নিজেদের মধ্যে ঠাট্টা তামাশাও করতে  পারবেন। শুধু চিন্তা করে দেখুন, সব লিনাক্স ব্যবহারকারী এক জায়গায়! আপনি  উবুন্টু-মিন্ট-ফেডোরা যেটা নিয়েই সমস্যায় পড়েন না কেন, কেবল কোনো মতে  হাঁচড়ে পাঁচড়ে সেই জায়গায় গিয়ে পৌঁছুতে পারলেই হয়, বাঘা বাঘা লিনাক্স  ব্যবহারকারীরা আপনার সমস্যা সমাধানে ঝাঁপিয়ে পড়বে। ভাবতেই মনটা ভালো হয়ে  যাচ্ছে - তাইনা! ২০০২ সাল থেকে স্বেচ্ছাসেবক সংগঠন বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার্স এলায়েন্স বা  বিএলইউএ বাংলাদেশে লিনাক্স ছড়িয়ে দেবার জন্য কাজ করে আসছে। বিএলইউএ এর  শাখা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে উবুন্টু বাংলাদেশ এবং ফেডোরা বাংলাদেশ। তাছাড়া  বাংলাদেশে ক্রিয়েটিভ কমন্স এর অ্যাফিলিয়েট হিসেবে কাজ করছে বিএলইউএ।  পাশাপাশি বেশ কিছু সফটওয়্যারের বাংলা লোকালাইজেশনের উপরও কাজ হচ্ছে  বিএলইউএ। সবচেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে যে, সেই ২০০৫ সাল থেকেই কেবলমাত্র  বাংলাদেশী লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য বিএলইউএ একটি ফোরাম রয়েছে। এর নাম  লিনাক্স ফোরাম।&lt;br /&gt;অবাক হচ্ছেন তাইনা! একটা পুরো ফোরাম লিনাক্সের জন্য, তাও আবার  বাংলাদেশের লিনাক্স ব্যবহারকারীদের জন্য - অথচ এ ব্যাপারটাই আপনি জানতেননা।  না জানার মূল কারণ হচ্ছে লিনাক্স ফোরাম যখন থেকে শুরু হয় (২০০৫ সালে) তখনও  লিনাক্স বাংলাদেশে ততটা জনপ্রিয় হয়ে উঠেনি, তাছাড়া সেসময় লোকজন এখনকার মত  ব্যাপকভাবে ইন্টারনেট ব্যবহার করতো না ফলে ব্লগে ও ফোরামগুলোতে এত লোকের  আনাগোনা ছিলনা। তাই স্বল্পসংখ্যক ব্যবহারকারীর ব্যবহার করা ফোরামটি অনেকটা  আড়ালেই ছিল। তাছাড়া ফোরামটি বাংলাদেশীদের জন্য তৈরি করা হলেও সেসময় বাংলা  লোকালাইজেশনের সুবিধা সেরকম না থাকায় এর ভাষা ছিল ইংলিশ। ফলে মায়ের ভাষায়  সেভাবে আলোচনা করতে না পারায় এবং তার কিছু পরেই অনলাইনে সম্পূর্ণ বাংলা  কয়েকটি ফোরাম চলে আসায়, লিনাক্স ফোরাম কার্যত অদৃশ্য হয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;বর্তমানে বাংলাদেশে লিনাক্স প্রসার ও প্রচারে এবং নবীন ব্যবহারকারীদের  জন্য লিনাক্স সম্পর্কীত বিভিন্ন আলোচনার জন্য কয়েকটি বাংলা ফোরাম ও ব্লগের  অবদান অনস্বীকার্য। সত্যি বলতে কি, ঐ সব ফোরামে মাধ্যমেই লোকজন লিনাক্স  সম্পর্কে উৎসাহী হয়েছে এবং এখন লিনাক্স ব্যবহার করছে। কিন্তু এতে কিছু  সমস্যায়ও পড়তে হয় নতুন ব্যবহারকারীদের। যেহেতু এরকম কোনো ফোরাম বা ব্লগ নেই  যেখানে সকল লিনাক্স ব্যবহারকারী একসাথে রয়েছেন, সেহেতু দেখা যায় যে  সর্বোচ্চ সাহায্য পাবার আশায় একজন ব্যবহারকারী একই প্রশ্ন বিভিন্ন ফোরাম ও  ব্লগে পোস্ট করেন এবং উত্তর দেখার জন্য সবগুলো ফোরাম ও ব্লগে তাকে নিয়মিত  যেতে হয়। ব্যাপারটা বেশ ঝামেলার। তাই শুধুমাত্র লিনাক্সের জন্য একটা বাংলা  ফোরামের অভাব সবসময়ই অনুভূত হত। এমন একটা ফোরাম যেখানে নবীন থেকে প্রবীন  কিংবা নাদান থেকে ঝানু - সব ধরনের লিনাক্স ব্যবহারকারীরা একত্রিত হবেন,  যেখানে নতুন ব্যবহারকারীরা সব রকমের সাহায্য পাবেন, যেখানে পুরনো  ব্যবহারকারীরা তাদের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে নতুন ব্যবহারকারীদের জ্ঞানকে  সমৃদ্ধ করবেন, যেখানে লিনাক্স ব্যবহার করতে গিয়ে মুখোমুখি হওয়া যে কোনো  সমস্যা নিয়ে যে কেউ নির্দ্বিধায় আলোচনা করতে পারবেন। সোজা কথায়, শুধু  বাংলায় পুরোপুরি লিনাক্সময় একটা ফোরামের খুব অভাব ছিল।&lt;br /&gt;বাংলা ভাষায় নির্মিত সম্পূর্ণ লিনাক্স ফোরামের এই অভাবটি এবার ঘুচতে  যাচ্ছে। বিএলইউএ লিনাক্স ফোরামটিকে পুরোপুরি বাংলায় রূপান্তর করে ফেলা  হয়েছে। সেই সাথে নতুন থিম ব্যবহার করে চেহারায়ও নতুনত্ব দেয়া হয়েছে লিনাক্স  ফোরামকে। বলা যায় যে নতুন রূপে লিনাক্স ফোরামের পুণর্জন্ম হয়েছে। এবার  লিনাক্সপ্রেমী ও লিনাক্স ব্যবহারকারীদের কলতানের অপেক্ষায় রয়েছে ফোরামটি।  আপনি যদি লিনাক্স নিয়ে আগ্রহী হয়ে থাকেন কিংবা আপনি যদি লিনাক্সের দুনিয়ায়  নতুন হয়ে থাকেন, যদি লিনাক্সের সাথে আরো ভালোভাবে পরিচিত হতে চান, যদি  লিনাক্সের সৌন্দর্য পুরোপুরি উপভোগ করতে চান, যদি লিনাক্স নিয়ে যেকোন  সমস্যায় অভিজ্ঞদের পরামর্শ পেতে চান - তবে আপনার জন্যই অপেক্ষা করছে  লিনাক্স ফোরাম। আর আপনি যদি লিনাক্সের দুনিয়ায় পুরনো হয়ে থাকেন, আপনি যদি  আপনার অভিজ্ঞতার ঝুলি দিয়ে নতুনদেরকে সাহায্য করতে উদগ্রীব হয়ে থাকেন, আপনি  যদি বাংলাদেশে লিনাক্স প্রচার ও প্রসারে যদি কিছু করতে চান - তাহলে আপনার  জন্যও ফোরামটি অপেক্ষা করছে। আপনি যদি উপরের দু'ধরনের কোনটাই না হয়ে থাকেন,  তারপরও আপনি লিনাক্স ফোরামে আমন্ত্রিত; লিনাক্স কি, এটা দিয়ে কি করা যায়  না করা যায়, আপনার সব কাজ কিভাবে লিনাক্স দিয়ে করতে পারবেন ইত্যাদি নিয়ে  কিছু ধারণা পাবেন। আর কিছু নাহোক, বাংলাদেশী লিনাক্স ব্যবহারকারীদের সাথে  অন্তত আড্ডা তো মারতে পারবেন।&lt;br /&gt;লিনাক্স ফোরাম আপনার জন্য প্রস্তুত। আপনি যোগ দিতে প্রস্তুত তো? আমরা কিন্তু আপনার নিবন্ধনের অপেক্ষায় রয়েছি...&lt;br /&gt;&lt;a href="http://forum.linux.org.bd/"&gt;http://forum.linux.org.bd/&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;প্রচারে:&lt;br /&gt;বাংলাদেশ লিনাক্স ইউজার্স এলায়েন্স (বিএলইউএ)&lt;/blockquote&gt;&lt;/div&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-3930525019296895277?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/3930525019296895277/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=3930525019296895277' title='2টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/3930525019296895277'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/3930525019296895277'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2010/08/blog-post.html' title='নতুন রূপে(!) লিনাক্স ফোরাম আপনারই প্রতীক্ষায়!'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-8138646873545259421</id><published>2010-07-27T18:07:00.000+06:00</published><updated>2010-11-08T18:08:53.622+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>বান্ধবীর চিঠি যেন বউয়ের কাছে না যায় - মুনীর হাসান</title><content type='html'>(&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/hussainuzzaman/33911"&gt;সচলায়তনে প্রকাশিত&lt;/a&gt;) &lt;br /&gt;গত ২৩শে জুলাই বন্টু মিন্টুর আড্ডায় গিয়েছিলাম। সচলায়তন এটার লাইভ  ব্লগিং পার্টনার ছিল সেটা সকলেই জানেন আশা করছি (গৌতম দাদাকে আন্তরিক  ধন্যবাদ)। সেই আড্ডা সম্পর্কে একটু ছোট রিভিউ লেখার খায়েশ জাগলো বলেই ....  ....। &lt;br /&gt;বেশ কিছুদিন যাবৎ (সাড়ে ৩ বছর +) নিয়মিত শুধুমাত্র লিনাক্স ব্যবহার করছি  বলেই, বুঝি বা না বুঝি - এ বিষয়ে খুটিনাটি বিষয়গুলো অনলাইনে পড়ে রাখার  চেষ্টা করি সবসময়। কারণ আমি জানি যে, কম্পু বিষয়ে বিপদে পড়লে নিজেকেই নিজের  সাহায্য করতে হবে। এই একই কারণে প্রথম যখন কম্পিউটার কিনি ১৯৯৮-৯৯ সালের  দিকে, তার প্রায় দুই বছর আগে থেকে নিয়মিতভাবে কম্পিউটার জগত নামক একটা  পত্রিকার শুরুর মলাট থেকে শেষ মলাট পর্যন্ত পড়তাম এবং কপিগুলো সংগ্রহে  রাখতাম। নিঃসন্দেহে সেই পড়াগুলো এই যন্ত্রটাকে ভালভাবে(?!?)  বুঝতে অনেক  সাহায্য করেছিলো - এবং কম্পুটারের সমস্যা হলে প্রায় সবসময় নিজে নিজেই  হাতুড়ে চিকিৎসা দিতে পারতাম।&lt;br /&gt;যা হোক, নিজের পড়ার উপরে একটু আত্মপ্রসাদ থাকলেও বন্টু মিন্টুর আড্ডাতে  গিয়ে রেভুলুশন ও.এস. তথ্যচিত্র দেখে এমন কিছু নতুন তথ্য জানলাম যা লিনাক্স ও  মুক্তসোর্স সম্পর্কে নিজের আগ্রহ ও শ্রদ্ধাটাকে আরও উপরে তুলে নিল। মুক্ত  সফটওয়্যার আন্দোলনের জনক রিচার্ড স্টলম্যান সম্পর্কে বিভিন্ন সময়ে ব্লগে  ফোরামে পড়েছি ... ... কিন্তু জানতামই না যে এই ব্যাটা MIT'র (= খ্যাতনামা  ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি) অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে গবেষণা  দলের একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন। MIT বা স্ট্যানফোর্ড শুনলেই কেমন যেন  শিরশিরে একটা অনুভুতি জাগে বেশ আগে থেকেই, আর এই ব্যাটা সেখানকারই একজন ...  ...। বাকী যেসব লোকেরা এই লিনাক্স বা ওপেনসোর্স আন্দোলনের সাথে জড়িত এবং  এই তথ্যচিত্রে দেখালো তারাও কিন্তু বাণের জলে ভেসে আসা কেউ না .... ...  নামী সব ইউনিভার্সিটির পাগলাটে সব গবেষক। ওপেনসোর্সের জন্য কর্মরত বেশিরভাগ  লোকজনই এমন সব ব্রিলিয়ান্ট লোকজন .... .... .... .... তা-ই-তো বলি, আমার  কাছে জানালার তুলনায় লিনাক্স কেন এ্যাত বেশি নিঁখুত মনে হয়।&lt;br /&gt;তথ্যচিত্রর শুরুর দিকে একটা হিট ডায়লগ না জানালে তো ব্লগটাই নিজের কাছে  অসম্পুর্ন মনে হবে। ওপেনসোর্স পথিকৃতদের একজন বললেন যে একদিন লিফটে সুটেড  বুটেড লোককে মাইক্রোসফটের লোগো বা আই.ডি. লাগানো দেখে বলেছিলেন: So ....  ... you work in microsoft! ঐ লোক একটু হয়তো খুশি, জবাব দিলেন "হ ঠিকাছে,  তয় তুমি কী কর চান্দু?" .... .... আমি তো একজন হ্যাকার, এ কথা ওরে বুঝাই  কীভাবে ..... কিছু তো একটা বলা দরকার ... ... একটা কঠিন বিষদৃষ্টি দিয়ে ওর  দিকে তাকিয়ে বললাম: I am your worst nightmare.&lt;br /&gt;যা হোক, তথ্যচিত্রের পর শুরু হওয়া আড্ডায় এক পর্যায়ে শ্রদ্ধেয় মুনির  হাসান ভাই অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ কথা বললেন। তিনি জানালেন যে তথ্যপ্রযুক্তি  মন্ত্রী মহোদয়কে ওপেনসোর্সের বিষয়টা উপলব্ধি করাতে পেরেছেন, তাই সরকারী  কাজকর্মগুলোতে ওপেনসোর্স চলে আসছে প্রতিনিয়ত। এছাড়া, যেখানে নির্বাহী  কর্মকর্তা বা চেয়ারম্যানদের প্রশিক্ষণ হয় সেই ল্যাবের কম্পিউটারগুলো  উবুন্টুতে চলে। কিন্তু প্রশিক্ষণ অফিসের যেই কম্পুতে তিনি উবুন্টু  রেখেছিলেন, পরবর্তী ব্যক্তি সেটা আবার জানালাতে নিয়ে গেছে, কিন্তু ল্যাবের  গুলো পরিবর্তন করেনি ... ... কারণ জানালা বিশিষ্ট নেটওয়র্কের জানালা গলে  অনেক ঝামেলা চলে আসে যা উবুন্টুতে হয় না। এরকম একবার উবুন্টু আবার জানালা  দেখে মনখারাপের কিছু নাই, এটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, আর এভাবেই আগুপিছু করতে  করতে একসময় ওপেনসোর্স চুরি করা জানালার স্থান নিয়ে নেবে।&lt;br /&gt;এই প্রসঙ্গে তিনি আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ কথা বললেন যেটা নিঃসন্দেহে আমাদের  নীতিনির্ধারক মহলের মাথাতেও দিয়েছেন - সেটা হল "বান্ধবী বা গার্লফ্রেন্ডের  কাছে লেখা চিঠির কপি যেন বউয়ের কাছে চলে না যায়" - নাইলে কিন্তু বিরাট  ক্যাচালের মধ্যে পড়তে হবে! জানালাতে তথ্যচুরির কিছু ব্যাকডোর মাঝে মাঝে  ইচ্ছাকৃতভাবেই দেয়া হয়, এবং NSA নামক উইজেটের কী কাজ, এই ব্যাপারে  মাইক্রোসফট কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি; তবে এটা খুবই স্পষ্ট যে এন.এস.এ.  আমেরিকার ন্যাশনাল সিকিউরিটি এজেন্সির নামের অদ্যক্ষর ... কাজেই এই উইজেট  কী করছে সেটা সহজে অনুমেয়।&lt;br /&gt;মুনির হাসান ভাইয়ের মুখে এই কথা শুনে আমার একটা পঠিত ঘটনার কথা মনে পড়ে  গেল। জার্মানীর পার্লামেন্ট জানালা বাদ দিয়ে লিনাক্সের দিখে ঝুকেছে এমন  খবরটা ২০০১ সালের; কারণ হল জানালার খরচ বেশী ছাড়াও এর ফাঁক গলে সমস্ত  গোপনীয়(!) তথ্য আমেরিকায় চলে যাচ্ছে বলে একটা থলের বেড়াল বের হয়ে পড়েছিলো।  ব্লগটি লেখার জন্য এই খবরের রেফারেন্সের জন্য গুগল করলাম একটু ...  ...সামান্য কিছু অবশিষ্ট খবর পেলাম &lt;a class="bb-url" href="http://www.linux.org/news/2001/10/15/0008.html" target="_blank"&gt;এখানে&lt;/a&gt; এবং &lt;a class="bb-url" href="http://www.shortnews.com/start.cfm?id=11975" target="_blank"&gt;এখানে&lt;/a&gt;।&lt;br /&gt;আড্ডার এমন পর্যায়ে চা বিরতি দিয়েছিলো, আর আমিও এর পরে থাকতে পারিনি (শুক্কুরবারেও ক্লাস নিতে হয় &lt;img alt="মন খারাপ" src="http://www.sachalayatan.com/modules/smileys/icons/2.gif" style="border-width: 0px;" title="মন খারাপ" /&gt;  ) ... ... তাই বাকীটুকুর জন্য হয় গৌতম দাদা অথবা রণদীপম দাদার পোস্টের  জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া গতি নাই ... .... থুক্কু ...সকাল সকাল ব্লগ লিখে  সচলে পোস্টাইতে এসে দেখি &lt;a class="bb-url" href="http://www.sachalayatan.com/ranadipam_basu/33905" target="_blank"&gt;রণদীপম দাদা দারুন একখান পোস্ট দিয়ে ফেলেছেন গতরাতেই&lt;/a&gt;।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-8138646873545259421?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/8138646873545259421/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=8138646873545259421' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8138646873545259421'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/8138646873545259421'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2010/07/blog-post.html' title='বান্ধবীর চিঠি যেন বউয়ের কাছে না যায় - মুনীর হাসান'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-4308721525392641299</id><published>2010-06-21T18:05:00.005+06:00</published><updated>2010-11-08T18:06:44.194+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='লিনাক্স'/><title type='text'>শখের কাজ ফেলনা নয়</title><content type='html'>(&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/hussainuzzaman/33126"&gt;সচলায়তনে প্রকাশিত&lt;/a&gt;) &lt;br /&gt;এই সেমিস্টারে রবিবার আমার সাপ্তাহিক বন্ধ। আর এমন ছুটির দিনের অলস সন্ধ্যায় বিদ্যূৎ চলে গেলে নেটবুকের ব্যাটারী ক্ষয় করে মাথায় ঘুরতে থাকা বিষয়ে ব্লগ লেখা ছাড়া তেমন কিছু করার থাকে না। বাবা দিবসে বাবাকে নিয়ে কিচ্ছু লিখছি না, কারণ বাবাকে নিয়ে যেই স্মৃতি আর অনুভুতি সেটা ফিকে হওয়ার নয়, তাছাড়া তরল পদার্থ কীবোর্ডের ক্ষতি করতে পারে। তাই অন্য যেই বিষয়টা মাথা থেকে মুছে যাওয়ার কিছুটা সম্ভাবনা আছে সেটা নিয়েই আপাতত তেনা প্যাচাই একটু।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খাওয়া দাওয়ার ব্যাপারে আমার বাছ বিচার একটু কম এবং লবনের কমবেশিতে খেতে তেমন কোনো অসুবিধা হয় না। আমার ৩০+ বি.এম.আই. (Body Mass Index, BMI= weight in kg / sqare of height in meter) এই খাদ্যরসিকতার বিষয়টাকেই প্রকটভাবে তুলে ধরে। আমাকে খাওয়াতেও লোকজন (চাচী/ফুফু ইত্যাদি) পছন্দ করে ... ... কারণ তাঁদের সমস্ত রান্নাই আমার অসাধারণ ভাল লাগে সেটা আমার খাওয়া দেখেই উনারা বুঝে নিতে পারেন। শুধুমাত্র নিজ বাসায় আমাকে খাওয়া দাওয়াতে নিরুৎসাহিত করা হয়, কারণ এতে আমার স্বাস্থ্যহানী হওয়ার আশংকায় ওনারা যথেষ্ট আন্তরিক। হাসাহাসি করার কিছু নাই ... ... আগের আমলে স্বাস্থ্যহানী বলতে শুধু টিংটিঙে পাতলা স্বাস্থ্য বুঝানো হত ... ...কিন্তু আধুনিক মা/শাশুড়ি/বউরা বি.এম.আই.-এর রেঞ্জ (18 - 22 kg/m2) জানে ও বোঝে। আদর্শ রেঞ্জের সর্বোচ্চ মান থেকে আমার ওজন প্রায় আধমন বেশি (!) ... কাজেই আন্ডারওয়েটের মত ওভারওয়েটও সুস্বাস্থ্য নয় অর্থাৎ এটা স্বাস্থ্যহানী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একটু চা খেয়ে আসি ... ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আধাঘন্টা পর, আমি কিন্তু চা খেয়ে ফিরে এসেছি .... যা হোক, যেটা বলছিলাম:&lt;br /&gt;খাওয়া দাওয়াতে খুব আগ্রহী হলেও রান্না করার ব্যাপারে আমাকে আনাড়ি বলা যায়। তবে অনেক রেস্টুরেন্টে যে দারুন খাবার রান্না করে সেটা আমরা সবাই জানি ... আর জেনে জেনে সেসব জায়গায় খেতে চলে যাই। আবার অনেক বাসাতেই এমন সুন্দর কিছু আইটেম মাঝে মাঝে শখ করে রান্না করা হয়, যার কোনো তুলনা কোনো রেস্টুরেন্টে পাওয়া যাবে না। অনেক সময়ে আমি বা আরও গুণমুগ্ধ খাদক এই সব মা/চাচী/খালা/ফুফু/ভাবীদেরকে বলি যে আপনার এই আইটেম যদি বিক্রি করা যায় তবে সেটা অমুক হোটেলের ব্যবসাকে লাটে উঠিয়ে দেবে। কিন্তু সেই সব গুণী মহিলারা শুধুই হাসেন, তাঁদের রান্না করা খাবার বা তৈরী করা আচার বিক্রয় করেন না, শুধু আমাদের কৃতজ্ঞতাপাশে আবদ্ধ করতেই বিনামূল্যে (কৃতজ্ঞতাটুকু অমূল্য) এসব অকাতরে হাসিমুখে দিয়ে দেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিনামূল্যে দেন অর্থাৎ এগুলো পেতে কোনো টাকা দেয়া লাগেনা, এটা সত্য হলেও দানের ব্যাপারটা যে পুরাপুরি একপেশে হয় সেই কথাটা পুরাপুরি ঠিক নয়। কারণ, আমাদের মনে ওনারা যেই স্থান করে নেন এবং রান্নাবান্নার ক্ষেত্রে প্রথম পরামর্শের উৎস হন -- এই ধরণের স্থান টাকা খরচ করলেও সহজে পাওয়া যায় না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;.... .... আচ্ছা কী যেন বলছিলাম ... ... ও হ্যাঁ মনে পড়েছে; শখের কাজ যে পেশাদার কাজের চেয়ে উন্নত মানের হতে পারে তার একটা উদাহরণ দিচ্ছিলাম (বাবুর্চির চেয়ে ভাল রান্না)। ইচ্ছা করলে এটা নিয়ে আরও ত্যানা প্যাচানো যায় ... ... যেমন, কোনো কোনো লোকের সংগ্রহ করা তৈলচিত্র কোনো যাদুঘরের সংগ্রহশালাকে ছাড়িয়ে যেতে পারে। একজন শখের শিল্পীর গান পেশাদারদের ছাড়িয়ে যেতে পারে; শখ করে করা হাতের কাজ (কাঁদামাটির কাজ/ কাঠ খোদাই করা / পেইন্টিং ইত্যাদি), পেশাদার কাজের চেয়ে হাজারগুণ ভাল হতে পারে ... ... কারণ পেশাদার কাজে গ্রাহকের চাহিদার বাইরে কিছু করার দরকার হয় না, আবার অতিরিক্ত কিছু করলেও উল্টা ফল হতে পারে, কিন্তু শখে মানুষ যা করে সেটার মধ্যে নিজের সমস্ত কল্পনা, আবেগ এবং মননশীলতা স্বাধীনভাবে প্রয়োগ করতে পারে; নিজের কল্পনার সর্বোচ্চ প্রয়োগ করতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আক্কেলমান্দকে লিয়ে ইশারাই কাফি ... কাজেই ওপেনসোর্স সফটওয়্যার মাত্রই নামকরা প্রতিষ্ঠানের প্রোপাইটারি সফটওয়্যারের চেয়ে নিম্নমানের/পচা হতে হবে বলে সস্তার তিন অবস্থা মার্কা তালগাছের মালিকগণনিশ্চয়ই এখনও আগের মত করেই ভাববেন ... ... আক্কেলমান্দদের জন্য শুধু শুধু বিনামূল্যের সচলায়তন, অভ্র, উইকিপিডিয়া, ফায়ারফক্স বা লিনাক্স নিয়ে কথা বলার দরকার নাই .... শুভরাত্রি।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-4308721525392641299?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/4308721525392641299/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=4308721525392641299' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/4308721525392641299'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/4308721525392641299'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2010/06/blog-post_21.html' title='শখের কাজ ফেলনা নয়'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-387102867067381805</id><published>2010-06-07T22:49:00.004+06:00</published><updated>2010-06-11T13:57:31.165+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ ও দেশ'/><title type='text'>গ্রেডিং পদ্ধতি এবং কিছু অগোছালো চিন্তাভাবনা</title><content type='html'>&lt;p&gt;&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/hussainuzzaman/32839"&gt;সর্বপ্রথম সচলায়তনে প্রকাশিত&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;এটি একটি গবেষণাবিহীন লেখা; সম্ভবত একটু বেশি লম্বা হয়ে গেছে অনিচ্ছাকৃতভাবে। অনেকের কাছেই পুরান প্যাচাল মনে হতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;পরীক্ষার ফলাফল কী কাজে লাগে?&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;যে কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করার আগে এটার প্রয়োজনীয়তা বা objective জানা থাকলে প্রাসঙ্গিক আলোচনায় সুবিধা হয়। তাই প্রথমেই পরীক্ষার ফলাফল কী কাজে লাগে সে বিষয়ে আমার সামান্য ধারণাটুকু তুলে ধরি। জ্ঞানার্জনের জন্য লেখাপড়া, তাই পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হল সেই জ্ঞান কতটুকু অর্জিত হল সেটা যাচাই করে নেয়া। তবে প্রায়োগিক দিক চিন্তা করলে দেখা যায়, এই পরীক্ষার ফলাফলের উপর ভিত্তি করে আমরা নির্দিষ্ট বিষয় বা বিষয়সমূহে একজন শিক্ষার্থীর অর্জিত জ্ঞানের পাশাপাশি তার মেধাশক্তি পরিমাপ করার চেষ্টা করি। সেই মেধার ভিত্তিতে তাঁর উচ্চতর শিক্ষার উপযুক্ততা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া এই ফলাফলের ভিত্তিতেই বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে উপযুক্ত কর্মী বাছাই করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;তাই পরীক্ষার ফলাফলকে বলা যায়, উচ্চশিক্ষার উপযুক্ত শিক্ষার্থী এবং কর্মক্ষেত্রে কর্মী বাছাইয়ের একটা হাতিয়ার। নিয়োগকর্তা যদি পরীক্ষার ফলাফল দেখে কর্মীর যোগ্যতা বুঝতে না পারেন, তবে সেই ফলাফল এর মূল একটা উদ্দেশ্য পূরণে ব্যর্থ এবং নিয়োগকর্তার কাছে এটা একটা প্রহসন ছাড়া আর কিছু মনে হতে পারে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;এজন্য শিক্ষকদের দুই ধরণের দায়িত্ব পালন করতে হয়। একদিকে শিক্ষক হলো কোচ ... অর্থাৎ, তিনি শিক্ষার্থীকে উপযুক্তি কোচিং বা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মযজ্ঞের জন্য প্রস্তুত করেন। অপরদিকে শিক্ষক হলো গেট-কিপার বা দাড়োয়ান, অথবা বলা যেতে পারে "কোয়ালিটি কন্ট্রোল অফিসার"। অর্থাৎ, তার প্রদত্ত ফলাফলের ভিত্তিতে ইন্ডাস্ট্রি উপযুক্ত কর্মী বেছে নিতে পারবে। এটা সমাজ তথা কর্মক্ষেত্রের কাছে শিক্ষকদের দায়বদ্ধতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;আমরা শিক্ষকদের দায়িত্বে অবহেলা বলতে শুধুমাত্র পাঠদানে অবহেলা করার বিষয়টা বুঝে থাকি। কিন্তু যদি শিক্ষক কোয়ালিটি কন্ট্রোল ঠিকমত না করেন, এবং সমাজ এবং নিয়োগকারী/উচ্চতরা শিক্ষাব্যবস্থাকে উপযুক্ত কর্মী/শিক্ষার্থী বেছে নিতে সাহায্য করার মত ফলাফল না দেন, তবে সেটাও সমাজের প্রতি চরম দায়িত্বে অবহেলা হিসেবে চিহ্নিত করা উচিত বলে মনে করি। এই প্রসঙ্গে গণহারে এস.এস.সি.তে A গ্রেড পাওয়ার ব্যাপারটা উল্লেখযোগ্য মাত্রার দৃষ্টিকটু লাগে ... মনে হয় কোনো কারখানায় প্রোডাক্ট উৎপন্ন হওয়া মাত্র সর্বোচ্চ মানের বলে নিশ্চয়তা দেয়া হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;প্রচলিত গ্রেডিং পদ্ধতি&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;গ্রেডিং নিয়ে মোটাদাগে কিছু বলার আগে এই সিস্টেমে নিজের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতাটুকু শেয়ার করি। এই সিস্টেমের সাথে প্রথম পরিচয় হয় প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে। গ্রেডিং সিস্টেমের সাথে পরিচয় আরেকটু গাঢ় হয় পরবর্তীতে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়েই মাস্টার্স করতে গিয়ে। আর এখন একটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করার সুবাদে প্রতিনিয়ত এই বিষয়ে ছাত্র/শিক্ষকদের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়। এ বিষয়ে আরো কিছু বলার আগে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় এবং আরও কিছু প্রাইভেট ও পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে যেই পদ্ধতিতে গ্রেড দেয়া হয় সেটা দেখি:&lt;br /&gt;&lt;p&gt;তালিকা-১&lt;br /&gt;&lt;table cellpadding=1 rules=all frame=box&gt;&lt;tr BGCOLOR="#cccccc"&gt;&lt;th&gt;&amp;nbsp প্রাপ্ত নম্বর &amp;nbsp &lt;/th&gt; &lt;th&gt;&amp;nbsp লেটার গ্রেড &amp;nbsp &lt;/th&gt; &lt;th&gt;&amp;nbsp গ্রেড পয়েন্ট &amp;nbsp &lt;/th&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৮০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp A +&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৪.০০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৭৫+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp A  &lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;৩.৭৫&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৭০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp A -&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৩.৫০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৬৫+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp B +&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৩.২৫&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৬০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp B  &lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৩.০০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৫৫+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp B -&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;২.৭৫&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৫০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp C +&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;২.৫০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৪৫+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp C&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;২.২৫&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৪০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp D&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;২.০০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;০-৩৯&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp F&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;০.০০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/table&gt;&lt;p&gt;ভাবছেন এগুলোতো জানা কথা, এ আর এমন কি ... ... । তবে দেখুন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়েই মাস্টার্স লেভেলে যেভাবে গ্রেড দেয়া হয় সেটার পদ্ধতি:&lt;br /&gt;&lt;p&gt;তালিকা-২&lt;br /&gt;&lt;table cellpadding=1 rules=all frame=box&gt;&lt;tr BGCOLOR="#cccccc"&gt;&lt;th&gt;&amp;nbsp প্রাপ্ত নম্বর &amp;nbsp &lt;/th&gt; &lt;th&gt;&amp;nbsp লেটার গ্রেড &amp;nbsp &lt;/th&gt; &lt;th&gt;&amp;nbsp গ্রেড পয়েন্ট &amp;nbsp &lt;/th&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৯০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp A +&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৪.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৮০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp A&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৩.৫&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৭০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp B +&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৩.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৬০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp B&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;২.৫&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৫০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp C&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;২.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;০-৪৯&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp F&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;০.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/table&gt;&lt;p&gt;গ্রেডিং পদ্ধতি নিয়ে যাঁরা খুব বেশি নাড়াচাড়া করেননি, তাঁরা নিশ্চয়ই একটু ধাক্কা খেয়েছেন এই পর্যায়ে এসে।  আন্ডারগ্রাজুয়েট লেভেলে যেখানে ১০ রকম গ্রেড (ফেল সহ) সেখানে মাস্টার্সে ৬ রকম গ্রেড হতে পারে। আর প্রাপ্ত নম্বরের পার্থক্যটাও চোখে পড়ার মত: আন্ডারগ্র্যাডে প্রতি ৫ নম্বরের জন্য গ্রেড পয়েন্ট পরিবর্তন হয় যেখানে মাস্টার্সে এই পার্থক্য ১০। সাথে সাথে পর্যায়ক্রমিক গ্রেড পয়েন্টের পার্থক্যগুলোও দেখা যেতে পারে: আন্ডারগ্র্যাডে ধারাবাহিকভাবে ০.২৫ পার্থক্যতে গ্রেডগুলো অবস্থিত, যেখানে মাস্টার্সে এটা ০.৫০।  পাস্‌মার্কও আলাদা: মাস্টার্সে ৫০, আন্ডারগ্র্যাডে ৪০।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;একটা বিষয় নিশ্চয়ই অনুমান করতে পারছেন যে, দুই লেভেলে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের দক্ষতাকে আলাদা পাল্লায় মাপা হয়। আর, একজন ছাত্র বুয়েটে যত সহজে আন্ডারগ্রাজুয়েটের গ্রেড তুলতে পারবে, মাস্টার্সে ব্যাপারটা ততটা সহজ হবে না। এমনকি যেই ছাত্র প্রতিটা বিষয়ে আগে সর্বোচ্চ গ্রেড পেয়ে এসেছে, মাস্টার্সে সেই মানের পরীক্ষা দিয়ে একই গ্রেড পাবে না: আগে ৮০ পেলেই যেখানে A+ = ৪.০ পাওয়া যেত, সেখানে মাস্টার্সে ৮০ = A = ৩.৫। আর পাশের ব্যাপারটাও খেয়াল করুন: আন্ডারগ্রাডে ৪৬ = C = ২.২৫, কিন্তু মাস্টার্সে সেটাই ফেল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;কাজেই এ থেকে অনুমান করা সহজ হয় যে সর্বক্ষেত্রে একই প্রাপ্ত নম্বরের জন্য একই গ্রেড পেতে হবে -- এমন কোন নিয়ম নেই। আর গ্রেডিং পদ্ধতি যে সব জায়গায় একই হতে হবে, বা হবে এমনটি আশা করাও উচিত নয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;আমি একটা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকুরি করি। এটাতে যে গ্রেডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়, তা দেশের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয় অপেক্ষা ভিন্ন। এই ভিন্নতার পেছনের কারণগুলো প্রবন্ধের শেষে জানানোর চেষ্টা করবো। নিচে এখানকার গ্রেডিং পদ্ধতি দেয়া হল:&lt;br /&gt;&lt;p&gt;তালিকা-৩&lt;br /&gt;&lt;table cellpadding=1 RULES=all  FRAME=BOX&gt;&lt;tr BGCOLOR="#cccccc"&gt;&lt;th&gt;&amp;nbsp প্রাপ্ত নম্বর &amp;nbsp &lt;/th&gt; &lt;th&gt;&amp;nbsp লেটার গ্রেড &amp;nbsp &lt;/th&gt; &lt;th&gt;&amp;nbsp গ্রেড পয়েন্ট &amp;nbsp &lt;/th&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৯০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp A&lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;৪.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৮৫+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp A -&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৩.৭&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৮০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp B +&lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;৩.৩&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৭৫+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp B  &lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;৩.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৭০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp B -&lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;২.৭&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৬৫+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp C +&lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;২.৩&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৬০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp C&lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;২.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৫৫+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp C -&lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;১.৭&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৫২+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp D +&lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;১.৩&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;৫০+&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp D&lt;/td&gt;  &lt;td align=center&gt;১.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;০-৪৯&lt;/td&gt; &lt;td&gt;&amp;nbsp F&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;০.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/table&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;গ্রেডিং পদ্ধতি নিয়ে একটু ত্যানা প্যাচানি: (কী, কেন) &lt;/h3&gt;&lt;p&gt;বাস্তব জীবন থেকে একটা সহজ উদাহরণ দেই। ধরুন চারজন পরীক্ষার্থী একটি পরীক্ষায় যা লিখেছে তা মূল্যায়ন করার পরে নিচের মত করে নম্বর দেয়া হল। আগের প্রচলিত পদ্ধতিতে এই নম্বরের উপর ভিত্তি করেই তাদের মেধাক্রম দেয়া হত। এখনকার পদ্ধতিতে এই নম্বরের উপর ভিত্তি করে গ্রেড দেয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;তালিকা-৪&lt;br /&gt;&lt;table cellpadding=1 RULES=all  FRAME=BOX&gt;&lt;tr BGCOLOR="#cccccc"&gt;&lt;th&gt;&amp;nbsp ছাত্রের নাম &amp;nbsp &lt;/th&gt; &lt;th&gt;&amp;nbsp প্রাপ্ত নম্বর &amp;nbsp &lt;/th&gt; &lt;th&gt;&amp;nbsp মেধাক্রম &amp;nbsp &lt;/th&gt; &lt;th align=center&gt;&amp;nbsp গ্রেড &amp;nbsp &lt;/th&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;ছাত্র-১&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৯৩&lt;/td&gt;&lt;td align=center&gt;১&lt;/td&gt;  &lt;td&gt;A অথবা ৪.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;ছাত্র-২&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৭৭&lt;/td&gt;&lt;td align=center&gt;২&lt;/td&gt;  &lt;td&gt;B অথবা ৩.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;ছাত্র-৩&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৭৭&lt;/td&gt;&lt;td align=center&gt;২&lt;/td&gt;  &lt;td&gt;B অথবা ৩.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td align=center&gt;ছাত্র-৪&lt;/td&gt; &lt;td align=center&gt;৭৬&lt;/td&gt;&lt;td align=center&gt;৩ বা ৪&lt;/td&gt;  &lt;td&gt;B অথবা ৩.০&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/table&gt;&lt;p&gt;একটু লক্ষ্য করলেই বুঝতে পারবেন যে সাধারণ মেধাক্রম পদ্ধতিতে একটা বড় দূর্বলতা রয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে শুধু ১ম, ২য়, ৩য় অবস্থান দেখে তাদেরকে সম-ব্যবধানে অবস্থিত মনে হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এখানে ১ম স্থান অধিকারী ২য় বা ৩য়'র চেয়ে অনেক বেশি ভালো। অন্য কোন ক্ষেত্রে (ধরুন যথাক্রমে ৯১, ৯০, ৬৬ নম্বর) ১ম ও ২য় হয়তো প্রায় একই নম্বর পেয়েছে কিন্তু ৩য় বা এর পরের ক্রমগুলোতে থাকা পরীক্ষার্থী এই দুইজনের চেয়ে অনেক পেছনে, যা শুধুমাত্র এই মেধাক্রম পদ্ধতিতে বোঝা সম্ভব নয়। অর্থাৎ আগের এই পদ্ধতিতে মেধার তূলনা করা যাচ্ছে না। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;শোনা যায় একটি বাংলা উত্তরপত্র ফটোকপি করে অনেকজন শিক্ষকে দেয়াতে তাঁদের মূল্যায়নে বিরাট ব্যবধান দেখা গিয়েছিলো। এছাড়া একই লেখা সম্পন্ন খাতা পর পর দুইবার দেখলেও একই শিক্ষকের প্রদেয় নম্বরের সামান্য হেরফের হতে পারে। তাই এই সামান্য নম্বরের হেরফেরের কারণে দুইজন ছাত্রর মেধা আলাদা সেটা জোর গলায় দাবী করা যায় না (উপরের উদাহরণে ছাত্র-২, ছাত্র-৩ এবং ছাত্র-৪ একই মেধাসম্পন্ন)।  এমনকি MCQ পদ্ধতিতেও কোনো কোনো ছাত্র আন্দাজে টিক দিয়ে সম মেধার আরেকজনের চেয়ে ২/১ নম্বর বেশি পেয়ে যেতে পারে। তাই সম মেধার ছাত্রদেরকে একই কাতারে রাখার জন্য গ্রেড পদ্ধতির প্রয়োজন হয়ে পড়েছিলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;বাস্তব জীবনেও কিন্তু আমরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে গ্রেডিং তূল্য পদ্ধতি ব্যবহার করি। ১নম্বর মাল, দুই নম্বর কোয়ালিটি, ইত্যাদি কথাগুলো এজন্যই বহুল প্রচলিত। বিলাসবহুল বাসের টিকিট সবগুলোর একই মূল্য হলেও সবগুলো বাসে/সিটে কিন্তু আরাম/সুবিধা সমান নয়। আবার ইটের ভারবহন ক্ষমতা ৫০৪০ পাউন্ড/বর্গইঞ্চি (psi) হউক আর ৫১০০ psi হউক সেটাকে আমরা ১ নং মানের ইট বলি। আবার বিভিন্ন ক্ষেত্রেও সবসময় নম্বর প্রদানের মত নিঁখুত (!) পরিমাপ দেয়া সম্ভব নয় - সেসব ক্ষেত্রে আগে থেকে নির্ধারিত একটা মাত্রা/তালিকা অনুযায়ী গ্রেডিং এর মত করে শ্রেণীবিভাগ করা হয় (যেমন ধরুন: ৫ তারকা হোটেল, ৩ তারকা হোটেল; বৈদ্যূতিক যন্ত্রের শক্তি সাশ্রয়ী রেটিং; ২নং বিপদ সংকেত, ৭নং বিপদ সংকেত; প্রথম/দ্বিতীয়/তৃতীয় শ্রেণীর ঠিকাদার ইত্যাদি)।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;প্রায় একই ভাবে গ্রেডিং পদ্ধতিতে প্রতিটা গ্রেডের একটা লক্ষ্য নির্ধারণ করা আছে। যেমন:&lt;br /&gt;&lt;Table&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt; A গ্রেড (A+, A, A-)= Excellent বা অসাধারণ&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt; B গ্রেড (B+, B, B-)= Very good বা খুব ভাল &lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt; C গ্রেড (C+, C, C-)= Average বা গড়পড়তা&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;tr&gt;&lt;td&gt; D গ্রেড (D+, D, D-)= Passable বা পাশযোগ্য&lt;/td&gt;&lt;/tr&gt;&lt;/table&gt;কাজেই একটা নির্দিষ্ট উত্তরপত্রে ঠিক কত নম্বর পেলে সেটা অসাধারণ মেধার স্বাক্ষর রাখবে সেটা আপেক্ষিক এবং প্রশ্নপত্রের ধরণের উপর নির্ভর করে। অসাধারণ মেধার অধিকারীকে আলাদা করে চেনার মত প্রশ্নই যদি না থাকে এবং সবগুলো প্রশ্নই যদি গড়পড়তা মেধার ছাত্র সঠিক উত্তর দিতে পারে, তবে সেই পরীক্ষা পদ্ধতি ছেঁকে ছেঁকে মেধাবীদের আলাদা করতে সম্পুর্নরূপে ব্যর্থ হবে। ইদানিংকার SSC'র ফলাফল দেখে এই ব্যর্থতার কথাটাই বার বার মনে পড়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;লক্ষনীয় হল যে এখনও গ্রেড প্রদানের আগে ছাত্রকে নম্বর প্রদান করা হচ্ছে। কারণ একাধিক উত্তর থেকে সবগুলোতে প্রদত্ত উত্তরের সমষ্টিগত ফলাফল পেতে নম্বরের বিকল্প নাই। এই একই কারণে লেটার গ্রেডের সমতূল্য গ্রেড পয়েন্টও দেয়া হয়ে থাকে যা সিজিপিএ (কম্বাইন্ড গ্রেড পয়েন্ট এভারেজ) নির্ণয়ে কাজে লাগে। কিন্তু প্রাথমিক ভাবে পরীক্ষার উত্তরপত্রে নম্বরপ্রদান পদ্ধতির বিকল্প এখনও বের হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;রিলেটিভ গ্রেডিং;  অ্যাবসলিউট গ্রেডিং&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;নম্বর পদ্ধতি খুব সুবিধাজনক হলেও এটার একটা বড় দূর্বলতা আছে, যা শিক্ষার্থীদেরকে ভোগাচ্ছে বহুভাবে;  এই সমস্যারও সমাধান করা সম্ভব হয়েছে গ্রেডিং পদ্ধতিতে। প্রথমে সমস্যাটা উল্লেখ করি:  ভিন্ন ভিন্ন সময়ের পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ভিন্ন হবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ভিন্ন প্রশ্নপত্রের ক্ষেত্রে কোনো বছরে সহজ এবং কখনো অত্যন্ত কঠিন প্রশ্ন হতে পারে। স্বাভাবিক ভাবেই কঠিন প্রশ্নের সময়ে একই রকম মেধা সম্পন্ন পরীক্ষার্থীও বেশি নম্বর উঠাতে পারবে না। ফলশ্রুতিতে অন্য ব্যাচের ছাত্রদের সাথে তার মেধার তূলনীয় মূল্যায়ন করা সম্ভব হবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;এই সমস্যা সমাধানকল্পে উপরের তালিকাগুলোতে দেয়া অ্যাবসলিউট গ্রেডিং (=নির্দিষ্ট নম্বর পেলে নির্দিষ্ট গ্রেড) পদ্ধতির পরিবর্তে রিলেটিভ গ্রেডিং পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয়। কয়েকভাবেই এই রিলেটিভ গ্রেডিং প্রয়োগ করা যেতে পারে। প্রথম পদ্ধতিতে ক্লাসের সমস্ত ছাত্রদের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ৫ জনকে বা ৫%কে সর্বোচ্চ গ্রেড দেয়া হবে, তারপর সেই নম্বর অনুযায়ী বাকীদেরকে একটা নির্দিষ্ট নম্বর পরপর পরবর্তী গ্রেড দেয়া হবে। কাজেই নম্বরের উপর নির্ভরশীল থাকলেও সহজ বা কঠিন প্রশ্নের সীমাবদ্ধতা এখানে কাটিয়ে ওঠা যাচ্ছে। ব্যক্তিগতভাবে এই পদ্ধতিটা আমার খুব বেশি পছন্দ নয়, কারণ প্রতি ব্যাচেই যে সম-মেধার ছাত্র ভর্তি হবে এটা সদাসত্য নয়। এমনও হতে পারে সঠিকভাবে পড়ানো এবং প্রশ্ন সহজ হওয়া সত্বেও বেশিরভাগ ছাত্র খারাপ করলো, কারণ তাঁরা আসলে তেমন মেধাবী নয় - তাই তাদের সর্বোচ্চ গ্রেড পাওয়া উচিত নয়। আবার অন্য আরেক পরীক্ষায় স্ট্যান্ডার্ড কঠিন প্রশ্ন হওয়া সত্বেও ৫%-এর বেশি ছাত্র খুব ভালো নম্বর পেল ... অর্থাৎ নির্দিষ্ট ৫% এর চেয়ে বেশি ছাত্র সমান মাত্রার মেধার অধিকারী হওয়া সত্বেও কেউ কেউ সামান্য ১ নম্বরের জন্য সর্বোচ্চ গ্রেড পাবে না ... যেটা সঠিক মেধার মূল্যায়নের মূলনীতির সাথে সাংঘর্ষিক বলে মনে করি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;আরেকটি পদ্ধতি হতে পারে গ্রেস নম্বর প্রদান। গণহারে সকলকে গ্রেস প্রদান নয়, বরং এই পদ্ধতিতে শিক্ষক ছাত্রদের সাথে তার  মিথষ্ক্রিয়া বা পড়ানোর অভিজ্ঞতায় ঠিক করবেন যে এই ক্লাসের ছাত্রদের গড় মেধা আসলে কোন গ্রেডের অধিকারী। সেই গ্রেডের জন্য গড়ে যত নম্বর পাওয়া দরকার, সেটার সাথে ছাত্রদের প্রাপ্ত নম্বরের গড় তুলনা করে গড় গ্রেস নম্বরের পরিমান নির্ণয় করবেন। তারপর একটা অনুপাতের সূত্র ব্যবহার করে প্রতিটি ছাত্রের জন্য গ্রেস নম্বরের পরিমাণ বের করবেন। এতে সর্বোচ্চ নম্বর প্রাপ্ত ছাত্র যত নম্বর গ্রেস পাবে, সবচেয়ে কম নম্বর প্রাপ্ত ছাত্র গ্রেস পাবে তার চেয়ে অনেক বেশি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;উল্লেখিত এই দুইটি পদ্ধতিই কাজ করবে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে, কারণ এখানে সরাসরি শিক্ষকগণই ছাত্রদেরকে মূল্যায়ন করে থাকেন। কিন্তু SSC/HSC অথবা নতুন শিক্ষানীতি অনুসারে কেন্দ্রীয়ভাবে যেই পরীক্ষাগুলো নেয়া হবে সেখানে যেহেতু মূল্যায়নকারী শিক্ষক সরাসরি সেই ছাত্রকে চিনবেন না, তাই রিলেটিভ গ্রেডিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় স্বাধীনতাটুকু ওনার থাকবে না। এজন্য ফিক্সড গ্রেডিং পদ্ধতির উপযোগী এমন প্রশ্ন প্রণয়ন করতে হবে যেন অসাধারণ মেধার ছাত্রকে সাধারণ মেধার ছাত্র থেকে আলাদা করার জন্য নির্দিষ্ট নম্বরের প্রশ্ন থাকে। সাধারণ মেধার ছাত্র ঐ প্রশ্নের গভীরে গিয়ে বিশ্লেষন বা উত্তর দিতে পারবে না, তাই অসাধারণ গ্রেডের উপযুক্ত নম্বরও পাবে না। যে কোন পরীক্ষাতেই এই রকম চিন্তাধারা থেকেই সঠিক প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;গ্রেডিং পদ্ধতির ভিন্নতা কেন&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;পাঠক যদি এতদুর পর্যন্ত পড়ে থাকেন, তবে ইতিমধ্যেই এই ভিন্নতার বিষয়ে কিছুটা পরিস্কার ধারণা হয়েছে। এককথায় যদি এর কারণ ব্যাখ্যা করতে হয় তবে বলা যায়: বিভিন্ন স্তরের মেধার ছাত্রদেরকে আলাদা ভাবে চেনানোর জন্য যতটুকু নম্বর নির্ধারণ করা দরকার, পরিস্থিতির ভিন্নতা অনুযায়ী ততটুকুই নির্ধারণ করা হয়। আমার সীমিত অভিজ্ঞতা শুধু ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে পড়া এবং পড়ানো সংক্রান্ত, তাই উদাহরণে ওগুলোই চলে এসেছে। আশা করছি, এগুলো অন্য বিষয়গুলোর (বাণিজ্য বা অন্যান্য বিভাগের) গ্রেডিং পদ্ধতির সাথে খুব একটা আলাদা হবে না। উপরের তালিকা-১ এবং তালিকা-৩ এ ভিন্নতার কারণ এভাবেই ব্যাখ্যা করা যাবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;বুয়েটের আন্ডারগ্রাজুয়েটে যেই স্তরের চ্যালেঞ্জ সহ প্রশ্ন করা হয়, সেখানে অসাধারণ মেধা না হলে ৮০%+ নম্বর পাবে না। কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠানে একই স্তরের চ্যালেঞ্জ সহ প্রশ্ন করা হলেও অসাধারণ মেধা প্রমাণের জন্য ৯০%+ নম্বর পেতে হবে; কারণ পরীক্ষা গ্রহণ পদ্ধতির ভিন্নতা। বুয়েটে পুরা পাঠ্যক্রম/সিলেবাসের উপরে ৩ ঘন্টার একটা ফাইনাল পরীক্ষা হয়, যাতে মোট নম্বরের ৭০% ওজন বরাদ্দ থাকে (বাকী ৩০% ক্লাস পার্ফর্মেন্স + কুইজ থেকে আসে)।  কিন্তু আমার প্রতিষ্ঠানে ২ ঘন্টার ফাইনাল পরীক্ষাতে এক তৃতীয়াংশ পাঠ্যক্রম/সিলেবাস অন্তর্ভুক্ত থাকে। বাকী দুই তৃতীয়াংশ দুইটি ১ ঘন্টার মিড টার্ম পরীক্ষাতে সম্পন্ন করা হয়। (ফাইনাল = ৩৫%; মিডটার্মদ্বয় = ২০%+২০%; কুইজ+এসাইনমেন্ট+ক্লাস পার্ফর্মেন্স=২৫%)। ছোট ছোট সিলেবাসে পরীক্ষার কারণে এখানে বেশি নম্বর তোলা অপেক্ষাকৃত সহজ। এই প্রতিষ্ঠানে যদি বুয়েটের মতই ৮০% এ অসাধারণ মেধার গ্রেড দিতে হয়, তবে পরীক্ষার সময়ের স্ট্রেস/চাপ-ও একই পর্যায়ের করতে হবে, অর্থাৎ মিড টার্ম বাদ দিয়ে সম্পুর্ন সিলেবাসের উপরে ফাইনাল পরীক্ষা নিতে হবে। মজার ব্যাপার হল, ৯০%-এ সর্বোচ্চ গ্রেড অনেকের কাছে কঠিন মনে হলেও এখান থেকেও প্রায় ব্যাচেই দুই/একজন এই গ্রেড তুলতে সক্ষম হয় -- সেটা পার্ট-টাইম শিক্ষক হিসেবে বুয়েট/ডুয়েটের সিনিয়র শিক্ষকদের কোর্সেও ঘটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;সমস্যা&lt;/h3&gt;&lt;p&gt;কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়েও বুয়েটের মত গ্রেডিং পদ্ধতি অনুসরণ করে (ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশনও এমনই গাইডলাইন দিয়েছেন); অথচ সেসব জায়গায় ফাইনাল পরীক্ষায় কিন্তু বুয়েট/ডুয়েট/চুয়েট/কুয়েট-এর মত সম্পুর্ন সিলেবাসের চাপ নিতে হয় না, কারণ মিড টার্ম পরীক্ষায় কিছু সিলেবাস সম্পন্ন করা হয়ে থাকে। ফলশ্রুতিতে দেখা যায়, কম মেধার ছাত্র হওয়া সত্বেও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা ছাত্রর গ্রেড পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রের গ্রেডের চেয়ে বেশি হয় (অনেকটা SSC পরীক্ষার ফলাফলের মত)। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;আর একই কারণে আমার প্রতিষ্ঠানে কম গ্রেড পাওয়া ছাত্রও ক্রেডিট ট্রান্সফার করে অন্য প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে গ্রেডের বন্যায় ভাসতে থাকে। আর এই রকম কোয়ালিটি কন্ট্রোলজনিত সমস্যার কারণে কিছু চাকুরীদাতা প্রতিষ্ঠানও একটা নির্দিষ্ট গ্রেডের চেয়ে কম পেলে আবেদন করার দরকার নাই বলে দেয় -- অর্থাৎ এর চেয়ে কম গ্রেড পাওয়া যাকে আমরা উপযুক্ত প্রকৌশলী হিসেবে সার্টিফিকেট দিচ্ছি সেটা তার প্রাপ্ত সম্মান পায় না। মজার ব্যাপার হল, আমাদের এখান থেকে সার্টিফিকেট পাওয়ার যোগ্যতার (CGPA&gt;2.25) চেয়ে কম গড় গ্রেডের ছাত্র অন্য কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্রেডিট ট্রান্সফার করে চলে গেলে শুধু যে বেশি গ্রেড পাচ্ছে (খুব ভালো B থেকে অসাধারণ A) তা-ই নয়, ওখানে ক্রেডিট ট্রান্সফার করে নিয়ে যাওয়া আমাদের দেয়া গ্রেডকে ওদের নম্বর পদ্ধতিতে ফেলে নতুন গ্রেডও দেয়া হচ্ছে!! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;শিক্ষকতার আদর্শ থেকে সরে গিয়ে শুধুমাত্র শিক্ষা-বাণিজ্য কেন্দ্রিক এই কোয়ালিটি কন্ট্রোল দীর্ঘমেয়াদে দেশকে কী পরিস্থিতিতে ঠেলে দেবে ভাবতেই মনটা খুব খারাপ হয়ে যায়। কোয়ালিটি সম্পন্ন শিক্ষক ছাড়া, কোনোরকম ল্যাবরেটরি ছাড়া (কোচিং-এ খারাপ মান + কোয়ালিটি কন্ট্রোলেও খারাপ মান) শুধুমাত্র সার্টিফিকেট বাণিজ্য করে যাদের ডিগ্রী দেয়া হবে, সেই তথাকথিত ইঞ্জিনিয়ারের নকশা করা ভবন ফেটে যাবে, হেলে যাবে, ভেঙ্গে পড়বে; তথাকথিত ডাক্তারের রোগী আর সুস্থ হবে না। এখনই এই দেশে গুণীর কদর নাই ... ... ... আর এ অবস্থা চলতে দিলে শিক্ষিত লোকের শিক্ষাকে সমাজ আর মূল্য দেবে না। উল্লেখ্য যে বিদেশের বেশ কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও এরকম অবস্থা বিরাজ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;চাকুরীর বাজারে, নিয়োগকর্তার গ্রেডিং পদ্ধতির মূলনীতি সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা না থাকাটাও একটা বিরাট সমস্যা সৃষ্টি করছে। সকলেই লেটার গ্রেডের বদলে নিউমেরিকাল গ্রেড দেখতে চায় এবং একটির সাথে অপরটির তুলনা করে। অথচ এই গ্রেডিং পদ্ধতি সব জায়গায় এক নয়, এক হতে পারে না। বরং লেটার গ্রেডটিই ছাত্রটির আসল মেধা সম্পর্কে বলে দেয় -- সে কি অসাধারণ, নাকি খুব ভালো, নাকি গড়পড়তা ইত্যাদি। কিন্তু যখন সিজিপিএ ৩.০ এর নিচে আবেদন করতে নিষেধ করা হয়, তখন বাণিজ্য-মূখী কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের কম মেধার অথচ বেশি গ্রেডের ছাত্র সেখানে আবেদন করতে পারে, অথচ বুয়েটের অপেক্ষাকৃত মেধাবী ছাত্র আবেদনের যোগ্য বিবেচিত হয় না! সেলুকাস!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;h3&gt;কিছুটা অফটপিক, কিছুটা ভিন্নমত&lt;/h3&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;প্রচলিত শিক্ষা ব্যবস্থায় আমরা কি সত্যই মেধা যাচাই করতে পারছি? আমার সহপাঠিগণ বিদেশী নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যে গ্রেড পেয়েছে, বুয়েটে তার চেয়ে অনেক কম গ্রেড পেয়েছিলো। এছাড়া কিছু কিছু বিষয়ের পরীক্ষায় ঠিক কোন ধরণের মেধা যাচাইয়ের লক্ষ্যে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয় সেটাই ভেবে পাই না। ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যাথ ডিপার্টমেন্টের পরীক্ষাগুলোতে দেখেছি, মুখস্থ বিদ্যা ছাড়া ভাল গ্রেড পাওয়া অসম্ভব। মুখস্থ করার ক্ষমতা নিঃসন্দেহে এক প্রকার মেধা, এবং কর্মক্ষেত্রে এর প্রয়োজনীয়তাও অস্বীকার করা যায় না, কিন্তু তাই বলে ম্যাথ পরীক্ষায় মুখস্থ! ম্যাথের উদ্দেশ্য কি মুখস্থ? সেখানে সমাধানের দাড়ি, কমার জন্য নম্বর কাটতো!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;শুধুমাত্র ভাল অংক করতে পারলেই মেধাবী -- এমন একটা ভুল ধারণার প্রচলন আছে এদেশে।  ভিন্ন ভিন্ন কর্মক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন দক্ষতা ও মেধার প্রয়োজন হয়। ভাল ডিজাইনার হওয়ার জন্য মার্কেটিং করার মত মেধা না থাকলেও চলবে, আবার যে ম্যানেজমেন্টে দক্ষ তার মেকানিকসে জ্ঞান/মেধার প্রয়োজন নাই। পরীক্ষার খাতায় লেখে ফাটিয়ে ফেললো, গ্রেডের বন্যায় ভেসে গেল অথচ কর্মক্ষেত্রে একটা সিদ্ধান্ত নিতে কাঁপাকাঁপি লেগে যায় ... এ ধরণের মেধার আদৌ কি খুব প্রয়োজন আছে?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;আমার ধারণা, মেধা হল ক্ষমতার পরিমাপ; আর জ্ঞান হল সেই ক্ষমতা কতটুকু ব্যবহার করা হল তার একটা পরিমাপ। পরীক্ষার গ্রেডকে মেধার পরিচায়ক রূপে ব্যবহার করলেও আসলে এটা তার জ্ঞানের প্রতিফলন, মেধার প্রতিফলন নয়। অন্যভাবে বললে, একটা নির্দিষ্ট রাস্তায়, রাস্তার বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে দুইটি গাড়ি যদি ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটার বেগে চলে ... তা থেকে দুইটি গাড়িই সমান ক্ষমতার বলে সিদ্ধান্ত নেয়া যায় না, কারণ একটি গাড়ি হয়তো এর ইঞ্জিনের সমস্ত ক্ষমতা ব্যবহার করেছে, অন্যটি এর অর্ধেক ক্ষমতা ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছে। একজন অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র যদি পরীক্ষার সময় অসুস্থ হয়ে থাকে কিংবা তার কোন বিপদ ঘটে থাকে তবে বিদ্যমান পরীক্ষা পদ্ধতিতে পরীক্ষার ফলাফলে তাকে নিম্ন মেধার মনে হবে। আবার দেখুন স্কুলে কিছু সহপাঠি সবসময় পেছনের সারির ফলাফল করলেও কর্মক্ষেত্রে তাদের অধীনে তথাকথিত মেধাবী ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার ইত্যাদিরা চাকুরী করছে। মেধা না থাকলে শুধুমাত্র চাচা/মামার জোরে কর্মক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সম্ভব বলে আমার মনে হয় না। বিদ্যালয়ের গৎ বাধা লেখাপড়া তাকে ঐ বিষয়ে আগ্রহী করে তুলতে পারেনি, তাই তার মেধা সে সেখানে প্রয়োগ করেনি। আবার, লেখাপড়ায় অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র কর্মক্ষেত্রে লবডংকা -- এমন উল্টা ঘটনাও দেখা যায় অহরহ! &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;p&gt;এরকম হওয়ার কারণ হতে পারে - আমাদের লেখাপড়া পুরোপুরিভাবে কর্মমূখী শিক্ষা নয়। ইঞ্জিনিয়ারিং, ডাক্তারী, আইন ইত্যাদি পেশাদার লেখাপড়া থাকা সত্বেও এই ধরণের (কর্মমূখী নয় অথবা কার্যক্ষেত্রের চাহিদা পূরণ করে না) অভিযোগ আসতে থাকলে, লেখাপড়া এবং এই মেধা যাচাই পদ্ধতির সার্থকতা সম্পর্কে আরেকটু চিন্তাভাবনা করার ইন্ধন যোগায়।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-387102867067381805?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/387102867067381805/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=387102867067381805' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/387102867067381805'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/387102867067381805'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2010/06/blog-post.html' title='গ্রেডিং পদ্ধতি এবং কিছু অগোছালো চিন্তাভাবনা'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-7159894035467702701</id><published>2010-05-18T22:01:00.001+06:00</published><updated>2010-05-28T17:05:21.958+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আগডুম বাগডুম'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='প্রযুক্তি'/><title type='text'>প্রতিক্রিয়া পোস্ট: তবুও সম্পাদকদের সম্মানিত ভাববো</title><content type='html'>&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/hussainuzzaman/32268"&gt;&lt;span style="font-size: x-small;"&gt;(সর্বপ্রথম সচলায়তনে প্রকাশিত) &lt;/span&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;(ধারণাপ্রসূত পোস্ট, বাস্তবতার সাথে না মিললে সেটার দায় লেখকের)&lt;br /&gt;কোনো ব্যক্তি পত্রিকার সম্পাদক শুনলেই তাঁর সম্পর্কে একটা শ্রদ্ধা শ্রদ্ধা ভাব চলে আসে। এই শ্রদ্ধা কেন আসে সেটার কারণ খুঁজতে গিয়ে মনে হল যে আমাদের অনেক প্রিয় ব্যক্তিত্ব বিভিন্ন পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। .... বলে ফেলেই তো বিপদে পড়লাম; পাঠক উদাহরণ জানতে চাইবেন ... ... আমি আবার রেফারেন্স দেয়ার ক্ষেত্রে জেনেটিকালি কাঁচা। আচ্ছা ঠিক আছে .... একেবারেই নিরাশ করবো না, কয়েকটা নাম মনে পড়েছে; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ধূমকেতু পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন, নবযুগ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন শেরে বাংলা এ.কে.ফজলুল হক। ইত্তেফাকের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে মানিক মিয়ার নামও মনে পড়ছে।&lt;br /&gt;তাছাড়া সম্পাদকগণ সম্পাদকীয় লেখেন, যেখানে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লেখা হয়ে থাকে। এরকম ভারী কাজ যাঁরা করেন তাদেরকে শ্রদ্ধার চোখে দেখা সম্ভবত খারাপ কিছু নয়। সম্পাদকের কাজ কি শুধু সম্পাদকীয় লেখা? আমার তা মনে হয় না। বরং সম্পাদকীয় লেখাটা একটা অতিরিক্ত গুরুদায়িত্ব। গুরুদায়িত্ব তো গুরুজনদের উপরেই পড়ে। সম্পাদক নামটাই বলে দেয় যে এই পদবীধারী ব্যক্তির মূল কাজ হল সম্পাদনা করা। পত্রিকার লেখাগুলোকে ঘষামাজা করে প্রকাশযোগ্য করা, প্রয়োজনে লেখা বাছাই করা .... ইত্যাদি। জীবনে কখনো পত্রিকা সম্পাদনা তো দুরের কথা, পত্রিকাতে লেখা প্রকাশের চেষ্টা করিনি ... ... তাই আমার সব কথাই বিভিন্ন সাহিত্য/নাটক/সিনেমা/ব্লগ ইত্যাদি থেকে প্রাপ্ত ধারণার যোগফল।&lt;br /&gt;তবে বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ সংকলন প্রকাশের সাথে জড়িত ছিলাম (কামলা খাটা)। এডিটেড বাই ... এর পরে যাদের নাম লেখা থাকতো/থাকে সেটা দেখেই বোঝা যায় সম্পাদনা করাটা কী ধরণের গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাছাড়া বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ প্রকাশের ক্ষেত্রেও সম্পাদকের সাথে যোগাযোগ করতে হয়। তবে, সম্পাদক নিজে সমস্ত বিষয়ে বিশেষজ্ঞ নয় বলে সেই প্রবন্ধগুলোকে উপযুক্ত বিশেষজ্ঞদের কাছে নিরীক্ষার জন্য পাঠায় (রিভিউয়ার)। রিভিউয়ার হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থেকে মনে হয় যে, রিভিউয়ারগণ সম্পাদকেরই বর্ধিত অংশ হিসেবে কাজ করেন।&lt;br /&gt;পত্রিকার বিষয়ে ফেরৎ আসি। যে বিষয়ে সম্পাদক সাহেব ভাল জানেন না, পত্রিকাতে যদি এমন কোনো প্রবন্ধ/লেখা ছাপানোর জন্য জমা দেয়া হয় তবে সেটা কি উপযুক্ত লোককে দিয়ে সঠিকতা যাচাই করানো হয়? আমার মনে হয়, করানো হয়। এই জায়গাটাতেই সম্ভবত ধরা খেয়ে গেছেন সম্মানিত কিছু সম্পাদক সাহেব। উপযুক্ত লোকের জায়গায় ভুলে হয়তো কোনো শাখামৃগকে নিয়োগ দিয়ে রেখেছেন; কিংবা জমা দেয়া লেখার লেখককেই সম্পুর্ন ভুল ধারণার বশবর্তী হয়ে বিশেষজ্ঞ ভেবে বসে আছেন। এরকম ভুল লোক নির্বাচন করে থাকলে সেটা শুদ্ধ করার সুযোগ বন্ধ হয়ে যায় না, বরং ভুল থেকে শিক্ষা নেয়াটাই সঠিক পথ। কিন্তু সেটা না করলে এরকম আজেবাজে এবং ভুল তথ্যসমৃদ্ধ লেখা পত্রিকায় প্রকাশের পেছনে সম্পাদক সাহেব দায় অস্বীকার করতে পারবেন না। পত্রিকার কাছে পাঠকের দাবী অনেক, তাই পাঠককে ভুলপথে পরিচালিত করলে সম্পাদক সাহেবের প্রতি শ্রদ্ধাটা রাখতে কষ্ট হয়।&lt;br /&gt;শিরোনামে প্রতিক্রিয়া পোস্ট দেখে ভাবছেন, এটা আবার কিসের প্রতিক্রিয়া? ... আরে ভাই, আই.টি. সেক্টর নিয়ে যখন বালছাল লেখা পত্রিকায় প্রকাশ পায় তখন মনে দূঃখে প্রতিক্রিয়া জানাতেই হয়। &lt;br /&gt;এমনই লেখা যে, সেটার মধ্যে কিছু ভুল থাকলে শুদ্ধ করার সাজেশন দেয়া যেত ... .... এটাতে শুদ্ধ কোনো তথ্য খুঁজে পাওয়াই কঠিন। লিখেছেন যে, সেই তথাকথিত বিশেষজ্ঞকে ডাক্তার তু-ষাড় লিখতে পছন্দ করেন অনেকে; আর আছে বিশেষ-অজ্ঞ কাগু।&lt;br /&gt;&lt;a class="bb-url" href="http://www.sachalayatan.com/mahbub/32253" target="_blank"&gt;এ প্রসঙ্গে এস.এম.মাহবুব মুর্শেদের পোস্ট&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;a class="bb-url" href="http://www.somewhereinblog.net/blog/ninel/29156416" target="_blank"&gt;এ প্রসঙ্গে লেনিনের পোস্ট&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-7159894035467702701?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/7159894035467702701/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=7159894035467702701' title='0টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7159894035467702701'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/7159894035467702701'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2010/05/blog-post_18.html' title='প্রতিক্রিয়া পোস্ট: তবুও সম্পাদকদের সম্মানিত ভাববো'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-4148670264660985048</id><published>2010-05-02T22:27:00.001+06:00</published><updated>2010-05-05T01:31:56.961+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='আত্মকথন'/><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ ও দেশ'/><title type='text'>একটা অভিনব প্রতারণার ব্যর্থ প্রয়াস - সতর্ক থাকুন</title><content type='html'>(&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/hussainuzzaman/31963"&gt;সর্বপ্রথম সচলায়তনে প্রকাশিত&lt;/a&gt;) &lt;br /&gt;অনেকগুলো লেখা মাথায় ঘুরছে। লেখার জন্য ফাইল খুলে সেভ করে রেখেছি কিন্তু নানা ব্যস্ততায় লেখা হয় না। কিন্তু এই ঘটনাটা চেপে রেখে দেরি করা ঠিক হবে না মনে হলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গতপরশু (৩০শে এপ্রিল ২০১০, শুক্রবার) দুপুরে আমার শাশুড়ির মোবাইল ফোনে (গ্রামীন) অপরিচিত নম্বর (01749 872178) থেকে একটা কল আসে। ফোনকারী বলেন যে আপনি খুব লাকি, গ্রামীন ফোন একটা প্রমোশনের জন্য তাঁদের সমস্ত সাবস্ক্রাইবারদের মধ্য থেকে লটারি করেছে, এতে আপনি ৩য় হয়েছেন। আপনি পুরস্কার হিসেবে ১৬৯০০ টাকার টকটাইম পাচ্ছেন। আপনার মোবাইল থেকে ব্যালেন্স চেক করে দেখুন যে টাকাটি পেয়েছেন কি না। পেয়ে থাকলে যত দ্রুত সম্ভব আমাদেরকে জানান। যদি ১ম ২য় যারা হয়েছেন তাঁদের আগে আপনার কাছে থেকে কল পাই, তবে আরও পুরস্কার আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শাশুড়ি *৫৬৬# চেপে ব্যালেন্স চেক করে দেখেন যে আসলেই ব্যালেন্সে ১৬৯০০ টাকা যুক্ত হয়েছে। ফোন করে জানালেন। তখন ওপাশ থেকে বলে আপনি আসলেই খুব লাকি কারণ আপনি সবার আগে এটা জানিয়েছেন, এতে পুরস্কার হিসেবে একটা মোটরসাইকেল পেয়েছেন। শাশুড়ি জিজ্ঞেস করলেন এই ১৬৯০০ টাকা কি ক্যাশ করা যাবে ... উত্তরে জানালো - না করা যাবে না, তবে দুই বছর পর্যন্ত এই ব্যালেন্স ব্যবহার করা যাবে। এরপর বললেন যে বুঝতেই পারছেন যে আমি একজন বয়স্ক মহিলা ... আমি মোটরসাইকেল দিয়ে কী করবো? উত্তরে জানালেন যে আপনি এর বদলে ২ লাখ ৬৫ হাজার টাকার ক্যাশও নিতে পারেন। তবে এর আগে একটা কাজ করতে হবে। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শাশুড়ি আম্মার মনে একটু সন্দেহ দোলা দিচ্ছিলো, কিন্তু ব্যালেন্স চেক করাতে গ্রামীন ফোনেরই অফিসিয়াল কিছু বলে হালকা বিশ্বাস করা শুরু করেছিলেন। কিন্তু যেই আরেকটা কাজ করতে হবে শুনলেন তখনই আবার সন্দেহটা গাঢ় হলো যে: নাহ্ এটা ফ্রড কেস মনে হচ্ছে। বিস্তারিত জানতে চাইলে বললো যে আপনাকে ৯ হাজার টাকা জমা দিতে হবে এখুনি। শাশুড়ি আম্মা জিজ্ঞেস করলেন যে, টাকা কেন? .... &lt;br /&gt;গ্রা.ফো.: ... আরে বুঝলেন না, এসব কাজে সরকারি ভ্যাট আছে না। ওসব খরচ তো আপনাকেই দিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শা.আ.: আমি আগে হাতে টাকা পাই, তারপর না ভ্যাট দিবো। হাতে টাকা না আসলে ভ্যাট কোত্থেকে দিবো?&lt;br /&gt;গ্রা.ফো.: ... এইতো বেশি বুঝতে শুরু করেছেন। টাকাটা যতদ্রুত সম্ভব জমা দিতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শা.আ.: আমি এখন টাকা দিবো কোত্থেকে। আজ শুক্রবার, আগামীকাল ১লা মে বাদ দিয়ে আগামী রবিবারে ব্যাংক খুললে পরে টাকা তোলা যাবো, তার আগে টাকা দেয়া অসম্ভব।&lt;br /&gt;গ্রা.ফো.: বাসায় টাকা আছে কত?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শা.আ.: এই ধরেন হাজার দেড়েক আছে বাজার খরচের জন্য।&lt;br /&gt;গ্রা.ফো.: ঐটাই জমা দেন। এখুনি ফ্লেক্সি করে পাঠিয়ে দেন ... আমরা যেন প্রসেসিং শুরু করতে পারি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শা.আ.: কিন্তু ... .&lt;br /&gt;গ্রা.ফো.: এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাইলে ১২১এ ফোন করেন। ওখানেই বিস্তারিত ভাবে মেসেজ শুনতে পারবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তখন কল দিলেন ঐ নম্বরে। যথারীতি একটা অটোমেটেড কন্ঠ বিভিন্ন অপশন দেয়া শুরু করলো ... অমুক জানতে চাইলে ১ চাপুন; মটরসাইকেল সম্পর্কে জানতে চাইলে ... ...&lt;br /&gt;বিরক্ত হয়ে ফোন কেটে দিলেন। সাথে সাথে ওপাশ থেকে ফোন করে ঝাড়ি&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;: ফোন কেটে দিলেন ক্যান? এজন্য মানুষের উপকার করতে হয় না।&lt;br /&gt;শা.আ.: আচ্ছা কিভাবে কী করতে হবে এটা আমার হাজবেন্ডকে বলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরপর ওরা আমার শ্বশুর সাহেবকে অনেককিছু বুঝালেন। শ্বশুর সাহেবও ফ্লেক্সি করতে বেরিয়েছেন এমন ভাব নিয়ে রাস্তায় গেলেন যেন ঐপাশের লোক রাস্তার গাড়ির শব্দ শুনতে পায়। ফোনে বললেন, ফ্লেক্সি করার লোক ভেতরে গেছে কী একটা আনতে, আপনি বরং কোন নাম্বারে পাঠাতে হবে সেটা বলেন।&lt;br /&gt;অপর দিক থেকে নম্বর দিল (01928 908707)। শ্বশুর সাহেব ফোন কেটে দিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কিছুক্ষণ পর ঐদিক থেকে আবার ফোন করে শাশুড়িআম্মাকে ঝাড়ি ... ... আপনার হাজবেন্ড একটা ফাউল লোক ... (গালিগালাজ)। ফোন কেটে দেয়া হলো। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবাক ব্যাপার হলো, কিছুক্ষণ পর একাউন্ট চেক করে দেখা গেল সেই ১৬৯০০ টাকা নাই। শুধু শুধু এই ফোন টোন বাবদ ৩০ টাকার টকটাইম গচ্চা। &lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘটনার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম না। কিন্তু শুধু শুধু বানিয়ে মিথ্যা বলার এবং হোক্স ছড়ানোরও কোনো প্রয়োজন নাই। &lt;strike&gt;যে নম্বর থেকে ফোন এসেছিলো আর যেখানে ফ্লেক্সি পাঠাতে বলা হয়েছিলো, সেই নাম্বারগুলো লেখা আছে শ্বশুর আব্বার কাছে। রাতে উনি (এবং আমি) বাসায় ফিরলে সেগুলো এই পোস্টে যুক্ত করে দেবো।&lt;/strike&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার কাছে অবাক লাগলো যে এটা কীভাবে সম্ভব! গ্রামীন ফোনের কিছু কি হ্যাক করে এমন ফ্রড করা সম্ভব ... নাকি ... কর্তৃপক্ষের অগোচরে ভেতরের কিছু লোক এমন কারবারের সাথে জড়িত?&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;==&lt;br /&gt;ব্যাপারটায় সচেতন থাকা দরকার। আর এইরকম ঘটনা বিচ্ছিন্ন নয়। আমার আগের &lt;a class="bb-url" href="http://www.sachalayatan.com/hussainuzzaman/31146" target="_blank"&gt;মাঝরাতে ব্যাপক বিনোদন&lt;/a&gt; নামক পোস্টেও মুঠোফোন দিয়ে একই রকম সমস্যার কথা জানিয়েছিলাম। টেকনিক্যাল কারণে (ব্যালেন্স পরিবর্তন, কল সেন্টার) এই ঘটনাটা আগের ঘটনাগুলোকে ছাড়িয়ে গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;==&lt;br /&gt;এর আগে (বছরখানেক হতে পারে) এক চ্যাংড়া মিস কল দিয়ে দিয়ে শাশুড়ি আম্মাকে জ্বালাতো। একবার কল ব্যাক করে ঝাড়িও দিয়েছেন। বাসায় এসে আমাকে বললো দেখতো বাবা ... এটার একটা বিহিত করা যায় কি না। আমি তখন দেখি যে ওটা মধ্যপ্রাচ্যের একটা নাম্বার। আম্মাতো নাম্বার খেয়াল না করেই কলব্যাক করেছেন! ..... .... শুনে আম্মার রিয়্যাকশন: তাইতো বলি আমার ২০০ টাকা এ্যাত তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল কীভাবে!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;==&lt;br /&gt;আরেকবার (কয়েক বছর আগে) শ্বশুরের বাসার ল্যান্ডফোনে এরকম মিষ্টি কণ্ঠের নীহারিকা নামক মেয়ে ফোন করে পুরস্কার জেতার কথা জানিয়েছিলো (আমিই সেই ফোন রিসিভ করেছিলাম!)। পরদিন যাওয়ার জন্য একটা ঠিকানাও দিয়েছিলো। কিন্তু কে আর সেধে সেধে অপহৃত (মুক্তিপণ দাবির শিকার) হতে যায়!&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;==&lt;br /&gt;২০০৩ সালে আমার তৎকালীন অফিসে (গণপূর্ত) ফোন করে এক সন্ত্রাসীর (কালা জাহাঙ্গীর) নামে চাঁদা চেয়েছিলো। অনুনয়ের সুর শুনে আমি ঠিক সন্দেহ করেছিলাম। আমি উল্টা ওনার কাছে আর্থিক সাহায্য চেয়েছিলাম। এর সপ্তাহখানেক পরেই পেপারে এরকম দুই ফ্রড গ্রেফতারের ঘটনাও বের হয়েছিলো।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;______________________
খিচুড়ী ব্লগে প্রকাশিত - শামীম&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/1370120176565594364-4148670264660985048?l=hussainuzzaman.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/feeds/4148670264660985048/comments/default' title='মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=1370120176565594364&amp;postID=4148670264660985048' title='1টি মন্তব্য'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/4148670264660985048'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/1370120176565594364/posts/default/4148670264660985048'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://hussainuzzaman.blogspot.com/2010/05/blog-post.html' title='একটা অভিনব প্রতারণার ব্যর্থ প্রয়াস - সতর্ক থাকুন'/><author><name>Miah M. Hussainuzzaman</name><uri>https://profiles.google.com/107158465528442107224</uri><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='32' height='32' src='//lh4.googleusercontent.com/-hTY-NQZvfBA/AAAAAAAAAAI/AAAAAAAABG0/6usDEFISabA/s512-c/photo.jpg'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-1370120176565594364.post-6652529701250467729</id><published>2010-04-21T13:18:00.001+06:00</published><updated>2010-05-05T01:26:47.039+06:00</updated><category scheme='http://www.blogger.com/atom/ns#' term='সমাজ ও দেশ'/><title type='text'>আবর্জনা থেকে মুক্ত হওয়ার সময় এখনই</title><content type='html'>(&lt;a href="http://www.sachalayatan.com/hussainuzzaman/31610"&gt;সর্বপ্রথম সচলায়তনে প্রকাশিত&lt;/a&gt;) &lt;br /&gt;পেশায় পরিবেশ প্রকৌশলী বলে আবর্জনার প্রতি আমার একটা আত্মার টান দেখা যায়। না ... ইয়ে .. মানে .... আবর্জনা দেখলেই পরিষ্কার করার বিষয়ে বলতে চেয়েছিলাম। আম্মার কাছে শুনেছি যে যখন একরত্তি বাচ্চা ছিলাম, তখনও হাতের কাছে ঝাড়ু পাইলেই ঝাড়ু দেয়া শুরু হয়ে যেত। এখনও হাতের কাছে ন্যাকড়া পেলেই জব্বর (জব্বার কাগু নয়) মোছামুছি শুরু করে দেই। ক্লাসরূম, সিড়ি ইত্যাদিতে কাগজ পড়ে থাকতে দেখলেও কুড়িয়ে পাশের "আমাকে ব্যবহার করুন" এ স্থাপন করি। অবশ্য শেষোক্ত এই অভ্যাসটা শুরু হয়েছে জাপান থেকে ... দেখতাম বুড়াগুলো ইভনিং ওয়াক করার সময়ে হাতে একটা পলিথিন ব্যাগ আর আরেক হাতে বিরাট চিমটা নিয়ে হাটে। হাঁটতে হাঁটতে কোনো ময়লা যেমন কাগজের টুকরা, বাচ্চাদের ফেলে যাওয়া চকোলেটের খোসা ইত্যাদি পেলেই চিমটা দিয়ে টুক করে ধরে পলিথিনে ঢুকিয়ে ফেলে, তারপর ফেরার পথে সেই পলিথিন ব্যাগটা ডাস্টবিনে ফেলে দেন ... ... পরিবেশের স্বাস্থ্য ঠিক রাখাতে সাহায্য করে আসলে নিজের স্বাস্থ্য ঠিক রাখার আরেকটি দিকও (হাটার পাশাপাশি পরিচ্ছন্ন পরিবেশ) ঠিক রাখলো। যাক ধান ভানতে শীবের গীত হয়ে গেল অনেক ... ... আসল কথায় আসি ... ...&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্কুলের পাঠ্য বইয়ে আমাদের সময়ে কম্পিউটার শিক্ষা বলে কোনো কিছু ছিলো বলে মনে পড়ে না (আমার SSC =১৯৯০)। ইদানিং বিভিন্ন জায়গায় পড়ছি যে আমাদের নীরবতার সুযোগে এই জায়গায় কিছু আবর্জনা পুশ-ইন করা হয়েছে। কিন্তু এই আবর্জনা পঁচে বায়োগ্যাস বা সার কিছুই হওয়ার উপায় নাই, তাই উদ্দিষ্ট ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়তে এটা সহায়তার বদলে পেছনে টেনে লক্ষ্য থেকে দুরে সরিয়ে রাখবে বলে প্রতীয়মান হয়। বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল নামক একটা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষেও ইদানিংকার পঁচা দূর্গন্ধ দেখে আবর্জনা দিয়ে ভর্তি বলে প্রতীয়মান হল। তাই এই উৎস থেকে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রেরণা নিলে 'ডিজি' বাদ চলে গিয়ে শুধুই 'টাল' অবশিষ্ট থাকবে বলে আমার দৃঢ় ধারণা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে ২০১৩ সালেরও বেশি দেরী নাই। কিন্তু পাঠ্যক্রমের ঐ বইগুলোতে প্রোপাইটারী দামী সফটওয়্যার চালানো শেখানোর চেষ্টা করা হযেছে বলে জানতে পারলাম। যদি পুরা তরুন সমাজকে ঐ পথে এগিয়ে নেয়া হয় তাহলে প্রজন্মশুদ্ধ শিক্ষিত লোকজন গুটিকয়েক সফটওয়্যার কম্পানির কাছে জিম্মি হয়ে থাকবে ... ... আর একপেশে দক্ষতার সেই প্রজন্মকে কাজে লাগাতে হলে দেশের কষ্টার্জিত বৈদেশিক মূদ্রার বেশিরভাগ অংশই ঐ বিদেশী কোম্পানিগুলোর পকেটে চলে যাবে কারণ TRIPS চুক্তির অধীনে সরকার পাইরেসী ঠেকাতে বাধ্য।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কাজেই প্রস্তুতি নেয়ার জন্য এখনই সময়। শিক্ষাসূচীকে যুগোপযোগী করতে হলে মুক্ত সফটওয়্যার বিষয়ক বিষয়গুলোকে বেশি বেশি করে শিক্ষাক্রমে নিয়ে আসতে হবে। এতে বিকশমান প্রজন্ম নির্ভরশীলতার শৃঙ্খল থেকে বেরিয়ে আসতে প
